fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

শাসকদলে আস্থা রেখে শতাধিক পুরোহিতের তৃণমূলে যোগদান

শ্যাম বিশ্বাস, উওর ২৪ পরগনা: বসিরহাট মহাকুমার হাড়োয়া ব্লকের গোপালপুর এক নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের গোপালপুর গ্রামের প্রায় শতাধিক পুরোহিত মিছিল করে এসে তৃণমূলে যোগদান করলেন। তাদের দলীয় পতাকা তুলে দেন হাড়োয়ার বিধায়ক হাজী নুরুল ইসলাম, অঞ্চল সভাপতি ভূষণ চন্দ্র দাস, তৃণমূল নেতা চন্দন দাস, সঞ্জু বিশ্বাস, অচিন্ত্য বিশ্বাস সহ নেতৃত্ববৃন্দরা ।
রাজস্থানে পুরোহিতকে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে, তার যেমন নিন্দা করছি, অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রীর সনাতন ব্রাহ্মণ ট্রাস্ট পুরোহিতকে সাম্মানিক ভাতা, বাংলা আবাস যোজনার ঘর ঘোষণা করে পুরোহিত সমাজকে সম্মান দিয়েছেন। তা অনন্য নজির, এর আগে কোনও সরকার আমাদের পাশে এসে দাঁড়ায়নি।এভাবে আমাদের পাশে দাড়িয়েছে রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তার প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ।

এদিন সনাতনী ব্রাহ্মণ পুরোহিতের পুরোহিত দেবাশীষ চক্রবর্তী, সনাতন মিশ্ররা জানান, সামনে দুর্গাপুজো প্রচুর ব্রাহ্মণ আছে তারা সংস্কৃত ভাষার উপর এতটা দক্ষ নয়। ব্রাহ্মণ সমাজ সংস্কৃত ভাষার উপরে যাতে জ্ঞান অর্জন করতে পারে তার জন্য টোলের ব্যবস্থা করেছেন।

এই পুরোহিত সমাজের ছেলেমেয়েদের জন্য রাজ্য্ সরকার যদি সংস্কৃত ভাষার উপর কোন আলাদা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র করেন, তাহলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কাছে আমরা পুরোহিত সমাজ কৃতজ্ঞ থাকব। আজ পুরোহিতদের নুতন প্রজন্ম এই পেশা থেকে অন্য পেশায় অনেকে চলে যাচ্ছে। কেননা আমাদের ছেলে মেয়েরা সংস্কৃত ভাষার উপরে জ্ঞান অর্জন করতে পারছেনা।

এদিন বিধায়ক হাজী সেখ নজরুল ইসলাম তিনি বলেন, সামনে দূর্গাপুজো তাই তাদের হাতে নতুন বস্ত্র, রামাবলি, পাঁচালী, তুলে দেওয়া হল। মুখ্যমন্ত্রী যেভাবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে আমরা কৃতজ্ঞ। প্রচুর সনাতনী ব্রাহ্মণ আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। এবং আমাদের দলে যোগদান করছেন,তারা তাদের যোগ্য সম্মান যাতে পায় সেই দিকটা আমি লক্ষ্য রাখব। বিগত সরকার তাদের কথা ভাবিনি, তাদের পাশে এসে দাঁড়ায়নি।

আরও পড়ুন:সিএএ লাগু কবে! একুশ আসন্ন, নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন মতুয়াদের

আমাদের সরকার সব সম্প্রদায়ের মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। একদিকে মুসলিম সমাজে ইমাম ভাতা, অন্যদিকে ব্রাহ্মণদের পুরোহিত ভাতা দিচ্ছেন, এটাই সম্প্রীতির বাংলা। এখানে সব সম্প্রদায় মানুষকে যোগ্য সম্মান দেওয়া হয় এবং তারা সন্মানের সঙ্গে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে।

Related Articles

Back to top button
Close