fbpx
আন্তর্জাতিকহেডলাইন

সব জল্পনার অবসান, পতন ইমরান জমানার

 

যুগশঙ্খ ,ওয়েবডেস্ক :সব নাটকীয় তার অবসান। গদি হারালেন ইমরান খান।
পাকিস্তানের পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ জাতীয় পরিষদে অনাস্থা ভোটে হেরে দেশটির প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে ক্ষমতাচ্যুত হয়েছেন ইমরান খান।
পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) দলের নেতা ইমরানের পতনের পেছনের কারণ কী?
২০১৮ সালে ইমরান পাকিস্তানের ২২তম প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। সে সময় প্রায় সবকিছুই তাঁর পক্ষে ছিল বলে মনে হয়েছিল

শনিবার বিরোধী দলগুলো দাবি করে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী আজই অনাস্থা প্রস্তাবের ওপর যাতে ভোটাভুটি হয়। তারা চাইছেন, সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী জাতীয় পরিষদ পরিচালিত হোক। সরকারি দলের সদস্যরা পার্লামেন্টে ইচ্ছা করেই হট্টগোল সৃষ্টি করছেন বলেও অভিযোগ করেছেন বিরোধীরা।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের বিরুদ্ধে অনাস্থা ভোট পিছিয়ে দিতে জাতীয় পরিষদের অধিবেশনে স্পষ্টতই সময়ক্ষেপণের কৌশল নিয়েছে তাঁর দল তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)। শনিবার জাতীয় পরিষদের অধিবেশন শুরু হওয়ার পরই সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে এ অভিযোগ তুলেছিল বিরোধী দলগুলো। দিনের এক পর্যায়ে সরকার ও বিরোধী পক্ষ অনাস্থা ভোটের সময় নিয়ে মৌখিকভাবে চুক্তিতে সমঝোতায় পৌঁছে। সে অনুযায়ী শনিবার স্থানীয় সময় রাত ৮টার পর ভোটাভুটি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সন্ধ্যার পর স্পিকার আসাদ কায়সার বলেন, তিনি প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে অনাস্থা ভোটের আয়োজন করতে পারবেন না। যুক্তি হিসেবে স্পিকার বলেন, ইমরানের সঙ্গে তাঁর ৩০ বছরের সম্পর্ক। তাঁকে (ইমরান) ক্ষমতাচ্যুত করতে ভোটাভুটির আয়োজন করা তার পক্ষে সম্ভব নয়। এই পরিস্থিতিতে স্থানীয় সময় রাত ১২টা পর্যন্ত জাতীয় পরিষদের অধিবেশন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

সর্বশেষ রাত সাড়ে নয়টা পর্যন্ত অধিবেশন মুলতবি করা হয়। ইফতারসহ বিভিন্ন কারণে শুরু থেকে চারদফা অধিবেশন মূলতবি হয়।
এদিকে সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে শনিবারই রিভিউ আবেদন করেছে পিটিআই। এ ছাড়া হঠাৎ করে রাত ৯টায় মন্ত্রিপরিষদের বৈঠক ডেকেছেন ইমরান খান। সুপ্রিম কোর্টের রায়ে জাতীয় পরিষদ পুনর্বহাল হওয়ার পর এদিনই প্রথম অধিবেশন শুরু হয়। প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান অধিবেশনে যোগ দেননি।
অধিবেশনের শুরুতে পিটিআই দাবি তোলে, সরকারের পতন ঘটাতে ‘বিদেশি ষড়যন্ত্রের’ প্রসঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করার। অন্যদিকে বিরোধী দলগুলো সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে অনাস্থা ভোট করার দাবি জানায়। সকাল সাড়ে ১০টায় অধিবেশন শুরু হওয়ার কিছু সময় পরই তা দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত মুলতবি করা হয়। এর আগে দুই পক্ষের মধ্যে ব্যাপক বাগবিতণ্ডা চলে।

অধিবেশনের শুরুতে পার্লামেন্টের প্রধান বিরোধী দল পিএমএলের (এন) নেতা শাহবাজ শরিফকে বক্তব্য দিতে ফ্লোর দেন স্পিকার আসাদ কায়সার। শাহবাজ অনাস্থা ভোট দেওয়ার জন্য স্পিকারের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘আপনাকে সুপ্রিম কোর্টের রায় মেনে অধিবেশন পরিচালনা করতে হবে। পার্লামেন্ট আজ নতুন ইতিহাস রচনা করতে যাচ্ছে। পার্লামেন্ট একজন প্রধানমন্ত্রীকে পরাজিত করতে যাচ্ছে।’
স্পিকারের কাছে ফ্লোর নিয়ে শাহবাজের বক্তব্যের জবাবে পিটিআই নেতা ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মেহমুদ কুরেশি বলেন, ‘আমরা আইন ও সংবিধান অনুযায়ী সব কিছুই মোকাবেলা করতে চাই।’
অধিবেশন মুলতবির সময়ে বিরোধী দলগুলোর প্রধান নেতারা বৈঠক করেন। বিরোধী দলগুলোর নেতারা অভিযোগ করেন, অনাস্থা ভোট না দিয়ে পিটিআই সময়ক্ষেপণের কৌশল নিয়েছে। এই কৌশলের জবাব দিতে পরামর্শ করেন তাঁরা।

