fbpx
অসমএকনজরে আজকের যুগশঙ্খহেডলাইন

আজমলদের না আটকালে কামাখ্যা যাবে

গুয়াহাটি: ভোটে জিতে ক্ষমতায় এলে গুয়াহাটির শ্রীমন্ত শংকরদেব কলাক্ষেত্রে বৈঠক করার কথা বলেছেন আজমল। সম্প্রতি, অসমের মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনয়াল কলাক্ষেত্রের যে-হলে বৈঠক করেছেন, ক্ষমতায় এলে জোট সরকারের মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে সেখানেই বৈঠক করবেন তিনি। বদরুদ্দিন আজমল বলেছেন, ‘কলাক্ষেত্রে বৈঠক করবই, একশোবার করব’। কিন্তু শংকরদেব কলাক্ষেত্রে বৈঠক করার কথা বলে হিমন্ত বিশ্ব শর্মার কোপ দৃষ্টিতে পড়েছেন তিনি।  বদরুদ্দিনের বিরুদ্ধে তোপ দেগে বুধবার হিমন্তর দাবি, আজমলদের নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে কলাক্ষেত্রেও থাকবে না। শংকরদেবের জন্মস্থান বরদোয়াও থাকবে না। কামাখ্যাও থাকবে না।

হিমন্তর বক্তব্য, ‘আজমল, শেরমানের লক্ষ্য কী? সিএএ আন্দোলনের সময় প্রথমে কলাক্ষেত্র ভাঙার চেষ্টা করা হয়। তারপর কলাক্ষেত্র মিয়া মিউজিয়াম, নীল লুঙি রাখার কথা বলেন। এখন শিল্পগ্রাম থেকে কলাক্ষেত্রে গিয়ে বৈঠক করার কথা বলছেন। মিয়াদের মুখে বরদোয়া ঢুকেছিল, এখন ঢুকেছে কলাক্ষেত্র’।

অসম ভোটের আগে হিমন্তের সঙ্গে আজমল বাকযুদ্ধ জমে উঠছে। বুড়ো আঙুল তুলে তাঁকে ‘ঘন্টা’ দেখানোর জবাবে আজমল তাঁকে রাগ নিয়ন্ত্রণ করে ‘বি কুল’ থাকার পরামর্শ দিয়েছিলেন। তাতে হিমন্তর জবাব, ‘আমি কুল থাকি, গরম থাকি, এটা আমার জমি, আমার দেশ। রাগ করব না ফূর্তি করব, আমি ঠিক করব। আমি জানি আমার জল, আমি সিদ্ধান্ত নেব, আমি কী করব। কিন্তু তাঁরা যেখান থেকে এসেছেন, তাঁরা সিদ্ধান্ত নিন হাসবেন না, কাঁদবেন? আমাকে হুঁশিয়ারি দেবেন না’? পাশাপাশি আজমলকে সমর্থন করায় অসম জাতীয় পরিষদের নেতা অদিপ ফুকন এবং বদরুদ্দিন আজমলের টাকায় এক সংবাদপত্র এক সংবাদপত্র প্রকাশ পেয়েছিল, সেই সংবাদপত্রের সম্পাদক ছিলেন অদিপ ফুকন। তার মানে, বহু আগেই তিনি আজমল দাসত্ব স্বীকার করেছেন। ক্ষমতায় এলে তিনি আমাকে গ্রেফতার করবেন, কিন্তু তার সরকার হবে পাকিস্তান কিংবা বাংলাদেশ, অসমে নয়’।

রিপুনের সমালোচনার করে হিমন্ত আরও বলেন, আমি আজমলকে বলেছি, কিন্তু রিপুন বরা মামলা করছেন। রিপুন কি আজমলের ঘরে কাজ করেন যে, তিনি মামলা করলেন। রিপুন বরা নিজের নামের গাম্ভীর্য অন্তত রাখুন। রিপুন ও বরা ওই দুটো শব্দের মান রাখুন।রিপুন ও বরা যদি আজমলের দাস হয়ে যান, জাতির জন্য তার চেয়ে দুর্ভাগ্যের আর কী হতে পারে! আজমলের দাসত্ব করার জন্য গহপুবের মতো শহিদ কনকলতার স্মৃতি বিজড়িত স্থান থেকে মানুষ তাঁকে বিধায়ক করে পাঠাননি। যদি কনকলতা জানতেন যে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের বিধায়ক ২০২০ সালে বদরুদ্দিন দাসত্বের শৃঙ্খলে নিজেকে আবদ্ধ করে নেবেন, তাহলে তাঁর অন্তর-আত্মা কত দুঃখ পেত’।

Related Articles

Back to top button
Close