fbpx
গুরুত্বপূর্ণব্লগহেডলাইন

ভারতবর্ষ প্রকৃতপক্ষে হিন্দুফোবিয়ায় ভুগছে

রঞ্জন কুমার দে: পশ্চিমবঙ্গকে সর্বদাই ভাষা, সাহিত্য, সংস্কৃতির পরিবাহক মানা হতো কিন্তু কমিউনিস্ট আমল থেকে মমতা যুগ পর্যন্ত সনাতনী ভাবধারায় আঘাতের চিহ্নই পাওয়া গেছে।ধর্মীয় তোষণ পূর্ণ করতে পাঠ্যপুস্তকের আমূল পরিবর্তন ঘটিয়ে কচিকাঁচাদের কোমলমতি মনে হিন্দুফোবিয়ার বীজবোপনের নীরব চেষ্টা অব্যাহত।তাইতো প্রাথমিক পুঁথিগুলোতে রামধনু’র জায়গায় রংধনু, রামপুর হাঁটকে সরিয়ে রংধনু হাঁট, আকাশের জায়গায় আসমান করা হয়েছে।ভগবান “রাম” নামের সঙ্গে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের আত্মার এক আবেগ জড়িয়ে রয়েছে তাই হয়তো বারংবার ভারতবর্ষের সবচেয়ে পুরানো সংস্কৃতিকে ‘রাম’বাণে আঘাত করা হচ্ছে।

পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদের দৌলতে ‘অতীত ও ঐতিহ্যে’ নামের ষষ্ঠ শ্রেণীর ইতিহাস বইয়ে অতি সুপরিকল্পিতভাবে রামকে একটি কাল্পনিক এবং নেগেটিভ চরিত্রে উপস্থাপনা করা হয়েছে।বইটির একটি অংশে স্পষ্ট লেখা রয়েছে “রোমিং (Roaming)শব্দের অর্থ ঘুরে বেড়ানো।আবার সংস্কৃতিতে ‘রাম’ শব্দের একটা অর্থ হলো ঘোরা!তাই ইংরেজি শব্দে রোমিংয়ের সঙ্গে রামের মিল দেখে বোঝা যায় কোনও এক সময় যাযাবরের মতো ঘুরতে ঘুরতেই ভারতীয় উপমহাদেশে চলে এসেছিলো একদল লোক যাহারা ভারতের আদি বাসিন্দাদের হারিয়ে উত্তরে বসবাস শুরু করে।

পরে এই যাযাবর গোষ্ঠীর লোকেরা দক্ষিণের দিকেও যুদ্ধ শুরু করে এবং জেতে।রামায়ণ আসলে এই যুদ্ধ জেতা মানুষের গল্প এবং যেহেতু রাবণ ও তাঁর সঙ্গী সাথীরা যুদ্ধে পরাজিত হয়েছিলো তাই তাদের খারাপ অসুর বলে বর্ণনা করা হয়েছে রামায়ণে।” লকডাউনে ঘরে বসে দেশবাসীকে উপভোগ করাতে সরকার আশি দশকের জনপ্রিয় রামায়ণ, মহাভারতের সিরিজগুলো রিটেলিকাস্ট করায়।স্বভাবতই তথাকথিত সেকুলার, বামপন্থী ব্রিগেড তাদের মতো করে বিরোধিতা করতে থাকে।

বরিষ্ঠ আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণ রামায়ণ সিরিজ বন্ধের দাবিতে সুপ্রিম কোর্টের দরজায় কলকাঠি নাড়িয়েও ব্যার্থ হন।এই গ্যাঙেরই এক মিডিয়া হাউজ Times of India চরম বিরোধ প্রকাশ করতে গিয়ে তাদের এক সমীক্ষা রিপোর্টে জানায় দুরদর্শনে রামায়ণ সিরিজ সম্প্রচারিত হওয়ায় চোখের আঘাতের মতো ঘটনা নাকি চরম আকার বৃদ্ধি পেয়েছে।কারণ হিসেবে দেখানো হয়েছে ছোট্ট ছেলেমেয়েরা বাড়িতে তীর ধনুক বানিয়ে একে অপরের দিকে ছুঁড়ছে।দুরদর্শনে প্রচারিত রামায়ণ সিরিজ দর্শকের ভালোবাসায় বিশ্বরেকর্ড গড়ে নিন্দুকদের সঠিক জবাব সজোরে দিতে পেরেছে।

