fbpx
কলকাতাগুরুত্বপূর্ণহেডলাইন

ভরসন্ধ্যায় পার্ক স্ট্রিটের সিআইএসএফ ক্যাম্পে ব্রাস্ট ফায়ার, জওয়ানের ছোড়া গুলিতে হত অপর জওয়ান

দেড়ঘন্টার রুদ্ধশ্বাস অপারেশনে গ্রেফতার অভিযুক্ত

যুগশঙ্খ, ওয়েবডেস্ক: ভরসন্ধ্যায় পার্ক স্ট্রিটে চলল এলোপাথাড়ি গুলি। এমএলএ হস্টেলের কাছেই চলল ২৫ থেকে ৩০ রাউণ্ড গুলি। ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু এক সিআইএসএফ জওয়ানের। অভিযুক্ত অপর এক বিএসএফ জওয়ানের হেড কন্সটেবল। ঘটনা সূত্রপাত। হঠাৎ প্রচণ্ড শব্দে কেঁপে ওঠে কলকাতার এই জনবহুল এলাকা। মৃত সিআইএসএফ জওয়ানের নাম নাম রঞ্জিত ষড়ঙ্গির। আহত সুবীর ঘোষ নামের আরও এক সিআইএসএফ জওয়ান। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সামনে থাকা পুলিশের গাড়ির কাচও এলোপাথাড়ি গুলিতে ঝাঁজরা হয়ে যায়।পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। অন্তত ১৫  রাউন্ড গুলি চলেছে বলে পুলিশের দাবি।

ঘটনাস্থলে প্রবল উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।  যাদুঘরের লাইট নিভিয়ে চলে সার্চ। প্রথমে অভিযুক্তকে আত্মসমর্পণ করতে বলে। পরে অভিযুক্তের শর্ত মেনেই তাকে গ্রেফতার করে কলকাতা পুলিশ। ধৃত সিআইএসএফ-এর হেড কনস্টেবল অক্ষয় মিশ্র। ওড়িশার ঢেঙ্কানলের বাসিন্দা তিনি।

কলকাতা পুলিশের সিপি জানান, ‘অন্তত ১৫ রাউন্ড গুলি চলেছে। বুঝিয়ে, নিরস্ত্র করে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কী কারণে গুলি, তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।  বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে তার হাতে থাকা AK 47 রাইফেলটি।

গুলি চালানোর পর আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে বারাক চত্বরে ঘুরে বেড়াচ্ছিল হামলাকারী। তার অগ্নিমূর্তি দেখে অন্যান্য কর্তব্যরত জওয়ানেরা পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থলে বুলেট প্রুফ পরে প্রবেশ করেন পুলিশ কর্মীরা। আসে কমান্ডো। প্রায় দেড় ঘন্টার চেষ্টায় এই রুদ্ধশ্বাস ঘটনার সমাপ্ত হয়। গ্রেফতার হয় অভিযুক্ত। তবে গ্রেফতারের পরেও তার মধ্যে কোনও অনুশোচনা দেখা যায়নি।

প্রথমে ঘটনাস্থলে পৌঁছেও ভিতরে প্রবেশ করতে পারেনি পুলিশ৷  আততায়ীকে নিরস্ত্র করতে  ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান পার্ক স্ট্রিট থানার পুলিশ, বিপর্যয় মোকাবিলা দল। পৌঁছয় কলকাতা পুলিশের স্পেশ্যাল অ্যাকশন ফোর্স এবং সিআইএসএফের স্পেশ্যাল অ্যাকশন ফোর্স এবং কলকাতা পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েল। তাঁরা সকলে বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট পরে ড্রাগন লাইট হাতে নিয়ে ভিতরে ঢোকেন।  আত্মসমর্পণের জন্য শর্ত জানায় জওয়ান। পুলিশকে নিরস্ত্র অবস্থায় কথা বলার শর্ত দেয়। এর পর ডিসি সেন্ট্রালের নেতৃত্বে দল গঠন করে অভিযুক্তর সঙ্গে কথা বলা হয়। তাকে বুঝিয়ে নিরস্ত্র করে আটক করা হয়।

 

Related Articles

Back to top button
Close