fbpx
কলকাতাহেডলাইন

আর কত ধৈর্য ধরব? CESC-কে কড়া হুঁশিয়ারি ফিরহাদের

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: রাজ্য থেকে আমফান চলে গেলেও রাজ্যের শহর থেকে জেলায় জেলায় এখনও ছড়িয়ে ছিট্যে রয়েছে তার ক্ষতচিহ্ন। আমফানের দাপটে কলকাতা-সহ গোটা রাজ্যেই ভেঙেছে একাধিক বিদ্যুতের খুঁটি। ছিঁড়েছে তার। তার ফলে কার্যত ভেঙে পড়েছিল বিদ্যুত্‍ পরিষেবা। বহু জায়গায় নেই জলের ব্যবস্থা। পাঁচদিন কেটে গেলেও পরিষেবা স্বাভাবিক করতে পারেনি CESC। আর তার জেরে চলছে অবরোধ, বিক্ষোভ। এই পরিস্থিতিতে তাই বেসরকারি বিদ্যুত্‍ সংস্থাকে কড়া হুঁশিয়ারি দিলেন পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম।

আমফানের পর পাঁচদিন কেটে গেলেও এখনও অনেক বাড়িতেই আসেনি বিদ্যুত্‍। অস্বস্তি যত বাড়ছে, ততই বিক্ষোভে ফেটে পড়ছেন সাধারণ মানুষ। সোমবারও দফায় দফায় শহরের বিভিন্ন প্রান্তে বিদ্যুতের দাবিতে চলে অবরোধ, বিক্ষোভ। ফিরহাদ হাকিম সোমবার CESC’র বেশ কয়েকজন আধিকারিকের সঙ্গে কথাও বলেন। তিনি বলেন, ‘এখনও বহু মানুষ বিদ্যুত্‍ পাননি। আর কত ধৈর্য ধরব? এনাফ ইজ এনাফ।’ এছাড়াও শহরের বিদ্যুত্‍ পরিষেবা যত তাড়াতাড়ি সম্ভব স্বাভাবিক করারও নির্দেশ দেন তিনি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে সিইএসসিকে লোকবল বাড়ানোরও পরামর্শ তাঁর।

আরও পড়ুন: লকডাউনের জের, প্রায় ৩ মাস দেখা হয়নি, বিমান চালু হতেই একা বিমানে করে মায়ের কাছে পৌঁছাল একরত্তি

যদিও CESC’র দাবি, আর মাত্র একদিনের মধ্যেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাবে। ১৩৩ কিমি বেগে শহরের উপর দিয়ে বয়ে গিয়েছে আমফান। তার প্রভাবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে শহরে। খতিয়ান তুলে ধরে বলেন, ‘শহরে অন্তত ৫ হাজার ৫০০টি গাছ ভেঙে পড়েছে। ৪, ৭, ৯, ১১, ১২, ১৬ নম্বর বরো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হরিশ মুখার্জী রোড, আলিপুর রোড, এপিসি বোস রোড, ইস্টার্ন বাইপাস রোডে প্রচুর গাছ ভেঙে পড়ে গিয়েছে। পুরকর্মীদের তত্‍পরতায় রাস্তা অনেকটাই পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে। আগামী ২-৩দিনের মধ্যে কলকাতা আবারও স্বাভাবিক হবে।’

Related Articles

Back to top button
Close