fbpx
দেশহেডলাইন

‘দু’দশকে কংগ্রেস আমাকে অনেক কিছু দিয়েছে’, ঘরে ফিরে গলায় আনুগত্যের সুর পাইলটের

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: এক মাসের দীর্ঘ দড়িটানাটানির খেলা শেষ হল রাজস্থানে। বিদ্রোহের ইতি টেনে রাহুলের হাত ধরে ঘরে ছেলে ঘরে ফিরলেন। বিরোধ ভুলে ফের আনুগত্যের সুর শোনা গেল রাজস্থানের প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী শচীন পাইলটের গলায়। বললেন, “যারা নিজের তাঁরা নিজেরই হয়। গত দু’দশকে কংগ্রেস আমাকে অনেক কিছু দিয়েছে। আমি আজ খুব সন্তুষ্ট। আর পদের লোভ কোনওদিনই করিনি। আমার মনে হয়েছিল, দলের অন্দরে কিছু প্রশ্ন ওঠা উচিত, সেই প্রশ্ন তুলেছি শুধু।”দু’দশকে কংগ্রেস আমাকে অনেক কিছু দিয়েছে।’

পাইলটের মুখের এই কথাটি আসলে রাহুল গান্ধী তথা গান্ধী পরিবারের প্রতি আনুগত্যের প্রতীক। শচীন বুঝে গিয়েছেন, এই মুহূর্তে রাজনীতিতে টিকে থাকতে হলে তাঁকে কংগ্রেসেই থাকতে হবে। এবং কিছুদিনের জন্য হলেও গেহলটের বশ্যতা স্বীকার করে নিতে হবে। হ্যাঁ কদিন আগে গেহলট তাঁকে নিষ্কর্মা বলেছিলেন ঠিকই। কিন্তু রাজনীতিতে ওসব মনে রাখলে চলে না। সম্ভবত সেকারণেই তাঁকে বলতে শোনা গেল,”অশোক গেহলট আমার সিনিয়র। ওঁর সঙ্গে আগেও কাজ করেছি। এটা আমার জন্য নতুন কিছু নয়। হ্যাঁ ওই কথাটাই আমি কষ্ট পেয়েছিলাম। কিন্তু এটা নিয়ে আর কিছু বলতে চায় না। আমি কংগ্রেসে ছিলাম, কংগ্রেসে আছি। আর কংগ্রেসের তথা রাজস্থানের মানুষের জন্য কাজ করব। এটা আমার কোনও ঘর ওয়াপসি নয়।”

আরও পড়ুন: পৈতৃক সম্পত্তির সমান উত্তরাধিকারী মেয়ে সন্তানরাও: সুপ্রিম কোর্ট

কিন্তু গত এক মাসে গেহলট ও শচীনের মধ্যে তৈরি হওয়া তিক্ততা কী ভাবে মিটবে, তা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। গেহলট ইতিমধ্যেই সচিনকে ‘নিকম্মা’, ‘অপদার্থ’, ‘সুন্দর মুখ, মাথায় কুবুদ্ধি’— এমন বহু কথাই বলে ফেলেছেন। দু’দিন আগে যিনি নিজের প্রাক্তন ডেপুটিকে যা নয়, তাই বলছিলেন, সেই অশোক গেহলট কী বলছেন? তাঁর সাফ কথা, দল যখন ক্ষমা করে দিয়েছে, তখন আমিও সবার সঙ্গেই কাজ করতে চায়। আর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে এটাই আমার কর্তব্য। রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী এবার সব দায় বিজেপির ঘাড়ে চাপাতে চাইলেন। বললেন, “বিজেপি আমাদের বিধায়কদের ভয়, লোভ দেখিয়ে ভাঙানোর চেষ্টা করেছিল। একজন বিধায়ককেও নিয়ে যেতে পারেনি। এতেই আমি খুশি।” গেহলটের দাবি,”বিজেপির সব পরিকল্পনা ভেস্তে গিয়েছে।

 

Related Articles

Back to top button
Close