ভারতের প্রথম শ্রেণীর মিডিয়া হাউজগুলি অনেক আগে থেকেই কি পরিমাণ হিন্দু ফোবিক(হিন্দুদের প্রতি ঘৃণা/হিংসা) সংক্রমনে আক্রান্ত কয়েকটি উদাহরণে স্পষ্ট।ধর্ম নিরেপক্ষতার আড়ালে বামপন্থী-লিবারেল মানসিকতা হিন্দু ধর্মের প্রতিটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানকে হেয়,যুক্তিহীন, পরিবেশ বিরোধীরূপে উপস্থাপনা করার কোন কসরতই বাকি নেই।বামপন্থী মিডিয়াহাউজ ‘The Quint’ রঙের উৎসব হোলিতে প্রচার করে জলের অপচয়, ত্বকের ক্ষতি ইত্যাদি।দীপাবলিতে আলোর উৎসবে বাজি ফাঁটালে পরিবেশ দূষণ, শিবচতুর্দশীতে শিবলিঙ্গে দুধে ধৌত করলে গরিব শিশুরা অনাহারে মরে যায়।অথচ এই নিন্দুকেরাই নীরবতা পালন করে যখন উৎসর্গের নামে পুরো এক গবাদি পশুকে সেড়ে নেওয়া হয়, ক্রিস্টমাস-নিউ ইয়ারে বাজি পটকায় তাদের কিছু আসে যায় না।

মিডিয়াকে গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভ বলা হয় অথচ আজ কোন মিডিয়াহাউজ জাতীয়তাবাদী, স্পষ্ট, মৌলবাদীদের সাম্প্রদায়িকতার মুখোশ খোলার চেষ্টা করা হয় তৎক্ষণাৎ তাঁদের হিন্দুফোবিয়ার আক্রান্ত হয়ে ভুয়ো FIR, সস্ত্রীক খোলা প্রহার সহ্য করতে হয়।ঠিক তেমনি সাংবাদিক অর্ণব গোস্বামীকে পালঘর সন্ন্যাসী হত্যার সংবাদ পরিবেশনায় এবং একটি পুরানো দলের অধ্যাক্ষের রাজনৈতিক সমালোচনা করায় একই দুর্দশা পোহাতে হয়।জি মিডিয়ার চিফ নিউজ এডিটর সুধীর চৌধুরীর ‘DNA’ অনুষ্ঠানে আরবান নক্সাল, কাশ্মীর জঙ্গিবাদ, কেরলের নিষিদ্ধ কট্টরপন্থী সংঘটন পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়ার দেশ বিরোধী কার্যকলাপ তথা লাভ জেহাদ প্রকল্প এবং সিমির সঙ্গে তাদের যোগসূত্রতা,CAA এর সত্যতার পাশাপাশি সম্প্রতি জম্মু শহরে হিন্দুদের জমি দখলে অনৈতিক বস্তি গড়ে তোলে জম্মুকে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ শহর বানানোর নকশা উপস্থাপিত করেন।

এরপর থেকেই উনাকে জেহাদি গোষ্ঠীর একাধিক ভুয়ো FIR এবং বিভিন্ন হুমকির সামনা করতে হচ্ছে।কাশ্মীর এবং কেরলের মধ্যে বৈচারিক,কট্টরপন্থী,জেহাদি এবং বামপন্থী ভাবধারার স্পষ্ট সাদৃশ্য রয়েছে। তাই সুধীর চৌধুরীর সম্পূর্ণ রিপোর্টটি জম্মুতে ভূজেহাদের বিষয় হলেও FIR টি কেরালার বামপন্থী বিচারধারার সংগঠন All India Youth Federation এর এক সম্পাদক করেছেন। কেরল কিংবা কাশ্মীরে কেউ খোলাখুলি বন্দুক হাতে জেহাদ করছে কেউ বা কট্টরপন্থী চিন্তাধারায়।এই সমস্ত কট্টরপন্থী এলাকায় তদন্তে তিন ধরনের জেহাদি মডিউলের তথ্য সামনে উঠে এসেছে, যথাক্রমে কসারগোদ মডিউল,কন্নুর মডিউল এবং উমর উল -হিন্দ মডিউল।

মূলত এরাই লাভ জেহাদ ,জঙ্গি কার্যকলাপ এবং আজকাল নিরেপক্ষ মিডিয়ার টুঁটি চেপে ধরার চেষ্টা করছে।কমিউনিস্ট আদর্শ এবং কট্টর মৌলবাদী চিন্তাধারায় কেরল জঙ্গিদের মুক্ত বিচরণ কেন্দ্র হয়ে গড়ে উঠেছে।কাশ্মীরের জঙ্গিবাদ শুধু পাকিস্তান পর্যন্ত সীমাবদ্ধ থাকলেও কেরলের জেহাদি নেটওয়ার্ক সিরিয়া, আফগান, শ্রীলঙ্কা, বিভিন্ন আরবদেশ সহ সারা পৃথিবীতে বিস্তারিত।