সংবাদমাধ্যমগুলোতেও বলা হয়,  প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান পররাষ্ট্রমন্ত্রী কুরেশিকে টানা তিন ঘণ্টা বক্তব্য দিতে বলেছেন। সেই বক্তব্যে ‘বিদেশি ষড়যন্ত্রের’ বিষয়টি তুলে ধরার নির্দেশ দিয়েছেন।
পিটিআই নেতা ও তথ্যমন্ত্রী ফাওয়াদ চৌধুরীর বক্তব্যেও সময়ক্ষেপণের কৌশলের আভাস পাওয়া যায়। তিনি সংবাদমাধ্যমকে বলেন, অনাস্থা ভোট আজ (শনিবার) না-ও হতে পারে। এটা আগামী সপ্তাহে গড়াতে পারে। তিনি বলেন, ‘আমরা বেশি সময় নেব না। কিন্তু জাতীয় পরিষদে অনাস্থা ভোটের আগে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিদেশি ষড়যন্ত্রের বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরবেন।’  পরে অবশ্য সরকার ও বিরোধী দলের নেতারা একমত হন যে দুই পক্ষের নেতারা বক্তৃতা দেওয়ার সময় কেউ হট্টগোল করবেন না।
অনাস্থা ভোটে টিকতে ৩৪২ আসনের জাতীয় পরিষদে ইমরানকে ১৭২ ভোট পেতে হবে। ইমরানের দলের রয়েছে ১৫৬ আসন। এর মধ্যে বেশ কিছু নেতার ইমরানের বিরুদ্ধে ভোট দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই ইমরানের পরাজয় অনেকটাই নিশ্চিত।
আদালতের দারস্থ হয় ইমরানের দল পিটিআই।

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের বিরুদ্ধে অনাস্থা ভোট পিছিয়ে দিতে জাতীয় পরিষদের অধিবেশনে স্পষ্টতই সময়ক্ষেপণের কৌশল নিয়েছে তাঁর দল তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)। শনিবার জাতীয় পরিষদের অধিবেশন শুরু হওয়ার পরই সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে এ অভিযোগ তুলেছিল বিরোধী দলগুলো। দিনের এক পর্যায়ে সরকার ও বিরোধী পক্ষ অনাস্থা ভোটের সময় নিয়ে মৌখিকভাবে চুক্তিতে সমঝোতায় পৌঁছে। সে অনুযায়ী শনিবার স্থানীয় সময় রাত ৮টার পর ভোটাভুটি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সন্ধ্যার পর স্পিকার আসাদ কায়সার বলেন, তিনি প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে অনাস্থা ভোটের আয়োজন করতে পারবেন না। যুক্তি হিসেবে স্পিকার বলেন, ইমরানের সঙ্গে তাঁর ৩০ বছরের সম্পর্ক। তাঁকে (ইমরান) ক্ষমতাচ্যুত করতে ভোটাভুটির আয়োজন করা তার পক্ষে সম্ভব নয়। এই পরিস্থিতিতে স্থানীয় সময় রাত ১২টা পর্যন্ত জাতীয় পরিষদের অধিবেশন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

সর্বশেষ রাত সাড়ে নয়টা পর্যন্ত অধিবেশন মুলতবি করা হয়েছে। ইফতারসহ বিভিন্ন কারণে শুরু থেকে চারদফা অধিবেশন মূলতবি হয়।
এদিকে সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে শনিবারই রিভিউ আবেদন করেছে পিটিআই। এ ছাড়া হঠাৎ করে রাত ৯টায় মন্ত্রিপরিষদের বৈঠক ডেকেছেন ইমরান খান। সুপ্রিম কোর্টের রায়ে জাতীয় পরিষদ পুনর্বহাল হওয়ার পর এদিনই প্রথম অধিবেশন শুরু হয়। প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান অধিবেশনে যোগ দেননি।
অধিবেশনের শুরুতে পিটিআই দাবি তোলে, সরকারের পতন ঘটাতে ‘বিদেশি ষড়যন্ত্রের’ প্রসঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করার। অন্যদিকে বিরোধী দলগুলো সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে অনাস্থা ভোট করার দাবি জানায়। সকাল সাড়ে ১০টায় অধিবেশন শুরু হওয়ার কিছু সময় পরই তা দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত মুলতবি করা হয়। এর আগে দুই পক্ষের মধ্যে ব্যাপক বাগবিতণ্ডা চলে।

এত করেও শেষরক্ষা হল না।

 

 

Related Articles

Back to top button
Close