fbpx
কলকাতাগুরুত্বপূর্ণহেডলাইন

বেসরকারি হাসপাতালের উদ্যোগে হোম আইসোলেশন পরিষেবা

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কোভিড-১৯-এ জর্জরিত গোটা পৃথিবী| প্রতিদিনই বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। সঙ্গে মৃত্যুর পরিসংখ্যানও আতঙ্ক সৃষ্টি করছে জনমানসে। গৃহবন্দি হয়ে সব সময় থাকা সম্ভব হচ্ছে না। অনভ্যাসের ফলে মুখে মাস্ক রাখাটাও অস্বস্তিকর হয়ে উঠছে। ফলত অনেকেরই সংক্রমণের সম্ভাবনা থেকে যাচ্ছে। সব সময় যে জ্বর, কাশি, শ্বাসকষ্ট হচ্ছে এমন নয়, তবু করোনা পজিটিভ রিপোর্ট পাওয়া যাচ্ছে। হাইব্লাড প্রেসার, সুগার, ক্যান্সার, কার্ডিয়াক ইত্যাদি রোগীরা যদি কোনওভাবে করোনা আক্রান্ত হন, তাহলে তাঁদের জন্য হাসপাতাল একেবারেই সুরক্ষিত নয়। শুধু শারীরিক অসুবিধে নয়, মানসিক সমস্যাও দেখা দিচ্ছে এই সময়। তাই বর্তমান এই প্রেক্ষাপটকে মাথায় রেখে ফর্টিস হসপিটাল, আনন্দপুর নিয়ে এসেছে এক নতুন হেলথ স্কিম।

আরও পড়ুন:রাম বিরোধীরা দেশদ্রোহী! তোপ বিশ্ব হিন্দু পরিষদের

কোভিড-১৯ এর এই প্যান্ডেমিক পরিস্থিতিকে নিযন্ত্রণে রাখতে ফর্টিস হসপিটাল লঞ্চ করেছে হোম আইসোলেশন সাপোর্ট প্রোগ্রাম। যাঁরা করোনা পজিটিভ এবং যাঁরা হাসপাতালে যেতে চাইছেন না বা বেড পাচ্ছেন না তাদের জন্য মাত্র , ৭৯৯৯ টাকার বিনিময়ে ১৫ দিনের জন্য কোভিড সংক্রান্ত সমস্ত রকম পরিষেবা তারা দেবেন অ্যাপ ভিত্তিক রিমোট কন্ট্রোলের মাধ্যমে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিশ্বাস তাদের এই প্যাকেজে অনেকেই সাড়া দেবেন এবং সুস্থ হয়ে উঠবেন। যাঁরা অ্যাসিমপ্টোমেটিক কিংবা হালকা (মাইল্ড) লক্ষণ যুক্ত, তারা হাসপাতালে না গিয়ে বাড়িতে থেকেই সুস্থ হতে পারেন। কিন্তু অনেকেই জানেন না হোম আইসোলেশনে কী কী নিয়ম মেনে চলতে হবে, কেমন ভাবে থাকতে হবে। ফর্টিস হসপিটালের এই হেলথ স্কিমে এই সকল পরিষেবা পাওয়া যাবে। শুধু যাঁরা পজিটিভ তাঁরাই নন, বাড়ির অন্য সদস্যরাও কী কী নিয়ম পালন করবেন সেই বিষয়ে সাহায্য করা হবে|
ফর্টিস হসপিটালের সুপারিটেন্ডেন্ট ড. আরাফাত ফইসাল বলেন, আগামী দিনে কোভিডের সংক্রমণ আরও বাড়বে। ফলত রোগীর জন্য বেড কম পড়তে বাধ্য। তাই তাদের এই ভাবনা।

আরও পড়ুন:স্থিতিশীল ফুয়াদ হালিম, চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছেন সিপিএম নেতা

তাঁর কথায়, যাঁদের হসপিটালে ভর্তির প্রযোজন হবে একমাত্র তাঁরাই আসুন, বাকিরা বাড়িতেই স্বাস্থ্য পরিষেবা উপভোগ করুন। এই পরিষেবায় সকল পেশেন্টের জন্য সাইকোলজিকল কাউন্সেলিং এবং কোভিড বিশেষজ্ঞের পরামর্শ যুক্ত চারটি ভিডিও আছে। তিনি আরও বলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রকের গাইডলাইন মেনে ১৭ দিনের মধ্যে বাড়িতে আইসোলেশনে থেকে যাঁরা সুস্থ হবেন, তাঁদের দ্বিতীয়বার আর কোভিড পরীক্ষার প্রয়োজনে নেই।

Related Articles

Back to top button
Close