fbpx
আন্তর্জাতিকহেডলাইন

অযোধ্যায় রাম মন্দির তৈরি করছি, নেপাল খুশি হয়েছে: মোদী

যুগশঙ্খ, ওয়েবডেস্ক: চারদিনের সফরে নেপাল সফরে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আজ সকালেই বুদ্ধ পূর্ণিমা দিন নেপালে পৌঁছন তিনি। তাঁকে স্বাগত জানান নেপালের প্রধানমন্ত্রী শের বাহাদুর দেউবা। এদিন সেখানে দেউবাকে সঙ্গে নিয়ে মায়াদেবীর মন্দিরে পুজো দেন মোদী। দেউবার সঙ্গে ঘুরে দেখলেন গৌতম বুদ্ধের জন্মস্থান। এই নিয়ে পঞ্চমবার নেপাল সফরে নরেন্দ্র মোদী। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর ২০১৪ সালে নেপাল সফরে আসেন তিনি। তবে ২০১৯ সালে পুনঃনির্বাচনের পর এটি হবে তাঁর প্রথম নেপাল সফর। নেপালের প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে ও দু-দেশের মধ্যেই সম্পর্ককে আরও মজবুত করতে আজ নেপালের লুম্বিনীতে পৌঁছলেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রথম বার ওই দেশে সফরে গিয়ে বিহারের বুদ্ধগয়া থেকে একটি বোধিবৃক্ষ উপহার দিয়েছিলেন মোদী। সোমবার লুম্বিনীতে গিয়ে সেই গাছে জল দিলেন দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী শের বাহাদুর দেউবার সঙ্গে ৬টি মউ চুক্তি স্বাক্ষর করেন তিনি। এর মধ্যে রয়েছে নেপালে ড. আম্বেদকর চেয়ার ফর বুদ্ধিস্ট স্টাডিস-এর স্থাপনা। ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ কালচারাল রিলেশন্স ও লুম্বিনী বুদ্ধিস্ট ইউনিভার্সিটির যৌথ উদ্যোগে তৈরি হবে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। আইআইটি মাদ্রাজ ও কাঠমান্ডু ইউনিভার্সিটির মধ্যে হওয়া মউ উল্লেখযোগ্য।

এদিন দেউবার সঙ্গে ছবি টুইট করে মোদি লিখেছেন, ‘বন্ধুত্বের চিরন্তন বন্ধন…!’

বৌদ্ধ জয়ন্তীতে ভাষণ দিতে গিয়ে মোদী দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্বের কথা তুলে বলেন, বর্তমান সময়ে ভারত ও নেপালের মধ্যে সম্পর্ক এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত বহন করবে। নেপাল সবসময় আমাকে সব সময় তার আশীর্বাদ দিয়েছে। জনকপুরে আমি বলেছিলাম নেপাল ছাড়া ভগবান রামও অসম্পূর্ণ। আমরা যখন অযোধ্যায় রাম মন্দির তৈরি করছি, তাতে নেপালও খুশি হয়েছে।

নেপাল এবং ভারতের মধ্যে একটি ঐতিহাসিক, পারস্পরিক ঐতিহ্য, স্নেহের বন্ধন রয়েছে। আমাদের সেই সম্পর্কে আরও মজবুত করতে হবে। আমরা একসঙ্গে ভগবান বুদ্ধের বাণী গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে।বুদ্ধ এই গোটা বিশ্বের সমগ্রক্ষেত্রেই বিরাজমান।

মোদী বলেন, আমার জন্মস্থান গুজরাটের ভাদনগরে। সেখানেও বহু শতাব্দী আগে বৌদ্ধ শিক্ষার একটি বড় কেন্দ্র ছিল। গৌতম বুদ্ধ আমাদের ত্যাগের মাহাত্ম্য উপলব্ধি করিয়েছেন। বুদ্ধ বুঝিয়েছিলেন ত্যাগের মধ্যে দিয়েই পাওয়া যায়।

প্রধানমন্ত্রী দুই দেশের মধ্যে উন্নয়নের কথা তুলে ধরে বলেন, লুম্বিনী একটি বৌদ্ধ ট্যুরিজম সার্কিট হিসেব গড়ে উঠেছে। এই পর্যটন নেপাল ও ভারতকে সাংস্কৃতিক দিক দিয়ে দুই দেশকে আরও কাছাকাছি নিয়ে আসবে। আমরা লুম্বিনীর কাছে সীমান্ত সংলগ্ন চেক পোস্ট তৈরি করেছি। দুই দেশের জন্য একসঙ্গে কাজ করার প্রচুর সুযোগ রয়েছে। আমাদের সম্পর্কের বিস্তৃতি একদিন হিমালয়ের মতো সুউচ্চ হবে।

Related Articles

Back to top button
Close