fbpx
কলকাতাগুরুত্বপূর্ণপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

হাওড়ায় মা ও সদ্যোজাত শিশুর নিখোঁজের ঘটনায় একমাসের মধ্যে রিপোর্ট তলব হাইকোর্টের  

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: হাওড়ায় মা ও সদ্যোজাত শিশুর নিখোঁজের ঘটনায় বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করল কলকাতা হাইকোর্ট। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে বিস্তারিত রিপোর্ট হলফনামা আকারে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন হাইকোর্টের বিচারপতি সমাপ্তি চট্টোপাধ্যায় ও বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত ডিভিশন বেঞ্চ। মামলার পরবর্তী শুনানি ১০ দিন পর।

আদালতে অনলাইনে মামলার শুনানিতে মামলাকারির আইনজীবী সুকান্ত চক্রবর্তী ও অনিন্দ্য হালদার জানান, ঘটনার সূত্রপাত এপ্রিলের মাসের মাঝামাঝি সময়ে। প্রসব যন্ত্রণা নিয়ে উলুবেড়িয়া সদর হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় আদুরি দাসকে। পরের দিন করোনা পরীক্ষার জন্য তাঁকে পাঠানো হয় স্থানীয় সঞ্জীবন হাসপাতালে। এরপরে প্রায় এক সপ্তাহ কোনও খোঁজ মেলেনি আদুরি। পরে হাসপাতালের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে পুত্র সন্তান প্রসব করেছে আদুরি। দু-চার দিনের মধ্যে ছেড়ে দেওয়া হবে। কিন্তু এরপরে তাকে ছাড়া না হলে ফের হাসপাতালে সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে জানানো হয় উলবেড়িয়া সদর হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। সেখানে যোগাযোগ করলে জানানো হয় বেঁচে নেই আদুরি দাস। কিন্তু আদুরির মৃত্যুর সঠিক তথ্য প্রমাণ দিতে পারেনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। স্থানীয় প্রশাসনকে জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি। তাই আদুরিকে খুঁজে পেতে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন বাবা শঙ্কর রুইদাস।

আরও পড়ুন:কলকাতায় কনটেইনমেন্ট জোন বেড়ে হল ৪০ টি

আইনজীবীদের অভিযোগ, দুই হাসপাতাল দুই রকম কথা বলছে। এমনকী জন্মানো সদ্যোজাতের কোনও সন্ধান নেই। হাসপাতালের পক্ষ থেকে জানানো হয় ২০ এপ্রিল মারা গিয়েছেন আদুরি দাস। বাবা শঙ্কর রুইদাসের হাতে ধরিয়ে দেওয়া হয় আদুরির ডেথ সার্টিফিকেট। ভালো করে শনাক্ত করার আগেই হাসপাতালের মর্গ থেকে একটি প্ল্যাস্টিক মোড়ানো দেহ ধরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয় বলে দাবি করেছেন শঙ্করবাবু।মেয়ের মৃত্যু ঘলেও কেন তা প্রথমেই জানানো হল না? আদুরির গর্ভ থেকে জন্ম নেওয়া পুত্র সন্তান কোথায় গেল? এই বিষয়ে কোনও সদুত্তর মেলেনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে। তবে এদিন রাজ্যের তরফে দাবি করা হয়, আদুর গর্ভবতী ছিলেন, কিন্তু তিনি বাচ্চা প্রসব করেননি। করোনা আক্রান্তও ছিলেন না। অন্য রোগে মারা গিয়েছে সে।

Related Articles

Back to top button
Close