fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

শিলিগুড়িতে আরও তিনজন করোনা মুক্ত

সঞ্জিত সেনগুপ্ত, শিলিগুড়ি : রবিবার শিলিগুড়ির কোভিড হাসপাতাল থেকে আরো তিনজন করোনা মুক্ত হয়ে ছুটি পেলেন। এদের মধ্যে একজন উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজের চক্ষরোগ বিশেষজ্ঞ রয়েছেন। বাকি দু’জনের একজন চেন্নাইয়ের অ্যাম্বুলেন্স চালক, অপর জন আলিপুরদুয়ারের বাসিন্দা।

 

 

এদিকে শনিবার রাতে ছুটি দেওয়া হয়েছে সম্প্রতি করোনায় আক্রান্ত মাটিগাড়ার পতিরামের এক বাসিন্দাকে। তাঁকে ছুটি দেওয়া নিয়ে জনমানসে নানা ধরনের প্রশ্ন উঠেছে। এদিকে এদিন যাদের ছুটি দেওয়া হয়েছে তাদের মধ্যে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজের চক্ষুরোগ বিশেষজ্ঞ গত ৩০ এপ্রিল ডাক্তারদের সঙ্গে দলবেধে কলকাতা থেকে এসেছিলেন। আসার পরপরই কিনি অসুস্থ বোধ করায় তাঁর লালারস পরীক্ষা কো হয়। তাতে করোনা সংক্রমণ ধরা পড়ে। তবে তার সঙ্গে থাকা বাকি ২০ জন ডাক্তার ও ৫ স্বাস্থ্য কর্মীদের লালারস পর্যায়ক্রমে নেগেটিভ আসায় কোয়ারান্টাইন থেকে ছুটি দেওয়া হয়।

 

 

এদিকে অসম থেকে এসে পতিরামের ওই বাসিন্দা অসুস্থ হলে তিনি উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। তার স্ত্রী ও সন্তানও ভর্তি ছিলেন। তাদের লালারসের নমূনা সংগ্রহরকরা হয়। এদিকে অসমেও ১৬ মে ওই ব্যক্তির লালারস সংগ্রহ করা হয়।  ২১ মে গুয়াহাটি থেকে সরকারিভাবে শিলিগুড়ি প্রশাসনের কাছে খবে আসে পতিরামের ওই ব্যক্তি করোনা আক্রান্ত। সঙ্গে সঙ্গে তাকে কোভিড হানপাতালে ভর্তি করা হয়। স্ত্রী ও সন্তানকে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আইসোলেশন ওয়ার্ডে রাখা হয়।

তারপর এখানে তিনজনের রিপোর্টই নেগেটিভ আসে। দ্বিতীয়বারও রিপোর্ট নেগেটিভ আসায় ওই ব্যক্তিকে শনিবার ছুটি দিয়ে কোয়ারান্টাইনে রাখা হয়েছে।
অন্যান্য করোনা আক্রান্তদেরযে যে সময়ের ব্যবধান মেনে পর্যায়ক্রসে পরীক্ষা করা হয় পতিরামের ওই ব্যক্তির ক্ষেত্রে তার প্রয়োজন হয়নি। এনিয়েই নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। যদিও এতে বিতর্কের কিছু দেখছেন না জেলার এক স্বাস্থ্য আধিকারিক।

 

 

তবনি বলেন, ‘ সম থেকে ফেরার পর কিছু শারীরিক  সমস্যা দেখা দেওয়ায় তিনি উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। সে সময়ের চিকিৎসার জেরেই তার শরীর প্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়ে গিয়ে তিনি করোনা মুক্ত হয়ে থাকতে পারেন । তবে যে সময়ে আমাদের হাতে রিপোর্ট আসে তখন তিনি মেডিক্যালেই ভর্তি ছিলেন। তাই অসমের রিপোর্ট আসতেই তাকে দ্রুত কোভিড হাসপাতালে সরিয়ে নেওয়া হয়। ফের টেস্ট করা হয়। এখানে সব রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে।’

Related Articles

Back to top button
Close