fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

বিদ্যাসাগর দ্বিশততম জন্মবার্ষিকী কমিটির মানবিক প্রয়াস

ভাস্করব্রত পতি, তমলুক : নবজাগরণের পথিকৃৎ পন্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর দ্বিশততম জন্মবার্ষিকী উদযাপন কমিটির পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা শাখার উদ্যোগে এবং বঙ্গীয় সাক্ষরতার সমিতির পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা কমিটির সহযোগিতায় দুঃস্থ ছাত্র ছাত্রীদের পাশে দাঁড়াল।

 

 

রবিবার সকালে করোনা আবহের মধ্যেই মেদিনীপুর শহরের উপকণ্ঠে বাড়ুয়ায় অবস্থিত মেদিনীপুর প্ল্যানিং এন্ড ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির সভাগৃহে স্থানীয় এলাকার ১১০ জন দুঃস্থ ছাত্রছাত্রী ও তাঁদের অভিভাবকদের হাতে শিক্ষাসামগ্রী, কিছু শুকনো খাবার, মাস্ক ও সাবান তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে বিদ্যাসাগর জীবনাদর্শ ও কোরোনা সচেতনতার বার্তা দিয়ে বক্তব্য শিক্ষাব্রতী তরুণ রায়, উদযাপন কমিটির কার্যকরী সভাপতি হরেকৃষ্ণ সামন্ত, সম্পাদক নন্দদুলাল ভট্টাচার্য প্রমুখ। সবাইকে স্বাগত জানিয়ে বক্তব্য রাখেন সাক্ষরতা প্রসার সমিতির জেলা সম্পাদক প্রভাত ভট্টাচার্য। এছাড়াও উদযাপন কমিটির পক্ষে উপস্থিত ছিলেন তাপসী সিনহা, রুবি রায়, সৌগত পন্ডা, বাবুলাল শাসমল সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

 

 

এদিন অনুষ্ঠানের শুরুতে বিদ্যাসাগরের প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করে পন্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে শ্রদ্ধা জানানো হয়। উদযাপন কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে কোরোনার আগেই বিদ্যাসাগরের জন্মের দুশো বছর স্মরণে বেশ কিছু কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আরও বেশ কিছু সাংস্কৃতিক ও সমাজসেবা মূলক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে।

 

 

 

এদিন সকালে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা “ধর্মা পশ্চিম মেদিনীপুর পান্থপাদপ সোসাইটি”র পক্ষ থেকেও পুস্তক বিতরণের প্রথম পর্বে দ্বাদশ শ্রেণীর বিজ্ঞান, কলা ও বাণিজ্য বিভাগের ২৭ জন ছাত্রছাত্রীর হাতে পুস্তক তুলে দেওয়া হলো মেদিনীপুর শহরের জগন্নাথ মন্দির চকের কাছে অবস্থিত ‘পুস্তক ভবন’ থেকে। এই ছাত্র-ছাত্রীদের একাদশ শ্রেণীতেও সংস্থার পক্ষ থেকে পুস্তক তুলে দেওয়া হয়েছিল। প্রতিবার এই পুস্তক প্রদানকে কেন্দ্র করে ছোট অনুষ্ঠান হতো। কিন্তু এবার সেভাবে কোন অনুষ্ঠান না করেই পুস্তক প্রদান করা হোলো। কয়েকদিনের মধ্যেই দ্বিতীয় পর্বে আরও দশ জন ছাত্রছাত্রীর হাতে প্রয়োজনীয় বই দেওয়া হবে।

 

 

 

এদিনের কর্মসূচিতে সংস্থার পক্ষে উপস্থিত ছিলেন সভাপতি সুশান্ত কুমার ঘোষ, দেবব্রত দত্ত, সরোজ মান্না, সুদীপ কুমার খাঁড়া, দিব্যেন্দু সাহা, সন্দীপ জানা, তরুণ শ্যামল, অভিষেক জানা প্রমুখ। উল্লেখ্য কোরোনার সংকটকালে সংস্থার পক্ষ থেকে জেলার গোয়ালতোড়, খড়্গপুর গ্রামীণ, সবং, মেদিনীপুর সদরের বিভিন্ন এলাকায় পাঁচ শতাধিক প্রান্তিক মানুষের হাতে ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

Related Articles

Back to top button
Close