fbpx
গুরুত্বপূর্ণপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

একুশের নির্বাচনে মালদার মালতিপুর কেন্দ্রে ত্রিমুখী লড়াইয়ের সম্ভাবনা

মোকতার হোসেন মন্ডল:

বিধানসভা ২০১৬ ফলাফল

কংগ্রেস: ৫০৬৪৩
আরএসপি: ৪৮০৪৩
তৃণমূল কংগ্রেস: ৩৯৯৪৭
বিজেপি: ১২৯৪১

লোকসভা ২০১৯ ফলাফল

কংগ্রেস- ৬৪৪৩৮
তৃণমূল- ৫৮৭৯৪
বিজেপি- ৩৫৪৮৮
বামফ্রন্ট- ৪৭১৬

২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে মালদার মালতিপুর কেন্দ্রে ত্রিমুখী লড়াইয়ের সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। শাসক তৃণমূল কংগ্রেস, কংগ্রেস ও সিপিএম জোট ছাড়াও তৃতীয় শক্তি হিসেবে বিগত লোকসভায় উঠে এসেছে বিজেপি।

মালতীপুর বিধানসভা আসনটিতে ২০৯ টি বুথ রয়েছে। কিছু অংশ চাঁচল-২ উন্নয়ন ব্লক ও অবশিষ্ট অংশ রতুয়া-২ উন্নয়ন ব্লকের অন্তর্গত। মালদার মালতিপুর বরাবরই কংগ্রেসের গড় হলেও বামফ্রন্টের মাটিও শক্তিশালী। তবে বর্তমানে তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপি জমি তৈরি করেছে। অতীতে বামফ্রন্ট ও কংগ্রেসের মধ্যেই লড়াই হয়েছে।
তবে এলাকাবাসীরা বলছেন, শিক্ষা,স্বাস্থ্য, চাকরি সহ বিভিন্ন দিক দিয়ে এলাকাটিকে পিছিয়ে রাখা হয়েছে।

স্থানীয় গানিউল ইসলাম, নানি সরেনরা বলছেন,কোনও বড় রোগ হলে কলকাতা যেতে হয়। স্থানীয় একটা হাসপাতাল থাকলেও সেখানে সব সুবিধা পাওয়া যায়না। তাছাড়া অনেক জায়গায় রাস্তাঘাট খারাপ। আদিবাসী মহল্লার উন্নয়নটাও প্রয়োজন।

কিন্তু ২০২১ সালের নির্বাচনে কী হবে? স্থানীয় মানুষজন বলছেন, মূলত বাম-কংগ্রেস জোট ও তৃণমূল কংগ্রেসের মধ্যেই হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হতে পারে। ২০১৬ বিধানসভার ফলাফল বিশ্লেষণ করলে দেখা যাচ্ছে, সেবার কংগ্রেসের আলবেরুনী জুলকারনাইন ৫০৬৪৩ ভোট পেয়েছিলেন।

অন্যদিকে আরএসপির আব্দুর রাহিম বক্সি ৪৮০৪৩ ও তৃণমূল কংগ্রেসের ডাঃ মোয়াজ্জেম হোসেন ৩৯৯৪৭ ভোট পান। অন্যদিকে বিজেপির সৌমিত্র সরকার ১২৯৪১ ভোট পান। কিন্তু ২০১৯ লোকসভায় কংগ্রেস ৬৪৪৩৮ ও তৃণমূল ৫৮৭৯৪ ভোট পায়। অন্যদিকে
বিজেপি ৩৫৪৮৮ এবং বামফ্রন্ট ৪৭১৬ ভোট পান। ষোলোর বিধানসভা ও উনিশের লোকসভার ফলাফল বলছে, এই কেন্দ্রে কংগ্রেস এগিয়ে। কিন্তু ষোলোতে বামফ্রন্ট যে ফল করেছিল উনিশে এসে তা ধরে রাখতে পারেনি। বিজেপি বিগত বিধানসভার চেয়ে লোকসভায় তুলনামূলক ভালো ফল করেছে। যদি একুশে বামফ্রন্ট ও কংগ্রেসের মধ্যে জোট হয় তবে পাল্লা তাদেরই ভারী হতে পারে।

কিন্তু স্থানীয় একটি দলের নেতা জানান, একুশের নির্বাচনে কোন দল জিতবে তা অনেকটা নির্ভর করছে প্রার্থীর উপর। তাছাড়া বিগত নির্বাচনগুলির সেই পরিবেশ আর আজকের রাজনৈতিক পরিবেশের মধ্যে বিস্তর তফাৎ আছে। তাই ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা ও প্রার্থীদের প্রচার না দেখলে এখনই বোঝা কঠিন যে কোন দল জিতবে।

Related Articles

Back to top button
Close