fbpx
আন্তর্জাতিকএকনজরে আজকের যুগশঙ্খহেডলাইন

হিন্দু মেয়েদের যৌনদাসী বানাচ্ছে ইমরানের দেশ

ওয়াশিংটন: পাকিস্তানের সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচারের আরও এক নজির প্রকাশ্যে এল। হিন্দু ও খ্রিস্টান মহিলাদের চিনের নাগরিক সঙ্গে জোর করে দিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি যৌনদাসী করে পাঠানো হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠল। মার্কিন এক রিপোর্ট এই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ সামনে এসেছে। ইউএস অ্যাম্বাসডর আর্ট ল্যাজ ফর ইন্টারন্যাশনাল রিলিজিয়াস ফ্রিডম স্যামুয়েল ডি ব্রাউনব্যাক এক রিপোর্টে এই দাবি করেছেন। সম্প্রতি এই রিপোর্ট হোয়াইট হাউসে জমা করেছেন তিনি।

রিপোর্টে বলা হয়েছে, চিনের প্রভাবশালী নাগরিকদে সন্তুষ্ট করার জন্য পাক অধিকৃত কাশ্মীরের সংখ্যালঘু হিন্দু ও খ্রিস্টান মেয়েদের জোর করে তাদের রক্ষিতা বা যৌনদাসী বানাচ্ছে পাকিস্তান। জোর করে বিয়ে দিয়ে তাঁদের চিনে পাঠানো হচ্ছে। পুরো বিষয়টিতে মদত রয়েছে ইমরান খানের সরকারের। ব্রাউনব্যাকের দাবি, সংখ্যালঘু হিন্দু এবং খ্রিস্টানদের ওপর কারও সমর্থন নেই। তাছাড়া ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা পাকিস্তানে বরাবরই বৈষম্যে শিকার। তাই তাঁদের নিশানা বানানো খুবই সহজ। এরপরই বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে।

তাঁর আরও অভিযোগ, পাকিস্তানে যে সংখ্যালঘু মানুষদের কোনও নিরাপত্তা নেই, এই ধরনের ঘটনা তারই প্রমাণ। পাকিস্তানে প্রশাসনের মদতেই সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মেয়েদের অপহরণ করা হচ্ছে। তারপর তাঁদের জোর করে চিনে পাঠানো হচ্ছে। সেখানকার প্রভাবশালী নাগরিকদের যৌন বাসনা পূরণের কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে ওই মেয়েদের। যৌনদাসী করে রেখে দেওয়া হচ্ছে। এই সব কারণেই ইন্টারন্যাশনাল রিলিজিয়াস অ্যাক্টের অধীনে পাকিস্তানকে কান্ট্রি অব পার্টিকুলার কনসার্ন বা সিপিসি তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। শুধুমাত্র ২০১৯ সালেই ৬২৯ জন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মেয়েকে যৌনদাসী করে রেখেছে দেওয়া হয়েছে। পাকিস্তানি তদন্তকারীই এই তালিকা তৈরি করেছেন।
স্যামুয়েলের রিপোর্টে বলা হয়েছে, চিনে পাঠানোর পর এই মেয়েদের একঘরে করে রাখা হয়। অকথ্য নির্যাতন চালানোর পর এক সময়ে তাঁদের পতিতালয়ে বিক্রি করে দেওয়া হয়। আন্তজার্তিক সংবাদ মাধ্যমের তদন্ত রিপোর্টে দেখা গিয়েছে, পাকিস্তানের দরিদ্র সংখ্যালঘু পরিবারগুলিকেই মূলত নিশানা করে দালালরা।

আরও পড়ুন: স্পুটনিক ভ্যাকসিন নিলে দু’মাস করা যাবে না মদ্যপান

পয়সার লোভ দেখিয়ে তাদের মেয়েদের চিনা পুরুষদের সঙ্গে বিয়ে দিতে বাধ্য করা হয়। কিন্তু সব কিছু জানা সত্ত্বেও এই মেয়েদের সাহায্য কেউ এগিয়ে আসে না। এই পুরো পাচারচক্র দিন দিন বাড়ছে। কারণ পাচারকারী খুব ভালো করে জানে প্রশাসনের তরফে এ ব্যাপারে কখনই কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না।

Related Articles

Back to top button
Close