fbpx
গুরুত্বপূর্ণদেশহেডলাইন

ভারত বনধ: রাজধানীতে শুরু রেল রোকো-রাস্তা অবরোধ

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: কৃষি আইনের বিরুদ্ধে কৃষকদের আন্দোনল মঙ্গলবার ১৩ দিন হবে । কেন্দ্রের এই নয়া আইনের বিরোধীতায় মঙ্গলবার দেশজুড়ে ভারত বনধের ডাক দিয়েছেন কৃষকরা । এদিন রাজনৈতিক দলের পাশাপাশি বেশ কিছু অন্যান্য সংগঠনও ভারত বনধকে সমর্থন জানিয়েছে । এশিয়ার সবচেয়ে বড় আজাদপুর সবজি মান্ডি । দিল্লিতে আজাদপুর সবজি মান্ডি-সহ সমস্ত মান্ডির এদিন ব্যবসা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে । এর পাশাপাশি অল দিল্লি অটো-ট্যাক্সি ট্রান্সপোর্ট কংগ্রেস ইউনিয়ন পরিষেবা বন্ধ রাখার ঘোষণা করেছে । এছাড়া ওলা ও উবেরের ড্রাইভার অ্যাসোসিয়েশন এই বনধকে সমর্থন জানিয়েছে । দিল্লিতে এদিন চলবে না ওলা বা উবের ।

গাজিপুর. চিল্লা এবং নয়ডা বর্ডার অস্থির হতে পারে। সেই কথা মাথায় রেখেই তৈরি হয়েছে বাহিনী। রাখা রয়েছে ৯০ কোম্পানি প্যারামিলিটারি, বহু অ্যআম্বুলেন্স। দ্বিতীয় মাথাব্যথা যদি কৃষকরা প্রধানমন্ত্রীর অফিসের দিকে রওনা হন। আগেভাগেই প্রতিটি সংশ্লিষ্ট রাজ্যকে বনধ শান্তিপূর্ণ ভাবে করার বার্তা দিয়ে রেখেছে। কিন্তু সূত্রের খবর কৃষকরা অনেকেই চান, এমন কিছু করতেতাত্‍পর্যপূর্ণ। ভাবাচ্ছে টাকার জোগান এবং আরও বেশি লোকের আমদানি। সেক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা ধরে রাখা চ্যালেঞ্জ হবে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সরকারি কর্তা বলছিলেন, ২০০ কোটি টাকা পর্যন্ত খরচ হয়েছে নানা জায়গার মানুষকে একজোট করতে। সকাল ১১টা থেকে দুপুর ৩টে পর্যন্ত চলবে চাক্কা জ্যাম।

বন্‌ধের মধ্যে জনজীবন সচল রাখতে দিল্লিতে যান চলাচলের রুটে ব্যাপক পরিবর্তন। দিল্লি-হরিয়ানার সংযোগস্থল সিঙ্ঘু সীমানা বন্ধ রাখা হয়েছে। বন্ধ রাখা হয়েছে অউচঁদি, পিয়াউ মনিয়ারি এবং মঙ্গেশ সীমানাও। দুই দিক থেকে বন্ধ ৪৪ নম্বর জাতী সড়ক। তারপ বদলে লামপুর। সফিয়াবাদ, সাবোলি সীমানা হয়ে ঘুরে যেতে হবে। মুকারবা এবং জিটিকে রোড থেকে সমস্ত গাড়ি ঘুরপথে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। আউটার রিং রোড, জিটিকে রোড এবং ৪৪ নম্বর জাতীয় সড়ক এড়িয়ে চলার নির্দেশ দিয়েছে দিল্লি ট্র্যাফিক পুলিশ। চলছে শুধু দু চাকার যান। দিল্লি ট্রাফিক পুলিশ সূত্রে খবর পুরোপুরি বন্ধ সিঙ্ঘু, পিয়াও মানিয়ারি, মঙ্গেশ বর্ডারে গাড়িচলাচল।দুই দিক থেকেই গাড়িচলাচল বনধ। হাই অ্যালার্ট জারি রয়েছে উত্তর প্রদেশে।

আরও পড়ুন: চলছে কৃষকদের ডাকে ভারত বনধ, আইন-শৃঙ্খলা লঙ্ঘন হলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ বিহার সরকারের

প্রায় তিন মাসের উপর হয়ে গেল নয়া কৃষিবিল বাতিলের উদ্দ্যেশে গোটা দেশ জুড়েই টানটান উত্তেজনা। বিক্ষোভ প্রথমে পাঞ্জাবে সীমাবদ্ধ ছিল। তার পর পরিস্থিতি জটিল হওয়ায় ‘দিল্লি চলো’ অভিযান চালায় কৃষকেরা। দিল্লি-হরিয়ানা-সিংঘু সীমান্তে কৃষকদের সঙ্গে একজোট হয়ে হাজার হাজার কৃষকেরা এই আন্দোলনে যোগদান করেন। বিতর্কিত এই কৃষি আইন সংশোধন করার জন্য, কিসান সংগঠনের আরেক নেতা দর্শন পাল বলেন, ” তাঁদের দাবি গুলো সরকার ধীরে ধীরে মেনে নিতে রাজি হচ্ছেন। তাহলে কেন এই বিল বলবত্‍ করার চেষ্টা হচ্ছিল।” তিনি আরও বলেন, ” আমরা চাই সরকার পুরনো কৃষি বিলকেই পুনর্বহাল করুক। তাতে যদি সরকার মনে করেন আমাদের উন্নতি হবে না, তাহলে দরকার নেই কোনও উন্নতির”

Related Articles

Back to top button
Close