fbpx
আন্তর্জাতিকআমেরিকাগুরুত্বপূর্ণদেশহেডলাইন

২০০৮ পরমাণু চুক্তির নেপথ্যে ছিলেন এই বাইডেনই, স্বপ্ন দেখতেন ২০২০ তে ভারতের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: নতুন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কেমন হবে আগামী ভারত-মার্কিন সম্পর্ক? ইতিমধ্যে এই প্রশ্নটিই উঠতে শুরু করেছে রাজনৈতিক মহলে। আমেরিকার ৪৬তম প্রেসিডেন্ট হলেন জো বাইডেন। উচ্ছ্বসিত আমেরিকা সহ গোটা দুনিয়া। উচ্ছ্বসিত ভারতও। ইতিমধ্যেই অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি, রাষ্ট্রপতি কোবিন্দ। টুইটারে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সেলেব থেকে সাধারণ ভারতবাসী। তবে মনে সকলের প্রশ্ন একটাই, ভারতের জন্য কেমন হবেন সদ্য নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট?‌

সেই নিয়ে ইতিমধ্যেই তৈরি হয়েছে জল্পনা। সমীক্ষা, অনুমান করতে শুরু করেছেন বিশেষজ্ঞরা। ভিত্তি বাইডেনের কিছু বিবৃতি আর ভাইস–প্রেসিডেন্ট থাকার সময় নীতি নির্ধারণ।

কিন্তু ইতিহাসের পাতা ঘাটলে দেখা যায়, ভারতের সঙ্গে ২০০৮ সালে পরমাণু চুক্তি করার নেপথ্যে ছিলেন এই বাইডেনই।

তিনিই ডেমোক্র‌্যাট এবং রিপাবলিকানদের বুঝিয়ে সুঝিয়ে রাজি করান। মার্কিন কংগ্রেসে ছাড় পায় এই চুক্তি। সেসময় বুশ প্রশাসনের কংগ্রেসে এটি ভোটাভুটির ব্যবস্থা করেছিল তৎকালীন মার্কিন প্রশাসন। এবং এই নীতির তীব্র বিরোধী ছিলেন জনপ্রিয় মার্কিন জননেতা বার্নি স্যান্ডার্স। তা সত্বেও বার্নি স্যান্ডার্স কে পরাস্ত করে দেমোক্রাট এবং রিপাবলিকানদের বুঝিয়ে পরমাণু চুক্তির পক্ষে প্রয়োজনীয় ভোট আদায় করেছিলেন বাইডেন। তার সুদক্ষ কূটনৈতিক চালে ও ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখেই তৎকালীন ভারতের মনমোহন সরকারের সঙ্গে এই চুক্তি করতে সক্ষম হয় তৎকালীন মার্কিন প্রশাসন। যার ফলে আজকে ভারত মার্কিন সম্পর্ক একটি বিশেষ স্তরে উন্নীত হয়েছে। যার পেছনে অন্যতম কারিগর হলেন জো বাইডেন।

ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক নিয়ে সোচ্চার বরাবর তিনি। ওবামা প্রশাসনের ভাইস প্রেসিডেন্ট থাকার সময় ভারতের সঙ্গে সখ্য গড়ার নেপথ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন। তার আগে সেনেট ফরেন রিলেশন কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন। তখনও ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ার ক্ষেত্রে সোচ্চার ছিলেন। ২০০৬ সালে ঘোষণা করেছিলেন, ‘‌আমার স্বপ্ন হল, ২০২০ সালে পৃথিবীর সবথেকে ঘনিষ্ঠ দুই দেশ হবে ভারত এবং আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র।’‌

 

Related Articles

Back to top button
Close