fbpx
কলকাতাগুরুত্বপূর্ণহেডলাইন

অমিত শাহকে বলেছিলাম সরকার ভেঙে দিন, উনি বলেন নির্বাচিত সরকার কী করে ভাঙব? মুখ্যমন্ত্রী

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: বাংলায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ে কেন্দ্রকেই দুষলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের সঙ্গে আলোচনা না করেই পরিযায়ী শ্রমিকদের ট্রেনে বাংলায় ফেরাচ্ছে কেন্দ্র। তার জেরেই ছড়াচ্ছে সংক্রমণ, এমনই অভিযোগ মমতার। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘অমিত শাহকে বলেছিলাম এরকম হলে সরকার ভেঙে দিন, উনি তখন বলেন নির্বাচিত সরকার কী করে ভাঙব?’ এই মন্তব্য করার জন্য তাঁকে ধন্যবাদ।’ মুখ্যমন্ত্রী জানান, এই কথা বলা উচিত নয়। কারণ অমিত শাহ এখানে উপস্থিত নেই। কিন্তু তা বলতেই হল। কারণ, এটা প্রশংসনীয়। তাই এই পরিযায়ী শ্রমিকদের ব্যপারে রাজ্যের সঙ্গে কথা বলেই সিদ্ধান্ত নিন। যাতে দেশে করোনা সংক্রমণ না বেড়ে যায়। এটা প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দেখার বিষয় বলেই জানান তিনি। কারণ, লকডাউন তাঁরাই করেছিলেন। আবার ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত তাঁরাই নিয়েছেন, তাই তাঁদের এটা দেখা উচিত, মন্তব্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।

রাজ্যের সঙ্গে আলোচনা না করেই লক্ষ-লক্ষ পরিযায়ী শ্রমিককে বাংলায় পাঠানো হচ্ছে বলে অভিযোগ মুখ্যমন্ত্রীর। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, পরিযায়ীদের অনেকেই সংক্রমিত, তাঁদের থেকেই ছড়াচ্ছে সংক্রমণ। এপ্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘রাজ্যে ১১ ট্রেন আসছে। কাল ১৭ ট্রেন আসছে। প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বলব করোনা যেন না বাড়ে। কেউ কেউ বাড়ানোর চেষ্টা করছেন, রাজনীতি করবেন না।’ এরই পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘রাজ্যে প্রায় ৫ লক্ষ পরিযায়ী চলে এসেছেন। এত লোকের একসঙ্গে পরীক্ষা কীভাবে করব? সংক্রমণ বাড়লে দায় কে নেবেন? রেলের কোনও দায়িত্ব নেই? প্রধানমন্ত্রী-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে অনুরোধ করব। সংক্রমণ ঠেকাতে হস্তক্ষেপ চাই।’

আরও পড়ুন: আমফান পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে নবান্নে বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রীর

৫ রাজ্য থেকে ফিরলেই ইন্সটিটিউশন কোয়ারেন্টাইন বাধ্যতামূলক, এমনই জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘মহারাষ্ট্র, মধ্যপ্রদেশ, গুজরাত, দিল্লি, চেন্নাই ৫ রাজ্য থেকে ফিরলেই ইন্সটিটিউশন কোয়ারেন্টাইন। ৫ রাজ্য থেকে এলেই স্কুলে স্কুলে কোয়ারেন্টাইন।’ পরিযায়ীদের রাজ্যে ফেরানো ইস্যুতে রেলকেও কাঠগড়ায় তুলেছেন মমতা। তিনি বলেন, ‘হঠাত্‍ একসঙ্গে ৩৬ ট্রেন মহারাষ্ট্র থেকে ছাড়া হবে শুনলাম। রেলের কী কোনও দায়িত্ব নেই?

 

 

 

Related Articles

Back to top button
Close