fbpx
কলকাতাগুরুত্বপূর্ণহেডলাইন

মেঘালয়ে বাঙালিদের উপর অত্যাচারের বিরুদ্ধে কলকাতার ভবনের সামনে বিক্ষোভ একাধিক দলের

মোকতার হোসেন মন্ডল: মেঘালয়ে বাঙালিদের উপর অত্যাচারের অভিযোগ তুলে কলকাতায় অবস্থিত মেঘালয় ভবনের সামনে বিক্ষোভ দেখালো একাধিক সংগঠন। বৃহস্পতিবার ব্যাপক সংখ্যক বাঙালি আন্দোলনে নামে।এদিন মেঘালয় ভবন ‘ঘেরাও’ কর্মসূচি সফল হয়েছে বলে মনে করছেন বাঙালি সংগঠনগুলি। আমরা বাঙালী,শিবসেনা,বঙ্গভাসী মহাসভা,রিপাবলিকান পার্টি অফ ইন্ডিয়া সহ আরও একটি আদিবাসী সংগঠন বিক্ষোভে অংশ নেন। আমরা বাঙালি সংগঠনের কেন্দ্রীয় সচিব বকুল রায়, কলকাতা জেলার প্রতিনিধি প্রণতি পাল, ছাত্র নেতা কৌস্তভ সাহা,বাঙালী মহিলা সমাজের স্বাগতা ব্যানার্জী,কেন্দ্রীয় কমিটির মুখপত্র উজ্জ্বল ঘোষ বক্তব্য রাখেন।

এদিন শিবসেনার রাজ্য সম্পাদক অশোক সরকার বাঙালিদের উপর অত্যাচার বন্ধ না হলে বড় রকম আন্দোলন করার হুঁশিয়ারি দেন। রিপাবলিকান পার্টির রাজ্য সভাপতি মৃত্যুঞ্জয় মল্লিক বলেন,”বাঙালিদের রক্তে দেশ স্বাধীন হয়েছে। আরপি আই, মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী এবং রাজ্যপাল কে আগেই জানিয়েছে অত্যাচার বন্ধ করার জন্য। সারাদেশে বাঙালিদের উপর অত্যাচার বন্ধ করার জন্য সারা দেশের বাঙালিদের এনে কলকাতা বড় আন্দলন করা হবে। আন্দোলনকারী নেতা হিতানসু ব্যানার্জি বলেন,”মেঘালয়ে বাঙালীদের উপর খাসিয়াদের লাগাতার সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে এই বিক্ষোভ ছিল। আমরা ভুক্তভোগীদের থেকে যা শুনছি তাতে চিন্তিত”।

হিতানসু ব্যানার্জি আরও জানান,”আমরা সবাই জানি,অর্থনৈতিকভাবে বাঙালীদের কিভাবে শোষণ ও অবরুদ্ধ করা চলছে মেঘালয়ে। সব বাঙালী বাংলাদেশী এইরকম সাম্প্রতিক পোষ্টার দিয়ে এদেশের বাঙালীদের অপমানের তীব্র প্রতিবাদ করছি আমরা। উত্তরপূর্ব ভারতে বাঙালীদের নিয়ে এই যে উত্তেজনা এটা ঠিক নয়। এদিন অল বেঙ্গল স্টুডেন্টস অর্গানাইজেশনের সম্পাদক চন্দন চ্যাটার্জী উপস্থিত ছিলেন যিনি মেঘালয়ের ইছামতীতে তার প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা জানান। কিভাবে তিনি বাঙালীদের হয়ে বলেন বলে খুনের হুমকি পাচ্ছেন তাও জানান। বকুল চন্দ্র রায় বলেন, ছয় জনের একটি প্রতিনিধিদল মেঘালয় হাউসের কমিশনার কে একটি স্মারকলিপি দিয়ে অবিলম্বে মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী কে খবর পাঠাতে বলি,যাতে পনেরো দিনের মধ্যে ব্যবস্থা নেওয়া হয় নতুবা আমরা বাঙালী বৃহত্তর আন্দোলনে নামবে।

Related Articles

Back to top button
Close