fbpx
গুরুত্বপূর্ণদেশহেডলাইন

দ: এশিয়ার নিয়ন্ত্রণ, বঙ্গোপসাগরের ১০৬২টি দ্বীপে নৌ-বায়ুসেনা ঘাঁটি গড়ছে ভারত

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: চিনের পাল্টা ভারতও নিজেদের জলসীমার মধ্যে থাকা ১০৬২টি দ্বীপে সামরিক পরিকাঠামো শক্তিশালী করার পরিকল্পনা করেছে ভারত৷ শুধুমাত্র যুদ্ধবিমান বহনে সক্ষম যুদ্ধজাহাজ কেনার পথে না হেঁটে পূর্বদিকে আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ এবং পশ্চিমে লাক্ষাদ্বীপে নিজেদের পরিকাঠামো উন্নতির দিকে জোর দিয়েছে ভারতের নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা৷ ভারতের পরিকল্পনাই হল, আরব সাগর এবং বঙ্গোপসাগরের উপরে থাকা এই দ্বীপগুলিতে বিমানঘাঁটি গড়ে তোলা৷ যাতে প্রয়োজনে সেখান থেকেই যুদ্ধবিমান ওঠানামা করতে পারে৷

সম্প্রতি প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে জানানো হয় হয়েছে, ভারতীয় নৌবাহিনী এই আগ্রাসী অবস্থান নেওয়ার পরই চিনের তিনটি যুদ্ধজাহাজ গাল্ফ অফ এডেন-এ নিরাপদ দূরত্বে সরে গিয়েছে৷ পাশাপাশি মালাকা প্রণালী হয়ে তাদের ঘাঁটির দিকে ফিরে গিয়েছে চিনের আরও তিনটি যুদ্ধজাহাজ৷ নৌবাহিনীর এক কমান্ডারের কথায়, ‘ইন্দোনেশিয়া হয়ে একটি চিনা যুদ্ধজাহাজ ভারত মহাসাগরে প্রবেশ করছিল৷ কিন্তু ভারতীয় নৌবাহিনী যেকোনও পরিস্থিতির জন্য তৈরি বুঝে সেটিও নিজের অভিমুখ ঘুরিয়ে নেয়৷’

মায়ানমার, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, ইরান এবং পূর্ব আফ্রিকার একাধিক বন্দরে নিজেদের দখলদারি এবং উপস্থিতি বাড়িয়েছে চিনা নৌবাহিনী৷ তাদের উদ্দেশ্যই হল ভারতীয় নৌবাহিনীকে চাপে রাখা৷ একই সঙ্গে মার্কিন এবং ব্রিটিশ ও ফরাসি নৌবাহিনীর উপর নজর রাখতেও এই কৌশল নিয়েছে চিনের নৌবাহিনী৷

গত জুন মাসে লাদাখে চিনা সেনার সঙ্গে সংঘাতের পর সমুদ্রে চিনকে এক ইঞ্চি জমিও ছাড়তে নারাজ ভারতীয় নৌসেনা। তাই আরব সাগর থেকে ভারত মহাসাগর হয়ে বঙ্গোপসাগর বিস্তীর্ণ সমুদ্র এলাকায় নজরদারি ও কৌশলগত অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করতে ভারত। নজর বাড়ানো হয়েছে মালাক্কা প্রণালী ও আফ্রিকা উপকূলেও।

পাশাপাশি গত ১৬ জুলাই দক্ষিণ চিন সাগর নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করল ভারত। দক্ষিণ চিন সাগর শুধুমাত্র চিনের নয়, এটি বিশ্বের সমস্ত দেশের অধিকার রয়েছে। গত বৃহস্পতিবার এমনটাই জানানো হয়েছে ভারতীয় বিদেশমন্ত্রক এর পক্ষ থেকে।  ভারতের মঞ্চে অবতীর্ণ হওয়ার ফলে সমুদ্র যুদ্ধেও এবার করা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হলো চিনকে এমনটাই মনে করছে আন্তর্জাতিক মহল।

Related Articles

Back to top button
Close