fbpx
গুরুত্বপূর্ণদেশহেডলাইন

চিনের বিরুদ্ধে নয়া ‘কূটনৈতিক ফ্রন্ট’, ইতিহাসে প্রথমবার হংকং ইস্যুতে মুখ খুললো ভারত, জানুন

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্কঃ ইতিহাসে প্রথমবার হংকং ইস্যুতে মুখ খুললো ভারত। বুধবার জাতিপুঞ্জের মানবাধিকার কমিশনে হংকং নিয়ে ভারতের মন্তবয় উস্কে দিল নয়া জল্পনা। তবে কী এবার চিনের বিরুদ্ধে নয়া ‘কূটনৈতিক ফ্রন্ট’ খুলে ফেলল নয়াদিল্লি।

জানা গিয়েছে বুধবার জাতিপুঞ্জের মানবাধিকার কমিশনের ভারতের প্রতিনিধি রাজীব কুমার চান্দের হংকং বিদ্রোহ নিয়ে ভারতের অবস্থান গোটা বিশ্বর সামনে তুলে ধরেন। তিনি বলেন, Consulate General of India in Hong Kong  তথ্য অনুযায়ী, চিনের স্বায়ত্বশাসিত এলাকা হংকংয়ে কমপক্ষে ৩৮০০০ ভারতীয় বসবাস করে। তাদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে গোটা পরিস্থিতির ওপর তীক্ষ্ণ নজর রাখছে ভারত। তিনি আরও বলেন, হংকংয়ে বিগত সমস্ত ঘটনা নিয়েই উদ্বিগ্ন নয়াদিল্লি। তাই সমস্ত দলের কাছেই ইস্যুটির সঠিক ব্যবস্থা গ্রহনের আহ্বান জানিয়েছেন অ্যাম্বাসাডর চান্দের।

সম্প্রতি হংকং–এর ওপর ‘‌চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে’‌ জাতীয় নিরাপত্তা আইন। প্রতিবাদের কোমর ভাঙতে উদ্যত চিনা প্রশাসন। প্রতিবাদ বিরোধী এই আইনকে কাজে লাগিয়েই এবার ধরপাকড় ও বিদ্রোহীদের গ্রেপ্তার করা শুরু করল চিনা পুলিশ। গণতন্ত্রের দাবিতে স্বাধীন হংকং–এর পতাকা নিয়ে পথে নেমেছিলেন বহু হংকংবাসী। রবিবারের মতোই এই মিছিল আটকাতে সর্বশক্তি দিয়ে ঝাঁপিয়েছিল  চিনা  সশস্ত্র পুলিশ। নয়া জাতীয় নিরাপত্তা আইনের আওতায় গ্রেপ্তার করা হয় অন্তত ৩০ জন হংকংবাসীকে। ব্রিটেনের থেকে ১৯৯৭ সালে হংকং–এর ক্ষমতা পায় চিন। ৫০ বছরের জন্য হংকং–এর স্বাধীনতা রক্ষার দায় এড়িয়ে সম্প্রতি হংকংবাসীর জন্য নতুন জাতীয় নিরাপত্তা আইন নিয়ে আসে চিন। যেখানে বলা হয় বিচ্ছিনতাবাদ, সন্ত্রাসবাদ ও বিদেশের সঙ্গে সংঘবদ্ধ হয়ে অপরাধ করলে সর্বনিম্ন ৩ বছরের কারাদণ্ড ও সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন জেল হতে পারে। নতুন আইনে এ–ও বলা হয় প্রতিবাদীদের দ্বারা যদি জনপরিবহণ ক্ষতিগ্রস্থ হয়, তাহলে তা সন্ত্রাসবাদ হিসেবে বিবেচিত হবে।

ব্রিটেনও চিনের দমনমূলক নীতির কড়া সমালোচনা করেছে। যদিও এ সবে পাত্তা দিতে নারাজ চিনের বক্তব্য, তাদের দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক গলাচ্ছে ইউরোপ, আমেরিকা।

একদিকে ভারতের সঙ্গে লাদাখ সংঘাত থেকে দক্ষিণ চিন সাগরে আসিয়ান দেশগুলির সঙ্গে সামরিক সংঘাতে ইতিমধ্যেই জড়িয়ে চিন। এরমধ্যে এবার নতুন করে হংকং সংকট মাথা চাড়া দিয়ে ওঠায় জিংপিং প্রশাসনের মাথাব্যাথা আরও বাড়বে  বলেই মনে করছে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিকমহল।

পাশাপাশি এবার হংকং বিদ্রোহ নিয়ে ভারতের মুখ খোলায় ইস্যুটি নিয়ে চিনের অস্বস্তি আরও বাড়বে বলেই মত বিশেষজ্ঞদের।

 

 

.

 

 

Related Articles

Back to top button
Close