fbpx
আন্তর্জাতিকগুরুত্বপূর্ণদেশবাংলাদেশহেডলাইন

লক্ষ্য নির্ভরশীলতা, বঙ্গোপসাগরে শুরু হয়েছে ভারত-বাংলাদেশ নৌমহড়া

যুগশঙ্খ প্রতিবেদন, ঢাকা: ‘বঙ্গোসাগর’ নামে ভারত ও বাংলাদেশ মধ্যকার তৃতীয় নৌমহড়া শুরু করছে। দু’দেশের দুটির রণতরীর সমন্বিত টহলের পর উত্তর বঙ্গোপসাগরে এই মহড়া হচ্ছে শনিবার থেকে ।

মহড়ায় ভারত তাদের সাবমেরিনবিধ্বংসী করভেট আইএনইএস কিলতান, নিয়ন্ত্রিত ক্ষেপণাস্ত্র করভেট আইএনএস খুকরি ও সমুদ্র টহল বিমান ও হেলিকপ্টার মোতায়েন করবে। আর বাংলাদেশ নিয়ন্ত্রিত ক্ষেপণাস্ত্র ফ্রিগেট বিএনএস আবু বকর ও নিয়ন্ত্রিত ক্ষেপণাস্ত্র করভেট বিএনএস প্রত্যয় মোতায়েন করবে।

বাংলাদেশের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর-আইএসপিআর জানিয়েছে, তৃতীয়বারের মতো অনুষ্ঠিত হওয়া এই যৌথ টহল ও মহড়া শনিবার থেকে সোমবার পর্যন্ত চলবে। যৌথ এ টহল ও মহড়ায় বাংলাদেশ নৌবাহিনীর দুটি যুদ্ধজাহাজ বানৌজা প্রত্যয়, বানৌজা আবু বকর ও ১টি এমপিএ অংশগ্রহণ করছে।

সমুদ্র এলাকায় অবৈধভাবে মৎস্য আহরণ, চোরাচালান, মানবপাচার, জলদস্যুতা এবং মাদক পাচারসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড নিরসনের লক্ষ্যে এ যৌথ টহল ও মহড়া পরিচালিত হবে। দু’দেশের এই যৌথ টহল ও মহড়া বঙ্গোপসাগরে নিজ নিজ জলসীমায় সমুদ্র বিষয়ক অপরাধ সম্পর্কিত তথ্য আদান-প্রদান, তথ্যাদির সঠিক ব্যবস্থাপনা, সমুদ্রপথে অবৈধ কার্যক্রম পরিচালনাকারী জাহাজসমূহ চিহ্নিতকরণ ও বিভিন্ন অপরাধ নিরসনকল্পে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

এছাড়া যৌথ এ টহল ও মহড়ার সফল বাস্তবায়ন সমুদ্র পথে অপরাধমূলক কর্মকান্ড নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি আঞ্চলিক সমুদ্র নিরাপত্তা রক্ষা, সমুদ্র নিরাপত্তার ঝুঁকি মোকাবেলা ও সমুদ্র অর্থনীতির উন্নয়নে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে আশা করা হচ্ছে।

ভারতীয় নৌবাহিনীর মুখপাত্র কমান্ডার বিবেক মাধওয়াল বলেন, এই মহড়ার লক্ষ্য হচ্ছে মহড়ার মাধ্যমে পারস্পরিক নির্ভরশীলতা বাড়ানো। মহড়ার মধ্যে থাকবে সার্ফেস ওয়্যারফেয়ার ড্রিল, সিম্যানশিপ ইভালুয়েশন ও হেলিকপ্টার অপারেশন।

তিনি বলেন, এরপর দুই দেশের রণতরীগুলো আন্তর্জাতিক জলসীমার মধ্যে যৌথভাবে টহল দেবে। তিনি বলেন, এ ধরনের মহড়ার ফলে দুই দেশের নৌবাহিনীর মধ্যে সমঝোতা বাড়াবে, টহলে সমন্বয় জোরদার করবে।

ভারত অব্যাহতভাবে বাংলাদেশের সঙ্গে সামরিক সম্পর্ক জোরদার করছে। বাংলাদেশ কয়েক বছর আগে চিনের কাছ থেকে প্রথমবারের মতো ডিজেল-চালিত সাবমেরিন সংগ্রহ করেছে। আর শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, শিলেশলস ও মৌরিতানিয়া, মায়ানমার, নেপাল ও বাংলাদেশের প্রতিবেশীদের চিনা উপস্থিতি থেকে বিরত রাখার চেষ্টা করছে ভারত।

Related Articles

Back to top button
Close