fbpx
গুরুত্বপূর্ণদেশহেডলাইন

“হিন্দু ছেলেকে বিয়ে করে সুখে আছি”, মুসলিম তরুণীর এই পোস্টের পর খুনের হুমকি মেসেজ ৪০ হাজার

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক:  মুসলিম তরুণী ভালোবেসে বিয়ে করেছিল হিন্দু তরুণকে। বিয়ের পর বেশ ছিল নব দম্পতি। আর এই ভালো থাকার ছবি পোস্ট করেছিল ওই তরুণী। আর এতেই ঘটল বিপত্তি। একের পর এক হুমকি মেসেজ পেল ওই তরুণী। প্রায় ৪০ হাজার হুমকি মেসেজ পেল সে।

গয়না প্রস্তুতকারক সংস্থার বিজ্ঞাপন নিয়ে বিতর্ক শুরু হওয়ার পরেই শান্তির বার্তা দিতে পুনের বাসিন্দা জারা পারওয়াল নামে ওই তরুণী নিজের এই অসম বিবাহের কথা প্রকাশ্যে এনেছিলেন। তিনি প্রকাশ্যে জানিয়েছিলেন যে, নিজে মুসলিম হয়েও হিন্দু পুরুষের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়ে তিনি কতটা সুখী। এরপর থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রবল হিংসার কবলে জারা। ইতিমধ্যেই তিনি হুমকি মেসেজ পেয়েছেন প্রায় ৪০ হাজার।

নিজের বিয়ের একটি শেয়ার করে তিনি লিখেছেন যে, “আমি জারা ফারুকি এবং আমার বর নিখিল পারওয়াল, আমরা ২০১৬ সাল থেকে আনন্দেই রয়েছি, আর এটা আমাদের বিয়ের ছবি।” অবশেষে পুণে পুলিশের দ্বারস্থ হন জারা।

[আরও পড়ুন- আনলক পর্ব শুরু হতেই ফের দূষণের কবলে রাজধানী]

প্রসঙ্গত, লাভ জিহাদের বিতর্ক ওঠে একটি গয়না প্রস্তুতকারী সংস্থার বিজ্ঞাপণ ঘিরে। এই বিতর্কের জেরে বিজ্ঞাপন সরিয়ে দেয় ওই গয়না প্রস্তুতকারী সংস্থা। প্রবল বিরোধিতার জেরে তারা বেবি শাওয়ারের বিজ্ঞাপনটি তুলে নেয়। ওই বিজ্ঞাপনে দেখানো হয়েছিল যে, মুসলিম পরিবারে বিয়ে হয়েছে একটি হিন্দু মেয়ের। বিয়ের পর মেয়েটি গর্ভবতী হয়ে পড়লে সাধের অনুষ্ঠান করে শ্বশুরবাড়ির লোকজনেরা। এই ভিডিওতে হিন্দু গর্ভবতী মহিলাকে তাঁর মুসলিম শাশুড়িকে বলতে শোনা যাচ্ছে যে, ‘মা আপনাদের তো এই অনুষ্ঠান পালিত হয় না? তখন মুসলিম শাশুড়ি জবাবে বলছেন, এই উৎসব পালন না করা হয় তো কি? মেয়েদের খুশি রাখার উৎসব তো সব বাড়িতেই পালন হয়।” গয়না প্রস্তুতকারী ওই সংস্থার এই বিতর্কিত বিজ্ঞাপন সামনে আসার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় সেটি বয়কট করার ডাক ওঠে। অন্যদিকে ওই গয়না প্রস্তুতকারী সংস্থার পক্ষ থেকে দাবি করা হয় যে, হিন্দু-মুসলিম ঐক্যের ছবি তুলে ধরতেই তাঁরা এই বিজ্ঞাপন দেখিয়েছেন। কিন্তু প্রবল বিতর্কের জেরে এই বিজ্ঞাপন তুলে নিতে বাধ্য হয় ওই গয়না প্রস্তুতকারী সংস্থা। আর এই বিতর্কের মাঝেই ওই মুসলিম তরুণী হিন্দু ছেলেকে বিয়ে করে সুখে থাকার ছবি শেয়ার করে হুমকির মুখে পড়লেন।

 

 

Related Articles

Back to top button
Close