fbpx
কলকাতাগুরুত্বপূর্ণশিক্ষা-কর্মজীবনহেডলাইন

প্রথম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত রাজ্যের পাঠ্য পুস্তকে করোনা ভাইরাসের অন্তর্ভুক্তি

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: প্রথম থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত রাজ্যের পাঠ্যপুস্তকে পড়ানো হবে নোবেল করোনা ভাইরাস সম্পর্কে। মঙ্গলবার এমনটাই জানিয়েছে রাজ্য শিক্ষা দফতর। নোবেল করোনা ভাইরাস সম্পর্কে সবিস্তার পাঠ্য পুস্তকের মধ্যে বিবরণ দেওয়া থাকবে। পাশাপাশি এই ভাইরাসের হাত থেকে কিভাবে মানুষ নিজেদের রক্ষা করবে তার সমস্ত বিধি ও সচেতনতা অবলম্বন জানানো হবে ছাত্র-ছাত্রীদের।
সম্প্রতি কর্নার সংক্রমণের জন্য ব্যতিব্যস্ত হয়ে উঠেছে সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের জীবন। মাঝপথেই বাতিল করতে হয়েছে উচ্চমাধ্যমিক, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় বিভিন্ন পরীক্ষা। বাড়ির বড়দের কাছে করোনাভাইরাস সম্যক ধারণা থাকলেও ছোটরা এখনো অবগত নয় এই ভাইরাস সম্পর্কে। তাই পড়ুয়াদের পাঠ্য পুস্তকের মাধ্যমেই সচেতনতা গড়ে তোলার চেষ্টা করছে রাজ্য শিক্ষা দপ্তর। শিক্ষাবিদদের একাংশের মতে, এই মারণ করনা ভাইরাসের সংক্রমণ কতদিন স্থায়ী হবে তা কারোর পক্ষে বলা সম্ভব নয়। তাই এখন থেকে মানুষকে ভাইরাসকে সঙ্গে নিয়েই বাঁচতে হবে। যতদিন পর্যন্ত না উপযুক্ত ভাইরাসের টিকা ওষুধ আবিষ্কার করা সম্ভব হচ্ছে। সেক্ষেত্রে রাজ্য শিক্ষা দফতরের এই উদ্যোগ যথেষ্ট যুক্তিযুক্ত পূর্ণ বলে মনে করছেন তারা।
পাঠ্যপুস্তকে করোনাভাইরাস কিভাবে মানুষের দেহে ছড়িয়ে পড়বে বা কি কি পদক্ষেপ গ্রহণ করলে মানুষ এই ভাইরাসের হাত থেকে নিজেকে রক্ষা করতে পারবে তা সম্পর্কে সবিস্তারে জানানো হবে পড়ুয়াদের। একই সঙ্গে এই ভাইরাসের আদি অন্ত সব কথাই কমবেশি জানানো হবে পড়ুয়াদের। অবশ্য ই সমাজিক দূরত্ব বজায় রাখার কথা বলা হবে। আগের মত ঘনিষ্ঠতা বা গা ঘেঁসা ঘেসি করে বেঞ্চে বসা বা মেলামেশা অনেকটাই কম করা হলে সংক্রমণ ছড়ানোর ভয় কম থাকবে। এর ফলে করোনা  আবহে স্কুল কলেজ খোলা হলেও পড়ুয়ারা যাতে নিজেদের করোনার হাত থেকে রক্ষা করতে পারে। মাত্র ১০০ দিন আগে পর্যন্ত দেশ তথা রাজ্যবাসী জানতোনা করোনাভাইরাস সম্পর্কে। কিন্তু সময় যত গড়িয়েছে একের পর এক রাজ্যে থাবা বসিয়েছে করোনাভাইরাস। এ পর্যন্ত বহু মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। সেই সঙ্গে ভাইরাসের কবলে পড়ে মৃত্যু বরণ করতে হয়েছে অনেককে। যত দিন গড়াচ্ছে সংখ্যা ততই বাড়চ্ছে। যার ফলে সাধারণ মানুষ ইতিমধ্যেই জেনে গিয়েছে করোনাভাইরাস এর ভয়ংকরতা। তাই নতুন প্রজন্মকে এই ভাইরাস সম্পর্কে সচেতন করার লক্ষ্যে রাজ্য শিক্ষা দফতর এই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

Related Articles

Back to top button
Close