fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

মেচেদায় গ্রামীণ সংস্কৃতিকে বাঁচিয়ে রাখার স্বার্থেই এবারের পুজোর আয়োজন প্রতিটি দুর্গোৎসব কমিটির

বাবলু বন্দ্যোপাধ্যায়, কোলাঘাট: আর মাত্র কয়েকটাদিনের অপেক্ষা। তার পরেই বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজো। জোড় কদমে চলছে শেষ পর্যায়ের প্রস্তুতি। প্রত্যেকটি জায়গায় দেবী দুর্গাকে বরণের জন্য অপেক্ষামান দূর্গা উৎসব কমিটির প্রতিনিধিরা। বিভিন্ন স্থানের সঙ্গে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার মেচেদা এলাকাতে এক কিলোমিটার চৌহদ্দির মধ্যে ১২ থেকে ১৩ টি পুজো এবারেও মানুষের মনকে আকৃষ্ট করে নেবে বলেই মনে করা হচ্ছে।
বিগত বেশ কয়েকটি বছর ধরে মেচেদা এলাকাতে নানা ধরনের থিম মৃৎশিল্পীরা তাদের হাতের কারুকার্যের মধ্য দিয়ে দর্শনার্থীদের মন জয় করে নিয়েছিল। এবারেও তার ব্যতিক্রম হবে না বলেই ধারণা। এই করোনা আবহে পুজো কমিটিগুলি সরকার যে সমস্ত গাইডলাইন প্রকাশ করেছে তাকে মান্যতা দেবে বলেই প্রত্যেকটি পুজো কমিটির উদ্যোক্তারা জানিয়েছে। এবারে মাটির বিভিন্ন ধরনের সৃজনশীল কারুকার্যে দর্শনার্থীরা দেবী দুর্গাকে দর্শন করবে এই মেচেদাতে।

এই এলাকার পুজো গুলির মধ্যে মেচেদা শহরের অনতিদূরে গুলুড়িয়া অলস্টার ক্লাব তাদের ১৭ তম বর্ষে বাজেট অনেকটা কমিয়ে গ্রামীণ পরিবেশে রুচিশীল সংস্কৃতিকে বাঁচিয়ে রাখার স্বার্থে এবারের পুজোর আয়োজন করেছে বলে জানান, পুজো কমিটির সহ-সভাপতি সুকুমার মাইতি।

আরও পড়ুন:করোনা আক্রান্ত শ্রম দফতরের প্রতিমন্ত্রী নির্মল মাঝি, জ্বর ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন

সুকুমারবাবু জানান, এবারের এই পুজোয় করোনা আবহের মধ্যে হছে, পঞ্চমী থেকে দশমী প্রত্যেকটা দিনই সরকারের নির্দেশাবলীকে মান্যতা দেওয়া হবে। উৎসব কমিটির যুগ্ম সম্পাদক সুনীল সানকি, প্রবীর আদক ও সভাপতি মহাদেব সানকি বলেন এবারের পুজোয় দর্শনার্থীদের জন্য আলোর রোশনাইয়ের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হবে। সেই সঙ্গে গ্রামীণ এলাকার কচিকাঁচাদের নিয়ে রুচিশীল বেশ কয়েকটি কর্মসূচি রাখা হয়েছে, তবে সম্পূর্ণটাই নির্ভর করছে পরিবর্তিত পরিস্থিতির উপর।

Related Articles

Back to top button
Close