প্রমাণস্বরূপ ২৫ মার্চ আফগানিস্তানের গুরুদ্বারে ২৫শিখ শ্রদ্ধালু হত্যার আতংকবাদী মহসিন কেরলের কসারগরের স্থায়ী বাসিন্দা।দেশের সুরক্ষা এজেন্সির সূত্রানুসারে গত কয়েক বছর থেকে কেরলের প্রায় ১০০ থেকে ১২০ জন যুবক জঙ্গিগোষ্ঠী ISIS এর সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।২০১৪ সালে প্রথম আইএসআইএসের সঙ্গে কেরলের জঙ্গি কানেকশন জনসম্মুখে উঠে যখন ১৭জন ভারতীয় আতংকবাদীর অধিকাংশই কেরলের বাসিন্দা ছিল।তারপর ২০১৬ সালে ২৬ সদস্যের নারী, শিশু সহ কেরলের একটি টিম আইএসআইএসে ভর্তির উদ্দেশ্যে সিরিয়ায় পাড়ি জমিয়েছিলো।

২০১৮ সালে আবার ইরাক ও সিরিয়ায় কেরলে ১০ জিহাদির সন্ধান পাওয়া গিয়েছিলো। কেরলকে বর্তমানে সন্ত্রাসের সবচেয়ে হটস্পট এই কারণেও মানা হয় ২০১৬ সাল থেকে Left Democratic Front এর সকারের আমলে বিজেপি-আরএসএসের প্রায় ১২০ জন কার্যকর্তাকে হত্যা করে দেওয়া হয়।এর আগেও কেরালাতে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন United Democratic Front সরকারে ৩৬টি রাজনৈতিক হত্যা হয়েছিলো।এই দুই ফ্রন্টের সরকার পালাক্রমে সরকার চালালেও গেরুয়া রাজনীতি মাথাচাড়া না দিতে রাজ্য সরকারের পৃষ্টপোষকতায় বিতর্কিত জঙ্গি সংগঠন Popular Front of India (PFI)এর দবদবা চলছে।কেরলের এই নগ্ন চিত্র সম্পাদনা করায় জাতীয়তাবাদী মিডিয়া হাউজগুলি জঙ্গিগোষ্ঠীর চক্ষুশূল হয়ে উঠেছে এবং ইসলাম ফোবিয়ার নতুন যুক্তি পেশ করছে।

ভারতকে ইসলামফোবিক প্রমাণ করার জন্য পাকিস্তানের আইটি সেল অনেক আগে থেকেই ভুয়ো সব আইডি থেকে মিথ্যে তথ্য প্রচার করে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন আরবদেশ সহ আন্তর্জাতিক পর্যায়ে জোর চেষ্টায় ছিলো।সম্প্রতি আল-কায়দা প্রধান আয়মান-আর-জাওয়াহিরি এক ভিডিও বার্তায় দেশের বিরুদ্ধে ভারতীয় মুসলমানদের জেহাদ ঘোষণার আহ্বান জানিয়েছে।ভারতে CAA এর লাগুকরণ,ধারা ৩৭০ এবং ৩৫(এ)র বিলুপ্তকরণ,জাতীয় মিডিয়ায় তাবলিগ জামাতের সমালোচনা নাকি জেহাদ ডাকের মূখ্য উদ্দেশ্যে।অথচ CAA তে কাহারো নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়ার কোন কথা বলা হয় নি,ধারা ৩৭০ এবং ৩৫(এ) ছিলো একটি সম্পূর্ণ অস্থায়ী বিধান যাহার সমাপ্তিতে দেশের সকল শ্রেণীর নাগরিকের ন্যায় সুনিশ্চিত হয়েছে, তাছাড়া ভারতবর্ষের মতো গণতান্ত্রিক দেশে স্বাভাবিকভাবে জাতীয় মিডিয়া তাবলিগদের সমালোচনা করতেই পারে।

মৌলবাদী গোষ্ঠীর এই সমস্ত অপপ্রচারে প্রভাবিত হয়ে Organisation of Islamic Cooperation (OIC)ভারতকে ইসলামফোবিক রাষ্ট্রে চিহ্নিত করেছে।একইভাবে ধার্মিক স্বতন্ত্রতা সম্পর্কিত মার্কিন সংস্থা United State Commission on International Religious Freedom (USCIRF) ২০২০ সালের প্রকাশিত তাদের একটি রিপোর্টে ভারতকে ধর্মীয় অসহিষ্ণুতায় ১৪ দেশীয় তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে ,কারণ হিসেবে দেখানো হয়েছে সেই পুরাতন ভুয়ো ইস্যুগুলো।

