fbpx
আন্তর্জাতিকগুরুত্বপূর্ণদেশহেডলাইন

রাষ্ট্রসঙ্ঘের সভায় কাশ্মীর ইস্যু নিয়ে সরব ইমরান, ভাষণ বয়কট করল ‘ক্ষুদ্ধ’ ভারত

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: রাষ্ট্রসঙ্ঘের জেনারেল অ্যাসেম্বলিতে বক্তব্য রাখতে গিয়ে হঠাত্‍ কাশ্মীর ইস্যু ও ভারত নিয়ে সমালোচনা করলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। পাক প্রধানমন্ত্রীর আচরণে ক্ষুব্ধ ভারতীয় প্রতিনিধি ভাষণ বয়কট করলেন রাষ্ট্রসংঘে ভারতের স্থায়ী মিশনের ফার্স্ট সেক্রেটারি মিজিতো ভিনিতো। শুক্রবার এমনই ঘটনার সাক্ষী থাকল নিউইয়র্কে জাতিসঙ্ঘের ৭৫তম অধিবেশনে হাজির দেড় শতাধিক দেশের কূটনীতিবিদরা।

ইমরানের সেই ভাষণে যথারীতি কাশ্মীর ইস্যুতে নাক গলান ইমরান। জম্মু ও কাশ্মীরের আইনসভার পরিবর্তন, সেখানে ভারতীয় বাহিনীর উপস্থিতি, সংখ্যালঘুদের প্রতি ব্যবহারের মতো বিষয় নিয়ে যথারীতি মুখ খোলেন পাক প্রধানমন্ত্রী। হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, কাশ্মীর একটি পারমাণবিক দ্বন্দ্বের জায়গায় পরিণত হয়েছে। আন্তর্জাতিক নিয়মের ভিত্তিতে কাশ্মীর ইস্যু সমাধান না হওয়া পর্যন্ত দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তি থাকবে না বলে মন্তব্য করেন ইমরান।

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী কাশ্মীর ও ভারত প্রসঙ্গে নিন্দা শুরু করতেই, ভার্চুয়াল সেশন থেকে ওয়াক-আউট করেন রাষ্ট্রসঙ্ঘে ভারতের স্থায়ী মিশনের ফার্স্ট সেক্রেটারি মিজিতো ভিনিতো। ট্যুইটারে তিরুমূর্তি লেখেন, ‘পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর বিবৃতি এক ধরনের নতুন নীচু মানের কূটনীতি। পাকিস্তানে সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার ও সীমান্ত সন্ত্রাস থেকে বিশ্বকে বিভ্রান্ত করতে বিরক্তিকর, বিদ্বেষপূর্ণ মিথ্যে, ব্যক্তিগত আক্রমণ, যুদ্ধে উস্কানিমূলক বিবৃতি। কড়া জবাব আসছে।’ ভারত এরপর পাকিস্তানকে জানায়, জম্মু-কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল আছে ও থাকবে। এটি ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়।

আরও পড়ুন: করোনা আবহে আজ জাতিসঙ্ঘের ৭৫তম অধিবেশনে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

এ দিন রাষ্ট্রসঙ্ঘে বিবৃতিতে ইমরান খান বলেন, বিভিন্ন দেশে ‘ইসলামোফোবিয়া’ বাড়ছে। মুসলমানদের খুন করা হচ্ছে, মসজিদ ভাঙা হচ্ছে। Covid-19 অতিমারির আবহে ধর্মীয় বিদ্বেষ ছড়ানো চলছে। পাক সংবাদপত্র ডন-এ প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, ইমরানের বক্তব্য, ভারত তাদের অভ্যন্তরীণ সমস্যা থেকে নজর ঘোরাতে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সেনাকে ব্যবহার করছে। এ দিনই মানবাধিকার কাউন্সিলে ৪৫তম সেশনে ভারত বলে, পাকিস্তানের অন্যকে নিয়ে মিথ্যে প্রচার করা উচিত নয়। মনে রাখতে হবে, সবচেয়ে খারাপ মানবাধিকার লঙ্ঘন ও মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ হল সন্ত্রাসবাদ।

কেন্দ্রীয় বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র অনুরাগ শ্রীবাস্তব বলেন, ‘পাকিস্তানের এই ধরনের কাজ নির্লজ্জের মতো আয়োজক দেশের অ্যাডভাইসরিকে অমান্য করার সামিল। এবং বৈঠকের নিয়ম লঙ্ঘন করা। আয়োজকের সঙ্গে আলোচনার পরেই ভারতের প্রতিনিধিরা প্রতিবাদ জানিয়ে মিটিং ছেড়ে বেরিয়ে যান। আশা মতোই পাকিস্তান ওই বৈঠকে একটি বিভ্রান্তিকর মত পোষণ করতে চেয়েছিল।’

Related Articles

Back to top button
Close