fbpx
কলকাতাহেডলাইন

মানুষের জন্যই গুণ্ডামি! তৃণমূলকে জবাব দিলীপের

শরণানন্দ দাস, কলকাতা: একুশের যুদ্ধের আগে শাসক, বিরোধীদলের তরজায় উত্তপ্ত বঙ্গ রাজনীতি। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় রবিবার বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষকে ”গুণ্ডা’ বলে মন্তব্য করেছিলেন। সোমবার তারই পাল্টা জবাব দিলেন মেদিনীপুরের সাংসদ। তাঁর সাফ কথা, ‘মানুষের স্বার্থে গুন্ডামি করতে পিছপা হব না’। অভিষেককে ‘ খোকাবাবু’ বলে কটাক্ষ করেন তিনি। একইসঙ্গে বলেছেন, মানুষের স্বার্থে গুণ্ডামি করতে পিছপা হবেন না।

এদিন দিলীপ বলেন, ‘কে গুন্ডা, তা আমরা পঞ্চায়েত নির্বাচনে দেখেছি। আমাকে গুন্ডা শুধু নয়, মাফিয়াও বলেছে উনি। নিজে ৭ কোটি টাকার বাড়িতে থাকেন, আমি অন্যের বাড়িতে থাকি। কে মাফিয়া, বোঝা যাচ্ছে। ওঁর কনভয়ে ২৫টা গাড়ি থাকে, আর কী কী থাকে সবাই জানে। এতেও কে মাফিয়া, তা বোঝা যাচ্ছে। আসলে হতাশা চরম পর্যায়ে চলে গিয়েছে।’

দিল্লির ‘যুবরাজ’ অর্থাৎ রাহুল গান্ধীকে অনেকে ‘পাপ্পু’ বলে কটাক্ষ করেন। এই তুলনা টেনে বিজেপি রাজ্য সভাপতির বক্তব্য, ‘আমি তো ‘ভাইপো’ বলছি না, ‘খোকাবাবু’ বলছি। কোলে চড়ে রাজনীতিতে এসেছেন, এখনও কোলেই আছেন। যাঁরা এতদিন দলটার জন্য রক্ত দিল, ঘাম দিল, শ্রম দিল, তাঁরা আজ ব্রাত্য! আর উনি কোলে চড়ে রাজনীতিতে এসে এমপি হয়ে গেলেন!’এরপর ফের দিলীপ ঘোষের হুঁশিয়ারি, ‘আমি সাধারণ মানুষের জন্য আমি কাজ করছি। এটা যদি গুন্ডামো হয়, তাহলে তা আরও করব।’

এদিন হেস্টিংসের বিজেপি দফতরে ‘ বাঙালি’ প্রশ্নে দিলীপ ঘোষ তৃণমূলকে একহাত নেন। তিনি বলেন, ‘আমরা কারও কাছে সার্টিফিকেট চাইনি। বাংলার মানুষ আমাদের বিচার করেছেন। তাই লোকসভায় আমরা ১৮ টা আসন পেয়েছি, পঞ্চায়েতে জিতেছি। আগামীতেও বাংলার মানুষ আমাদের জেতাবেন। শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ভূমিপুত্র, বাংলা ও বাঙালির জন্য তাঁর যে আত্মত্যাগ তার এক শতাংশও এদের নেই। বাংলাকে এরা ভিখারি করেছে, পরিযায়ী শ্রমিক বানিয়েছে, বাঙালিকে চোর বানিয়েছে। তৃণমূলের আধ ডজন নেতা জেলের ভাত খেয়েছে। বাঙালির মুখ পুড়িয়েছে।’

আরও পড়ুন: বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে ‘ট্যুরিস্ট গ্যাং’ বলে কটাক্ষ ডেরেকের

এদিন ফিরহাদ হাকিম বলেছেন, ডাস্টার দিয়ে মুছে দিলীপ ঘোষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি মুছতে পারবেন না। এই প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘আমার কোন ইচ্ছা নেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম মোছার। দেখুন নেতা, মনীষীদের পাশে নিজের ছবি লাগালে মনীষী হওয়া যায় না। মহাজাতি সদনে নেতাজি, রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে দিদি নিজের ছবি লাগিয়েছেন। এভাবে নেতা হওয়া যায় না, মানুষ মেনে নেয় না।’ এদিনও তিনি বলেন, ‘ সারা দেশে কোথাও কোন অশান্তি নেই, অথচ পশ্চিমবঙ্গের জেলায় জেলায় বোম বন্দূকের কারখানা। সিমি, আলকায়দা, রোহিঙ্গাদের আশ্রয়স্থল আমাদের রাজ্য। বাংলার মানুষ এটা মেনে নেবে না, একুশে মানুষ বদলা নেবে।’

 

 

 

 

Related Articles

Back to top button
Close