fbpx
গুরুত্বপূর্ণদেশহেডলাইন

ফের বৃদ্ধির মুখ দেখবে ভারত, বিশ্ব বাজারকে পাখির চোখ করে আত্মনির্ভর হয়ে উঠবে দেশ, বার্তা মোদির

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: অর্থনীতি অবশ্যই ঘুরে দাঁড়াবে। ফের বৃদ্ধির মুখ দেখবে ভারত। কনফেডারেশন অব ইন্ডাস্ট্রি (‌সিআইআই)‌-এর বার্ষিক সম্মেলনে এই কথাই বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দেশের প্রথম দফা আনলকডাউন শুরু হওয়ার পর এই প্রথম ভারতের অর্থনীতি নিয়ে বক্তব্য রাখলেন মোদি। তুললেন ‘‌আত্মনির্ভর ভারত’‌-এর প্রসঙ্গ। বললেন, করোনা পরিস্থিতিকে পিছনে ফেলে সামনে হাঁটবে দেশ। তাঁর কথায়, ‘‌ভারতের মেধায় আমার পূর্ণ বিশ্বাস আছে, দেশের প্রযুক্তি, কৃষি, শিল্পে পূর্ণ আস্থা আছে’‌। তবে দেশবাসীর জীবনরক্ষাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন তিনি।

সংকট মোকাবিলায় ভারতের ক্ষমতা সমন্ধে আমি আশাবাদী। দেশীয় প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনে আমি আস্থা রাখি। দেশের কৃষক, এমএসএমই ও বিনিয়োগকারীদের আমার বিশ্বাস দৃঢ়। মোদি আরও বলেন, দেশের অর্থনীতিকে ঘুরে দাঁড় করানোর জন্যে সবরকম চেষ্টা করছে কেন্দ্রীয় সরকার। ইতিমধ্যেই ৫৩ হাজার কোটি টাকার আর্থিক সাহায্য করা হয়েছে। পরিযায়ী শ্রমিকদেরও পাশে আছে সরকার।’ভারতে থেকে বিশ্বের প্রত্যাশা বেড়েছে। করোনা মহামারীতে স্বাস্থ্য সরঞ্জাম দিয়ে ১৫০টি দেশকে সাহায্য করেছে ভারত। বিশ্বের প্রত্যেক দেশই এখন বিশ্বস্ত বন্ধুর সন্ধান করছে। শক্তি ও সম্ভাবনার বিচারে এ দেশের সেই সম্ভাবনা প্রকট।’

আরও পড়ুন: তেলেঙ্গানা রাজ্যের প্রতিষ্ঠা দিবসে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা

প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘একদিকে আমাদের নিরাপদ থাকা এবং ভাইরাসের বিস্তার নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করা দরকার, অন্যদিকে, আমাদের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। ‘ দেশের শিল্পক্ষেত্রকে আশ্বস্ত করে মোদি বলেছেন, বৃদ্ধি ফিরে পাওয়া এতটা কঠিন নয়।’ শিল্পপতিদের উদ্যোমী করে তোলার জন্য প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিল্পের জন্য এই সময় উত্থানের সময়। মোদি স্পষ্ট বার্তায় জানিয়েছেন, আমাদের এমন পণ্য তৈরি করতে হবে যা মেড ইন ইন্ডিয়া এবং মেড ফর দ্য ওয়ার্ল্ড হবে। পাশাপাশি মোদির দাবি, বিনিয়োগ এবং ব্যবসায়ের জন্য অনুকূল পরিবেশ ব্যবস্থা তৈরি করতে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে চলেছে সরকার।

করোনায় লকডাউন পরিস্থিতিতে দেশের রাস্তা বা ফুটপাথের বিক্রেতাদের জন্য বিশেষ প্রকল্পের সূচনা করল মোদি সরকার। সোমবার মাইক্রো ক্রেডিট স্কিম চালু করল কেন্দ্র সরকার। এই প্রকল্পে সহজ শর্তে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণের সুবিধা পাবেন ফুটপাথ বা রাস্তার বিক্রেতারা। করোনা পরিস্থিতিতে লকডাউনে রাস্তার দোকানিদের পাশে দাঁড়াতেই এই প্রকল্পের সূচনা করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। গরিব কল্যাণ যোজনার সুফল মিলেছে, বলে জানালেন তিনি। বললেন, ভারত লকডাউন পেরিয়ে আনলকের পথে হেঁটেছে, গোটা বিশ্বের কাছে দৃষ্টান্ত হয়ে উঠছে। পাশাপাশি আরও একবার ভারতে উত্‍পাদনের ওপর জোর দিয়েছেন। জানিয়েছেন, গোটা দুনিয়ার জন্য এবার জিনিস উত্‍পাদন করবে ভারত।

 

Related Articles

Back to top button
Close