fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা স্বাস্থ্যকর্মীর বাড়িতে হামলার অভিযোগ   

নিজস্ব সংবাদদাতা, দিনহাটা: করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় পরিষেবা দিতে গিয়ে দিনহাটা মহকুমা হাসপাতালে এক স্বাস্থ্যকর্মী করোনা পজেটিভ আসতেই হাসপাতালে এসএনসি ইউ বিভাগের কয়েকজন চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীকে হোম কোয়েরান্টাইনে থাকার নির্দেশ দেয় স্বাস্থ্য দফতর। সেই নির্দেশ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট বিভাগের চন্দনা সরকার নামে এক স্বাস্থকর্মী শহরের মদনমোহন বাড়ি এলাকায় নিজের বাড়িতে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকলেও প্রতিবেশীরা তাদের ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ।

শুক্রবার রাত  সাড়ে আটটা নাগাদ এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।  স্বাস্থ্যকর্মীর বাড়িতে হামলা ঘটনা নিয়ে ইতিমধ্যে  দিনহাটা থানায় লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন ওই  কর্মী। পাশাপাশি গোটা ঘটনা তিনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন।

শনিবার দিনহাটা থানার এসআই দীপক রায় শহরের মদনমোহন বাড়ি এলাকায় ওই স্বাস্থ্যকর্মীর বাড়িতে গিয়ে কথা বলেন তাদের সাথে। এছাড়াও তিনি কথা বলেন প্রতিবেশীদের সাথে ও। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছেন তিনি। প্রতিবেশীরা অবশ্য জানিয়েছেন হামলার কোনও ঘটনাই ঘটেনি। পারিবারিক গন্ডগোলকে প্রতিবেশীদের ঘাড়ে চাপানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।
ওই স্বাস্থ্যকর্মী চন্দনা সরকার জানান, তাদের এক সহকর্মীর করোনা পজিটিভ আসতেই  তাকে কোচবিহারে কোভিড হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। ওই সহকর্মীর সাথে  তারা একই বিভাগে কাজ করায় তাদেরকেও হোম কোয়রান্টিনে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়। সেইমতো তিনি তার পরিবারের সাথে বাড়িতে আলাদাভাবে থাকলেও প্রতিবেশীরা তাদের উপর হামলা করে। এমনকি তার স্বামী অনুপ কর্মকার  ঘরের বারান্দা থেকেই তাদের সঙ্গে কথা বলতে চাইলে তাকে মারার চেষ্টা করা হয়। গোটা ঘটনা তিনি হাসপাতাল সুপারকে জানানোর পাশাপাশি কর্তৃপক্ষের নির্দেশে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

ওই স্বাস্থ্যকর্মীর স্বামী অনুপ কর্মকার বলেন  স্বাস্থ্য দফতরের  নির্দেশ অনুযায়ী তারা ঘরেই রয়েছেন। অথচ প্রতিবেশীরা বিকেলে তাদের উপর এসে হামলা চালায়। তাদেরকে এই বাড়ি ছেড়ে গ্রামের বাড়িতে চলে যাওয়ার কথা বলা হয়। তার প্রতিবাদ করতেই তাকে মারধরের উপক্রম করে প্রতিবেশীরা বলেও অভিযোগ।

প্রতিবেশীদের তপু চৌধুরী বলেন,  পারিবারিক গন্ডগোলকে প্রতিবেশীদের ঘাড়ে চাপানোর চেষ্টা করছে।
বিষয়টি নিয়ে দিনহাটা থানার আইসি সঞ্জয় দত্ত জানিয়েছেন, অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

 

Related Articles

Back to top button
Close