fbpx
গুরুত্বপূর্ণপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

বনবিভাগের অভিযানে উদ্ধার ৭৫০ টিয়া ও ১৬টি পাহাড়ি ময়না, গ্রেফতার ২ পাচারকারী

প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়, বর্ধমান:  পাচার হওয়ার আগেই বনবিভাগের অভিযানে ৭৫০টি টিয়া ও ১৬টি পাহাড়ি ময়না পাখি বোঝাই একটি ক্যান্টার উদ্ধার হল। সমস্ত পাখি গুলিকে উদ্ধার করেছে বর্ধমান বনবিভাগ। পাখি পাচারের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে মহম্মদ মেহেরা ও সেখ সাবেদ আলি নামে দুই  অভিযুক্তকে। ধৃত দুজনেরই বাড়ি বর্ধমানের দুবরাজদিঘি এলাকায়। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে বুধবার দুই ধৃতকেই পেশ করা হয় বর্ধমান আদালতে।

বর্ধমানের বন আধিকারিক (ডিএফও ) দেবাশীষ শর্মা জানিয়েছেন যে, একটি ক্যান্টারে করে ৭টি খাঁচায় পাখিগুলি পাচার করা হচ্ছিল। ক্যান্টারে বোঝাই করে পাখিগুলি ঝাড়খন্ডের হাজারিবাগ থেকে গলসি হয়ে বর্ধমানে নিয়ে আসা হচ্ছিল। গোপন সূত্রে সেই খবর পেয়ে বনবিভাগের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। দেবাশীষ শর্মা বলেন যে, এই খবর পাওয়ার পরেই এদিন সকাল থেকে বনকর্মীরা ২ নম্বর জাতীয় সড়কের পূর্ব বর্ধমানের গলসিতে ওতপেতে বসে ছিল।

[আরও পড়ুন- কোনও মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে কুরুচিকর মন্তব্য সমর্থন যোগ্য নয়: অধীর]

তখনই বনকর্মীরা দেখতে পান যে, ক্যান্টারে করে বর্ধমানের দিকে পাখিগুলি নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। জাতীয় সড়কে গলসিতে গাড়ি বদলের সময়ে বনবিভাগের কর্মীরা পাখি পাচারের ঘটনায় জড়িত মহম্মদ মেহেরা ও সেখ সাবেদ  আলিকে হাতেনাতে  ধরে ফেলে। উদ্ধার হয় ৭৫০ টি টিয়া ও ১৬টি  পাহাড়ি ময়না পাখি। উদ্ধারের সময়ে কয়েকটি টিয়া ও ময়না মারা যায়। ডিএফও দেবাশীষ শর্মা জানিয়েছেন,  আদালতের নির্দেশ পেলে পাখিগুলি বর্ধমানের রমনার বাগান অভয়ারণ্যে ছেড়ে দেওয়া হবে।

ধরা পড়ার পর ধৃত মহম্মদ মেহেরা বলেন, গাড়ি করে পাখি নিয়ে যাওয়া হচ্ছে তা তিনি জানতেন না। অপর ধৃত সেখ সাবেদ আলি বলেন, তিনি বদ্রী পাখির ব্যবসা করেন।  হাজারিবাগ থেকে তিনি পাখিগুলি নিয়ে আসছিলেন। যাদের কাছ থেকে ওই পাখিগুলি নিয়েছিলেন তারা তাঁকে বলেছিল পাখি নিয়ে যাওয়া বেআইনি নয়।

 

 

Related Articles

Back to top button
Close