fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

কেতুগ্রামে বাসের খালাসি খুনের অভিযোগে ধৃত বাস মালিকসহ তিন

দিব্যেন্দু রায়, কেতুগ্রাম: বাসের এক খালাসিকে খুনের অভিযোগে বাস মালিকসহ তিনজনকে গ্রেফতার করল কেতুগ্রাম থানার পুলিশ। ধৃতদের নাম মীর নূর জামাল, কাজি গোলাম কেরামত আউলিয়া ও সঞ্জয় পান্ডে। ধৃতরা প্রত্যেকেই বীরভূম জেলার বোলপুর এলাকার বাসিন্দা। শনিবার রাতে তাদের গ্রেফতার করা হয় বলে পুলিশ সুত্রে জানা গেছে। রবিবার ধৃতদের  কাটোয়া মহকুমা আদালতে তোলা হলে  ৭ দিনের জন্য পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক।

জানা গেছে, মৃত ব্যক্তির নাম আশিষ গড়াই। তাঁর বাড়ি বীরভূমের নানুর থানা এলাকায়। আশিষবাবু মীর নুর জামাল নামে এক ব্যক্তির বাসে খালাসির কাজ করতেন। বাসটি বোলপুর থেকে কেতুগ্রামের মউগ্রাম রুটে চলাচল করে। গত বৃহস্পতিবার বাসটিতে ডিউটি করছিলেন আশিষবাবু।

[আরও পড়ুন- তৃণমূল ও সিপিএম ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিলেন পাঁচশোর বেশি মহিলা কর্মী সমর্থক]

মৃতের স্ত্রী টগরীদেবী পুলিশের কাছে অভিযোগে জানিয়েছেন,  গত বৃহস্পতিবার  সন্ধ্যায় মৌগ্রামের নরসিংহপুর বাসস্ট্যান্ডে বাসটি হল্ট হয়।  ওই দিন রাতের দিকে হঠাৎ খবর আসে  তার স্বামীকে অসুস্থ অবস্থায় বোলপুর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। খবর পেয়েই তিনি হাসপাতালে যান। কিন্তু হাসপাতালে গিয়ে দেখেন তার স্বামী মারা গেছেন। তিনি বলেন, “আমার স্বামীর শরীর রক্তাক্ত অবস্থায় ছিল। মাথায় ছিল গভীর ক্ষত। আমার অনুমান আমার স্বামীর মাথায় ধারালো অস্ত্রের কোপ দেওয়া হয়েছিল। তার জেরেই আমার স্বামীর মৃত্যু হয়েছে।”

টগরীদেবী জানিয়েছেন,ওদিন সঞ্জয় পান্ডে, বাসমালিক নুর জামালের ছেলে কাজি গোলাম কেরামত আউলিয়া ও সঞ্জয় পান্ডে নামে এক ব্যক্তি তার স্বামীর সঙ্গে ডিউটি করছিলেন। তার অভিযোগ,ওই দুজনে মিলে তার স্বামীকে খুন করেছে।  তারপর বাস মালিক নুর জামালের নির্দেশে ও পরামর্শে তা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল ।

জানা গেছে, ঘটনার পরের দিন  বাসমালিকসহ তিনজনের বিরুদ্ধে কেতুগ্রাম থানায় অভিযোগ দায়ের করেন টগরীদেবী। অভিযোগের ভিত্তিতে ওই  তিনজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।  পুলিশ জানিয়েছে, ওই দিন ঠিক কি ঘটেছিল তা জানার জন্য ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

Related Articles

Back to top button
Close