fbpx
একনজরে আজকের যুগশঙ্খকলকাতাহেডলাইন

ভবানীপুর থেকে ভারতবর্ষ শুরু’, চক্রবেড়িয়ার সভা থেকে ‘দিল্লি’র ডাক মমতার

নিজস্ব প্রতিনিধি: আগামী বৃহস্পতিবার ভবানীপুরের উপনির্বাচন। তৃণমূলের প্রার্থী খোদ মুখ্যমন্ত্রী। এই বিধানসভা কেন্দ্রে বহু ভাষাভাষীর বাস। তার পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার প্রচারে এসে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভবানীপুরকে ভারতের সঙ্গে তুলনা করলেন। চলতি সপ্তাহে টানা প্রচার করছেন মমতা। এদিন চক্রবেড়িয়ায় একটি প্রচারসভায় যোগ দেন তিনি। সেখানে বিজেপির উদ্দেশে তিনি বলেন, ”ভ-এ ভবানীপুর, ভ-এ ভারতবর্ষ। এই ভবানীপুর থেকেই ভারতবর্ষ শুরু। ভবানীপুর থেকেই বাংলা মুখ্যমন্ত্রী পাবে। ভবানীপুর থেকেই ভারতবর্ষ দেখবে।”

ভবানীপুরে জয়ের ব্যবধানে নতুধ রেকর্ড গড়াই লক্ষ্য মমতা তথা তৃণমূলের। তাই প্রচারে খামতি রাখতে চাইছেন না তিনি। মমতা আরও বলেন, ”এখান থেকেই মুখ্যমন্ত্রী হব। আর ভোটে জিতে বিধায়ক না হলে মুখ্যমন্ত্রীর পদে থাকা শোভনীয় হবে না। আমি ছয় বার দক্ষিণ কলকাতা থেকে ভোটে লড়ে জিতেছি। ২০১১ সালেও উপনির্বাচনে এই কেন্দ্র থেকে জিতে মুখ্যমন্ত্রী হয়েছি। ২০২১এও তাই। এটাই হয়ত হওয়ার ছিল।” সেইসঙ্গে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বিজেপিকে তোপ দেগে বলেন, ”আপনারা জানেন, নন্দীগ্রামে কীভাবে আমাকে ভোটে হারানো হয়েছিল। মনোনয়নের দিনই পা জখম করে দেওয়া হয়। আমি হুইলচেয়ারে বসেই সারা রাজ্য ঘুরেছি। ঠিকঠাক ভোট হলে, বিজেপি ৩০টির বেশি আসন পেত না। ওদের নেতারা তো রোজ দিল্লি থেকে যাতায়াত করেছেন। তাও কিছু হয়নি। ওরা বোধহয় ভাবতে পারেনি যে আমরা এত ভোটে জিতব। কিন্তু আমি ভাঙা পা নিয়েই এতগুলো আসন পেয়েছি।”

মমতার আবেদন, ”৩০ তারিখ সরকারি ছুটি। বৃষ্টি হলেও ওই দিনটায় ভোট দিতে যান সকলে। আমার দলের সংখ্যাগরিষ্ঠতা আছে। মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার লোকের অভাব নেই। কিন্তু আপনারা যদি চান আমি থাকি, তাহলে সবাই মিলে ভোটটা দিন।”

এদিন প্রচার সভার আগে মমতা সেখানকার জৈন মন্দিরে যান। প্রথা মেনে তিনি পুজো দেন, আরতিও করেন।  জৈনগুরুদের প্রণাম করেন। মমতার সঙ্গে ছিলেন সুব্রত বক্সি, দেবাশিস কুমার। সেখানেই জৈন সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা মুখ্যমন্ত্রীর হাতে কিছু উপহার তুলে দেন। তিনি ঘরের মেয়ে, ভবানীপুর তাঁর চেনা মাটি, এটা এদিন ফের বুঝিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী।

 

 

Related Articles

Back to top button
Close