fbpx
কলকাতাহেডলাইন

করোনা ও ডেঙ্গুর চিকিৎসায় আশা জাগাচ্ছে হোমিওপ্যাথি দাবি বিশেষজ্ঞের

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্যের করোনা সংক্রমণ ঊর্ধ্বমুখী। একইসঙ্গে শুরু হয়েছে ডেঙ্গুর প্রকোপ। রাজ্যে বেশ কিছু ডেঙ্গু আক্রান্তের খবরও পাওয়া গিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে করোনা ও ডেঙ্গুর সংক্রমণ রুখতে হোমিওপ্যাথি কার্যকরী ভূমিকা নিতে পারে। এমনটাই মনে করছেন বিশিষ্ট হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক ডা. প্রকাশ মল্লিক।

কি বলছেন তিনি? ডা. মল্লিকের বক্তব্য, ‘করোনার কোনও সর্বজনগ্রাহ্য ওষুধ আবিষ্কৃত হয়নি। কিন্তু আমরা আগে দেখেছি অতিমারী নিয়ন্ত্রণে হোমিওপ্যাথি ভালো কাজ করেছে। ২০০৯এ সোয়াইন ফ্লু নিয়ন্ত্রণে আর্সেনিকা এ্যালবাম কার্যকর ভূমিকা নিয়েছিল। ২০০৫ সালে স্কুল অফ ট্রপিক্যাল মেডিসিন , সেন্ট্রাল কাউন্সিল ফর রিসার্চ ইন হোমিওপ্যাথি ও কেন্দ্রীয় আয়ুষ মন্ত্রকের সহায়তায় জাপানি এনসিফেলাইটিস প্রতিরোধ সংক্রান্ত একটি প্রকল্প নেওয়া হয়। এই প্রকল্পে বেলেডোনা ৩০ ভালো কাজ করেছিল।’

আরও পড়ুন:  যাত্রী দুর্ভোগ কমাতে শীঘ্রই কলকাতার রাস্তায় মিলতে পারে ট্রাম

তিনি বলেন, ‘ করোনা প্রতিরোধে আর্সেনিকা এ্যালবাম, ব্রায়োনিয়া এ্যালবা, কোটেলাস এইচের মতো হোমিওপ্যাথি ওষুধ ভালো কাজ করছে। গুজরাটের একটি হাসপাতালে কোভিড আক্রান্ত রোগিদের উপর এই ওষুধগুলি প্রয়োগ করে সুফল পাওয়া গিয়েছে। করোনা রোগিদের অনেকেরই রক্ত জমাট বেঁধে মৃত্যু হয়।কোটেলাস এইচ এক্ষেত্রে কার্যকরী ভূমিকা নেয়।’
অতিমারীর সময়ে ডেঙ্গুর প্রকোপ নিয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন,’ এই সময়ে আক্রান্ত হলে অনেক সময শুরুতে ডেঙ্গু বা করোনার উপসর্গ নাও বোঝা যেতে পারে। সেক্ষেত্রে আর্সেনিকা এ্যালবাম ও ইউপেটিয়াম মাদার দিনে দুবার ১০ ফোঁটা করে খেলে আর বিপদের আশঙ্কা থাকবে না।’

তাঁর বক্তব্য, ‘হোমিওপ্যাথি ভাইরাসকে আক্রমণ করে না কিন্তু প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। একইসঙ্গে ভিটামিন সি যুক্ত খাবার ও সূর্যালোক শরীরে ভিটামিন ডির পরিমাণ বাড়ায় যা শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।’

Related Articles

Back to top button
Close