fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

করোনা অতিমারির মধ্যেই বিশাল জমায়েত করে চটুল নাচ গানের আসর খণ্ডঘোষে

প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়, বর্ধমান: করোনা আতিমারির মধ্যেও স্বাস্থ্য বিধির তোয়াক্কা না করে পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষের আমরাল গ্রামে আয়োজন করা হয়েছিল জলসার। বিশ্বকর্মা পুজো উপলক্ষে সাউন্ড বক্স বাজিয়ে শুক্রবার রাতভর সেই জলসায় চটুল গানের সঙ্গে চললো উদ্দাম নাচ। যা দেখতে কাতারে কাতারে মানুষ সেখানে ভিড় জমিয়ে ছিলেন। এই ঘটনায় যারপরনাই ক্ষুব্ধ স্বাস্থ্য দপ্তরের কর্তারা।করোনা অতিমারির মধ্যে হওয়া এই জলসা বন্ধে প্রশাসন কেন ব্যবস্থা নিল না সেই প্রশ্নই এখন বড় হয়ে দেখা দিয়েছে।

প্রশাসন ও স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে খবর, পূর্ব বর্ধমান জেলায় প্রথম করোনা আক্রান্তের হদিশ মিলেছিল খণ্ডঘোষে। বর্তমানে পূর্ব বর্ধমান জেলায় প্রতিদিনই লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়ে চলেছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। ইতিমধ্যেই জেলায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩৭ শো ছাড়িয়ে গিয়েছে। মত্যু হয়েছে ৫৪ জনের।
করোনা থাবা থেকে রেহাই পাননি খণ্ডঘোষ থানার পুলিশ আধিকারিক ও কর্মীরা। একসঙ্গে একাধীক পুলিশ কর্মী করোনা আক্রান্ত হওয়ায় তালা পড়েগিয়েছিল খণ্ডঘোষ থানাতে। অন্যত্র বাড়ি ভাড়া নিয়ে থানার প্রশাসনিক কাজ চালাতে হয়েছিল। সংক্রমণ হার কমাতে মুখে মাস্ক পরা ও সামাজিক দূরত্ব বিধি মেনে চলার বার্তা প্রতিনিয়ত দিয়ে চলেছে প্রশাসন।একই আবেদন রাজ্যবাসীর কাছেও রেখে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এতকিছুর পরেও প্রশাসনের চোখকে ফাঁকি দিয়ে আমরাল গ্রামে বিশাল জমায়েতকরে কিভাবে রাতভর জলসা অনুষ্ঠিত হল সেটাই সবাইকে হতবাক করেছে।

এই বিষয়ে খণ্ডঘোষ ব্লকের বিডিও কমলকান্তি তলাপাত্র বলেন,‘আমরাল গ্রামের অনুষ্ঠানের বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই। ওই বিষয়টি দেখার দায়িত্ব পুলিশের। ঘটনার কথা পুলিশকে জানানো হবে । ’ এসডিপিও আমিনুল ইসলাম খান জানিয়েছেন , ‘কোভিড অতিমারির মধ্যে এমন অনুষ্ঠানের আয়োজন করার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে । কোভিড বিধি না মেনে জলসার আয়োজন করা হয়ে থাকলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে । ’

Related Articles

Back to top button
Close