fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

লঙ্কার ঝাঁজে না, বাজারের ঝাঁজে হেসেলে লঙ্কাকাণ্ড

শ্যাম বিশ্বাস, উত্তর ২৪ পরগনা: লঙ্কার ঝাঁজে নয়, বাজারের ঝাঁজে হেসেলে লঙ্কাকাণ্ড এখন। বসিরহাট মহাকুমার বসিরহাট এক নম্বর ব্লকের মেরুদন্ডী, কামারডাঙ্গা, মদিনাতলা, তেঘরিয়া, গন্ধর্বপুর, পিয়াড়ার লঙ্কা রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় যেত। কৃষক গঙ্গা পদ সরদার ও প্রভাতী সরদার বলেন ,একদিকে লকডাউন, অন্যদিকে আমফানের যাঁতাকলে লঙ্কা চাষিরা এখন বিপর্যয়ের মুখে পড়ে হাবুডুবু খাচ্ছে। আমফানের জেরে লঙ্কা গাছের ফলন বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। যারফলে লঙ্কা বাজারে চাহিদার জোগান দিতে পারছে না চাষিরা। অন্যদিকে কৃষকরা ঋণ নিয়ে  লঙ্কা চাষ করলে তা শোধ করতে পারছে না। কারণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে লঙ্কা গাছ, গাছ তরতাজা, কিন্তু গাছে নেই ফুল, মানে নেই লঙ্কা, এ এক বিরল দৃশ্য দেখা গেল লঙ্কা তলায় গিয়ে। একদিকে গাছ শুকিয়ে যাচ্ছে, অন্যদিকে গাছের গোড়ায় জল জমে গিয়ে দীর্ঘদিন পরে পচন রোগ এসে গেছে লঙ্কা গাছের গোড়ায়। লঙ্কা ঠিকমতো হচ্ছে না।

[আরও পড়ুন- অগ্নিমূল্যের বাজারে সস্তায় আলু বিক্রি করে অভিনব বিক্ষোভ বিজেপির]

বাজারে লঙ্কার দাম প্রতি কেজি ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা। বাজারের এক সময় যারা প্রতিদিন ১০০ গ্রাম করে লঙ্কা কিনতেন ১০ টাকায়। তাঁরা আজ ২৫ গ্রাম থেকে ৫০ গ্রাম লঙ্কা কিনছেন। সেই কারণে মধ্যবিত্ত পরিবারের হেঁসেলে রীতিমত লঙ্কাকান্ড বেঁধে যাচ্ছে। কৃষকরা বলছেন, যদি দ্রুত বৃষ্টি  না হয় তাহলে চারাগাছ বড় হবে না, তার মানে জলের অভাবে লঙ্কার যোগান কমবে, দ্রুত যদি চাষিরা পর্যাপ্ত পরিমাণে ফলন ফলাতে না পারে তাহলে আগামী দিন গুলোতে লঙ্কার বাজারে আগুন ধরে যাবে। আর সেই আগুনে জ্বলে পুড়ে ছারখার হয়ে যাবে গরিব খেটে খাওয়া মানুষ জন।

 

Related Articles

Back to top button
Close