fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

পণের টাকা না পেয়ে স্ত্রীকে খুনের চেষ্টা, গ্রেফতার স্বামী, পলাতক শ্বশুরবাড়ি সদস্যরা

নিজস্ব প্রতিনিধি, খেজুরি (পূর্ব মেদিনীপুর): অতিরিক্ত পনের টাকা না পেয়ে কাটারি দিয়ে স্ত্রীকে খুনের চেষ্টার অভিযোগ উঠল স্বামীর বিরুদ্ধে। সেই কাজে পুরো সহযোগিতা করে শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা বলে গৃহবধূর অভিযোগ। স্ত্রীর অভিযোগের ভিত্তিতে স্বামীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার খেজুরি থানা দক্ষিণ কলমদান গ্রামে।

মঙ্গলবার খেজুরি থানার পুলিশ স্বামী দেবাশীষ জানাকে গ্রেফতারের পর বুধবার অভিযুক্তকে কাঁথি মহকুমা আদালতে তোলা হলে বিচারক তার জামিন নাকচ করে জেল হেফাজতে থাকার নির্দেশ দেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে ২০১৪ সালের চন্ডীপুরের বাসিন্দা সীমা নামে এক তরুণীর সঙ্গে দক্ষিণ কলমদান গ্রামের দেবাশীষের বিয়ে হয়। বিয়ের সময় যথেষ্ট দান সামগ্রী দিয়ে মেয়ের বিয়ে দিয়েছিল বলে বাপের বাড়ির দাবি।এরপর তাদের একটি কন্যা সন্তান জন্মগ্রহণ করে। কয়েকবছর ভালো মতন কাটলোও অতিরিক্ত পনের দাবিতে স্ত্রীকে নির্যাতন করতো স্বামী সহ শ্বশুর বাড়ির সদস্যরা বলে অভিযোগ। এই নির্যাতন নিয়ে কয়েকবার গ্রাম্য সালিশি সভা হয় বলে স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি।

লকডাউনের মাঝে স্ত্রীর বাপের বাড়ি থেকে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করে দেবাশীষ অভিযোগ। সেই টাকা বাপের বাড়ি থেকে আনতে রাজি হয়নি সীমাদেবী। এরপর গৃহবধূকে খুনের পরিকল্পনা করে দেবাশীষ সহ পরিবারের সদস্যরা। রবিবার বিকেলে গৃহবধূর গলা টিপে ধরে ও কাটারি দিয়ে খুনের চেষ্টা করে স্বামী দেবাশীষ অভিযোগ।

সেই কাজে পুরো সহযোগিতা করে তার পরিবারের সদস্যরা বলে অভিযোগ। চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা ছুটে এলে কোন রকমে প্রাণে রক্ষা পায় গৃহবধূ। মঙ্গলবার সকালে খেজুরি থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগের ভিত্তিতে স্বামীকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

এই মামলার তদন্তকারী পুলিশ অফিসার দীপক চক্রবর্তী বলেন অভিযোগের ভিত্তিতে গৃহবধূর স্বামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকী অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে। এই ঘটনার সঙ্গে অন্য কোন ঘটনা জড়িত রয়েছে কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Related Articles

Back to top button
Close