ভারতকে ইসলামফোবিয়ার অপপ্রচারে কিছু সংখ্যক সংখ্যালগু বুদ্ধিজীবী সম্প্রদায় এবং কমিউনিস্ট অপশক্তি সম্পূর্ণ দায়ী যাহারা সামান্য ইস্যুগুলোতে সময়ে সময়ে ভারতকে সাম্প্রদায়িকতার অসহিষ্ণুতার চিৎকারে মেতে উঠে;তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য নাসিরউদ্দিন শাহ, হামিদ আনসারী, আসাদুদ্দিন ওয়েসি প্রমূখ।

সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় এক খোলা চিঠিতে দিল্লির সংখালগু কমিশনের চেয়ারম্যান জাফরুল ইসলাম খান লিখেছেন-হিন্দুদের ওপর ধ্বংস নেমে আসবে যদি ভারতীয় মুসলিমরা আরবের বন্ধুদের কাছে অভিযোগ করে!উনার এই চিঠিতে বিতর্কিত ধর্মীয় প্রচারক জাকির নায়েককে প্রশংসার স্তবে ভাসিয়ে দেওয়া হয়েছে যিনি চলতি মে মাসে ঘৃণা ও ধর্মীয় ভেদাভেদ ছড়ানোর দায়ে ব্রিটেনের সম্প্রচার মন্ত্রকের নিয়ন্ত্রণ কমিটি দ্বারা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় তিন কোটি টাকার জরিমানিত হয়েছে।

পক্ষান্তরে জাতীয় সংখালগু কমিশনের চেয়ারম্যান খায়রুল হাসান রিজভী জাফরুলের কড়া নিন্দা করতে গিয়ে জানান মুসলিমরা ভারতকে স্বর্গ মনে করে ,উদ্দেশ্যেপ্রণীতভাবে ভারতকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বদনাম করার লক্ষ্যেই এইরূপ বিষেদাগার মন্তব্য। এই সমস্ত মন্তব্য দেশের দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করে সম্প্রতিতে ফাঁটল ধরাচ্ছে তাই তিনি তৎক্ষণাৎ জাফরুলের গ্রেফতারের দাবি করেছেন।

তথাকথিত ‘ইসলামফোবিয়া’র কৃত্রিম বাতাবরণ সৃষ্টিকারীদের উদ্দেশ্য করে কেন্দ্রীয় অল্পসংখ্যক কার্যমন্ত্রী মুক্তার আব্বাস নাকভি মন্তব্য করেন যে প্রকৃতপক্ষে ‘মোদিফোবিয়া’ ক্লাব প্রধানমন্ত্রী মোদির সবকা সাথ সবকা বিকাশে হজম না হয়ে দেশ ও বিদেশে অহেতুক ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা,সাম্প্রদায়িকতার দুস্প্রচারের ইঁদুর দৌড়ে।ভারতবর্ষে ধর্মের ভিত্তিতে কখনও ভালোবাসার মাফঝোক হয় নি তাইতো আব্দুল কালাম আজাদ, ইরফান খানদের প্রয়াণে জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই কেঁদেছে।

গত ৩০ এপ্রিল রাষ্ট্রসঙ্ঘের ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি থেকে অবসর নিয়েছেন IFS অফিসার সৈয়দ আকবরুদ্দিন যাহার নেতৃত্বে রাষ্ট্রসংঘ মুম্বাই হামলার মূল পান্ডা হাফিজ সৈয়দকে Global Terrorist ঘোষণা করা হয়,ধারা ৩৭০ইস্যুতে পাকিস্তানকে চাপে রাখা ইত্যাদি ইস্যু সাফল্যের সাথে কৃতকার্য হলেও নিজের চেয়ারের অপমর্যদা কোনদিন করেন নি।
সৈয়দ আকবরুদ্দিন,আব্দুল কালাম, ইরফান খানদের পদাঙ্ক অনুসরণ করে জাফরুল ইসলাম, হামিদ আনসারি, ওয়েসী, নাসিরউদ্দিন শাহদের শিক্ষা নেওয়া উচিত, অন্যতায় ভারতকে ইসলামফোবিয়ার অপবাদ দিয়ে কার্যত নিজের জাতি, সম্প্রদায়কেই সন্দেহভাজন এবং অপমানিত করার নামান্তর হবে।

(লেখকের মতামত নিজস্ব)

Related Articles

Back to top button
Close