fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

একই দিনে রায়না ও জামালপুরে জলাশয় থেকে উদ্ধার দুটি মৃতদেহ

প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়, বর্ধমান: জলায়শ থেকে মৃতদেহ উদ্ধারে পৃথক দুটি ঘটনা মঙ্গলবার ঘটলো পূর্ব বর্ধমানে। মৃতরা হলেন শক্তি রায় (৫৫) এবং খোকন রায় (২৪)।

 

 

 

প্রথম জনের বাড়ি জামালপুর থানার আঝাপুর গ্রামে । অপর মৃত রায়না থানার নাড়ুগ্রামের বাসিন্দা । ময়নাতদন্তের জন্য দুটি মৃতদেহ এদিন পাঠানো হয় বর্ধমান হাসপাতাল পুলিশ মর্গে । জামালপুর ও রায়না থানার পুলিশ অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে ।

 

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, জামালপুর থানার আঝাপুর হাটতলা এলাকায় বাড়ি শক্তি রায়ের । তাঁর প্রতিবেশী পরিবারের এক প্রৌঢ় সোমবার বিকালে মারা যান। রাতে তার দেহ সৎকার করতে অন্যদের সঙ্গে শক্তিও আঝাপুরের গ্রামের শ্মশানে যান ।স্থানীয়রা বলেন, শক্তি রায় শ্মশানে মদ্যপান করেন । মৃতর ছেলে তাপস রায় এদিন বলেন ,দাহ কার্য শেষে রাতে তাঁর বাবা সবাইয়ের সঙ্গেই শ্মশান সংলগ্ন কালি পুকুরে স্নান করতে নামেন । স্নান শ্মশান যাত্রীরা সবাই বাড়ি ফিরে গেলেও তাঁর বাবা বাড়ি ফেরেন নি। এদিন দুপুরে কালি পুকুরে তাঁর বাবার মৃতদেহ ভেসে ওঠে । স্থানীয়রা মনে করছেন নেশাগ্রস্ত অবস্থায় পুকুরে স্নান করতে নেমে গভীর জলে তলিয়ে গিয়েই শক্তি রায়ের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে ।

 

অন্যদিকে এদিনই সকালেই রায়নার নাড়ুগ্রাম এলাকার খালের জলে ভেসে ওঠে এলাকার যুবক খোকন রায়ের মৃতদেহ । পুলিশ জানিয়েছে , খোকন দিন মজুরের কাজ করতো । প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে যাচ্ছি বলে জানিয়ে গত ৭ জুন রাতে সে ঘর থেকে বের হয় । তারপর থেকে সে আর বাড়ি ফেরে নি । পরিবারের লোকজন সোমবার রায়না থানায় নিখোঁজ ডাইরি করে । এদিন সকালে বাড়ির অদূরে খালের জনে খোকনের মৃতদেহ ভেসে ওঠে । স্থানীয়দের প্রাথমিক অনুমান শৌচকর্ম সারতে গিয়ে খালের গভীর জলে পড়ে তলিয়ে যাওয়ায় খোকনের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে । পুলিশ জানিয়েছে , মৃতদেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে । রিপোর্ট হাতে আসলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে ।

 

Related Articles

Back to top button
Close