fbpx
কলকাতাহেডলাইন

মানুষকে বলছি মোদিজির পাঠানো ১০০০ কোটি টাকা ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে বুঝে নিন: রাহুল সিনহা

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আমফানের ক্ষতিপূরণের টাকা ক্ষতিগ্রস্তদের অ্যাকাউন্টে সরাসরি দেবার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। আর মঙ্গলবার বিজেপি সদরদপ্তরে সাংবাদিক বৈঠকে বিজেপির কেন্দ্রীয় সম্পাদক রাহুল সিনহা দাবি করলেন, মোদিজির পাঠানো ১০০০ কোটি টাকার হিসাব ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে মানুষকে বুঝে নিতে হবে। এদিন তিনি বলেন, ‘ আয়লার ক্ষেত্রে দেখেছিলাম কিভাবে চুরি হয়েছিল। আর আমফানের প্রসঙ্গে সেই আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলাম মাত্র। মুখ্যমন্ত্রী তাতেই খুব রেগে গেলেন। আর নিজে কি করলেন? মুখ্যমন্ত্রী বলছেন পঞ্চায়েতের মাধ্যমে আম্ফানের টাকা দেওয়া যাবে না। অথছ ওদের হাতেই বেশি পঞ্চায়েত রয়েছে। অর্থাৎ নিজেদের পঞ্চায়েতের উপর দিদির বিশ্বাস নেই। আমি তাই মানুষকে বলছি, মোদিজির আমফানের ত্রাণের জন্য ১০০০ কোটি টাকা ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে বুঝে নিন। আমরাও হিসাব বুঝে নেব। আপনারা যেমন রেশনের চাল, ডাল লড়াই করে বুঝে নিয়েছেন তেমন আমফানের টাকাও পাই পয়সা বুঝে নিন।’

এদিন তিনি বলেন, ‘ আমি সরকারের কাছে দাবি জানাচ্ছি, অবিলম্বে শহরের যে বিপুল এলাকায় পানীয় জল নেই সেই সমস্ত এলাকার প্রত্যেক বাড়িতে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানীয় জল বিনামূল্যে সরবরাহ করতে হবে। একইসঙ্গে আমি দাবি জানাচ্ছি আগামী দু’মাস কলকাতাসহ করোনা ও আমফান বিধ্বস্ত এলাকায় বিদ্যুতের বিল মুকুব করতে হবে। বিদ্যুতের খরচ বহন করুক সরকার।’ মুখ্যমন্ত্রীর ভূমিকার সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘ দক্ষিণ কলকাতায় আমি যে অঞ্চলে থাকি সেখানে আমফানের পর ছ দিন পার হয়ে গেল বিদ্যুৎ নেই, পানীয় জল নেই। শহরের সর্বত্র একই চিত্র। অথছ মুখ্যমন্ত্রী বলছেন, আধঘন্টা বিদ্যুৎ না থাকলেই চিৎকার শুরু হয়ে গেল। কী করবো, আমার মুণ্ডু কেটে নিন। কী হবে আপনার মুণ্ডু নিয়ে, না লাগবে হোমে, না লাগবে যঞ্জে। সরকার ব্যর্থতা স্বীকার করুক।’

আরও পড়ুন: অসন্তোষ, জোট সরকারে ফাটল ধরিয়ে উদ্ধবের ঘর ভাঙার ছক বিজেপির!

এদিন তিনি বলেন, ‘ আগামী একমাস ধরে বিজেপি কর্মীরা সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে মানুষের বাড়িতে বাড়িতে প্রচার পুস্তিকা পৌঁছে দেবে। যেখানে মোদি সরকার গত ছ বছরে দেশকে কোন উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে আর মমতা সরকার গত ন বছরে বাংলার কি দুর্দশা, অধোগতি করেছেন তার তুল্যমূল্য আলোচনা থাকবে। আমরা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ১ থেকে দেড়হাজার সভা করবো।’ এদিন তিনি অভিযোগ করেন, আম্ফানকে ঢাল করে পরিযায়ী শ্রমিকদের রাজ্যে ফেরাতে চাইছে না রাজ্য সরকার। তিনি দাবি করেন, পরিযায়ী শ্রমিকদের নিয়ে রাজ্যের নীতি কি সরকার জানাক।

Related Articles

Back to top button
Close