fbpx
দেশহেডলাইন

মহারাষ্ট্রে এবার করোনার ওষুধ কেনার জন্য আধার বাধ‍্যতামূলক

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: দেশে করোনার সংক্রমণ ঊর্ধ্বমুখী। বেড়ে চলেছে মৃতের সংখ্যাও। এখনও পর্যন্ত ভ‍্যাকসিন বাজারে আসেনি। যদিও করোনা নিরাময়ে অ্যান্টি–ভাইরাল ওষুধ রেমডেসিভির ও অ্যান্টি–ইনফ্লেমেটরি ওষুধ টসিলিজুমাব ব‍্যবহার করা হচ্ছে। কিন্তু এবার থেকে সেই ওষুধও কিনতে গেলে চাই আধার কার্ড। এমনটাই নিয়ম জারি করল মহারাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন। শুক্রবার এই মর্মে জারি হওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, করোনা নিরাময়ে অ্যান্টি–ভাইরাল ওষুধ রেমডেসিভির ও অ্যান্টি–ইনফ্লেমেটরি ওষুধ টসিলিজুমাব কেনার জন্য করোনা রোগীর আত্মীয়কে আধার কার্ডের তথ্য, চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন, অনুমতি ফর্ম, কোভিড পজিটিভের রিপোর্ট ও ওই আত্মীয়ের যোগাযোগ নম্বর প্রয়োজন।

নিয়ামক কর্তৃপক্ষ সরাসরি নির্মাতাদের কাছ থেকে এগুলি কেনার পরে হাসপাতালগুলি ওষুধ সংগ্রহ করছে কিনা তা তদন্ত করছে। এফডিএ মন্ত্রী রাজেন্দ্র সিঙ্গনে জানিয়েছেন ওষুধের ঘাটতি এবং পরীক্ষামূলক ওষুধ কালো বাজারিতে বিক্রি হওয়ার অভিযোগ পাওয়ার পরই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। মন্ত্রী বলেন, ‘‌আমাদের কাছে খবর আছে যে অনেক মানুষই রয়েছেন যাদের এই ওষুধের প্রয়োজন নেই তা সত্ত্বেও তারা এই ওষুধ কেনার চেষ্টা করছে এবং তা বেশি টাকায় বিক্রি করছে।’‌ মন্ত্রী আরও বলেন, ‘‌ওষুধ বিক্রেতার কাছ থেকে এই ওষুধ কিনতে হলে এই নথিগুলো দেখানো বাধ্যতামূলক। এটি আমাদের ওষুধটি বিক্রয় ও তার ব্যবহার ট্র‌্যাক করতে সহায়তা করবে।’‌

এফডিএর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে বৃহস্পতিবার শহরে সিপলা সংস্থার রেমডেসিভিরের ২১০০ বোতল এসে পৌঁছায়, যার মধ্যে ১৬০০ ডোজ গিয়েছে বেসরকারি হাসপাতালে এবং বাকিগুলি গিয়েছে বিএমসি হাসপাতালে। গত সপ্তাহে বিএমসি হেতেরোর কাছ থেকে ৬০০০ বোতল রেমডেসিভির নিয়েছে।

যদিও কিছু চিকিৎসকদের মতে, করোনা রোগীর আত্মীয়দের কাছে এত নথি চাওয়া অত্যন্ত অন্যায়। মন্ত্রী আচমকা পরিদর্শনে যান বায়কুল্লার মসিনা হাসপাতাল ও ঘাটকোপার খুচরো ওষুধ বিক্রেতা এসকে ডিস্ট্রিবিউটারের দোকানে যান। মন্ত্রীর সঙ্গে পরিদর্শনে যাওয়া এফডিএর আধিকারিকরা জানিয়েছেন যে তারা এই দোকানের কেনাবেচা রেকর্ডের মধ্যে কোনও অমিল খুঁজে পাননি। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঘাটকোপার দোকানে ভিড় করা কয়েকশো মানুষের ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল।

Related Articles

Back to top button
Close