fbpx
গুরুত্বপূর্ণদেশহেডলাইন

বেইরুট বিস্ফোরণের থেকে শিক্ষা! চেন্নাই থেকে সরানো হল বিপুল মজুত রাসায়নিক

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক : বেইরুটের বিস্ফোরণ থেকে শিক্ষা নিল চেন্নাই। জানা গিয়েছে, চেন্নাই শহরের খুব কাছেই মজুত করে রাখা ছিল ৬৯৭ টন অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট। কিন্তু বেইরুটের ভয়াবহ বিস্ফোরণের পর এই মজুত রাসায়নিক রাখার কোনওভাবেই ঝুঁকি নিতে চাইছে না প্রশাসন। সেই কারণে তড়ঘড়ি সরানো হল এই অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট।

সূত্রের খবর, এই বিপুল পরিমাণ মজুত রাসায়নিকের অনলাইনে নিলাম হয়। নিলামের পরে ৬৯৭ টন অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট হায়দরাবাদে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। চেন্নাইয়ের কাছে ফ্রেইট স্টেশনে কয়েকটি কার্গোতে রাখা ছিল এই বিপুল পরিমাণ অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট। এর মধ্যে কয়েকটি কার্গো ইতিমধ্যেই হায়দরাবাদের উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে গিয়েছে। বাকি কার্গোগুলিও শিগগিরই চেন্নাই ছাড়বে।

                      আরও পড়ুন: করোনা আক্রান্ত প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়

জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে চেন্নাইয়ের কাছে রাখা ছিল এই রাসায়নিক। ২০১৫ সালে কাস্টম আইন ১৯৬২ অনুযায়ী আটক করা হয় এই অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট। চেন্নাই থেকে ২০ কিলোমিটার দূরের ফ্রেইট স্টেশনে সেই সময় থেকেই রাখা এই রাসায়নিক। এই ফ্রেইট স্টেশনের কাছাকাছি কোনও জনবসতি নেই। তামিলনাড়ুর এক আমদানিকারী দক্ষিণ কোরিয়া থেকে এই অ্য়ামোনিয়াম নাইট্রেট বেআইনি ভাবে আমদানি করেছিল। এটি বিস্ফোরক হলেও একে সারদ্রব্য হিসেবে দাবি করেছিলেন তিনি। এর মধ্যে সাত টন অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট ইতোমধ্যেই নষ্ট হয়ে গিয়েছে। বাদবাকি ৬৯০ টন রাসায়নিকের ই-অকশন করা হল।

     আরও পড়ুন: করোনাকে জয় করে এবার প্লাজমা দান করার সিদ্ধান্ত মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর

উল্লেখ্য, লেবাননের রাজধানী বেইরুট মঙ্গলবার জোরালো বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে । ভারতীয় সময় এ দিন রাত ৯টা নাগাদ বিস্ফোরণ ঘটে। রাজধানী শহরের বন্দর এলাকায় বিস্ফোরণ ঘটেছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভিডিও-এ দেখা গিয়েছে, বিস্ফোরণের পরে ঘন ধোঁয়ার কুণ্ডলী পাকিয়ে উঠছে। এই বিস্ফোরণে নিহতের সংখ্যা ১৬০ ছাড়িয়ে গেল। আহতের সংখ্যা দু-হাজারেরও বেশি। লেবাননের প্রধানমন্ত্রী হাসান দিয়াব দেশবাসীকে আশ্বস্ত করে হুঁশিয়ারির সুরে বলেন, ‘দোষীদের কোনও ভাবে রেয়াত করা হবে না। সর্বনাশা বিপর্যয় যারা ঘটিয়েছে, তাদের চরম মাশুল চুকোতে হবে।’ দিয়াব বলেন, ‘বিস্ফোরণে শহিদ ও জখমদের কাছে এটা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমার প্রতিশ্রুতি। জাতীয় অঙ্গীকারও বলতে পারেন। আমি এর শেষ দেখে ছাড়ব।’

Related Articles

Back to top button
Close