fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

এবার ঘরে বসেই ঈদ উদযাপন সাঁইথিয়া ও সংলগ্ন এলাকায়

সুব্রত মুখোপাধ্যায়, সাঁইথিয়া : সারা বছর তাকিয়ে থাকেন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ এই একটি দিনের সবথেকে বড় উৎসব উদযাপনের জন্য। সোশ্যাল মিডিয়াতে হা-হুতাশ স্পষ্ট প্রতিটি আবালবৃদ্ধবনিতার। নতুন জামা কাপড় পরে ঈদ অর্থ্যাৎ আনন্দ উদযাপনে কোন রকম ঘাটতি থাকে না কোন বছরই। এবার কিন্তু সেসব কিছুই করতে মন চাইছে না সাঁইথিয়া ও সংলগ্ন এলাকার বেশীরভাগ বুদ্ধিজীবী সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষের।

 

 

শিক্ষক মুখলেসুর রহমান, গোলাম মজিব বলেন, এ বছর করোনা প্রাদুর্ভাবের জন্য এবং আমফানে দক্ষিণবঙ্গের মানুষের ব্যপক ক্ষয়ক্ষতি দেখে নতুন জামাকাপড় কেনার কোন ইচ্ছায় হয়নি। তাছাড়া ভীষণ মনখারাপ হলেও ঈদগাহে গিয়ে নমাজ পড়তেও যাওয়া হয়নি প্রশাসনের নির্দেশ মেনে। মহঃবাজার থানার সেকেড্ডা গ্রাম পঞ্চায়েতের দীঘলগ্রামের সফিউল আলম জানান, তারাও এবার ঘরে বসেই নমাজ পড়া থেকে আরম্ভ করে অন্যান্য সবকিছুই করছে। এ অঞ্চলেও মানুষ এবার নতুন জামাকাপড় কেনেননি। প্রশাসনের নির্দেশ মেনে মসজিদে গিয়ে নমাজ পড়া থেকেও বিরত থাকছেন। সেকেড্ডা অঞ্চলে প্রশাসন থেকে বলা হয়েছিল একসঙ্গে সাতজনের বেশী নমাজ পড়া হবে না ঈদগাহে।

 

 

 

সফিউলবাবু বলেন, আমরা ঠিক করেছিলাম যারা প্রথম হাজির হবেন, সেই সাতজনই নমাজ পড়বেন। বাকীরা বাড়িতে নমাজ পড়বেন। সাঁইথিয়ার মুখলেসুরবাবু জানান, এবার যেহেতু পোষাক আষাক কেনা হয়নি, তাই আমার পরিবার থেকে সেই অর্থ জাকাত হিসাবে দরিদ্রদের মধ্যে দান করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তাই ঈদ উদযাপন সেভাবে না করতে পারলেও একটা মানসিক তৃপ্তি পাচ্ছি দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়াতে পেরে।

Related Articles

Back to top button
Close