fbpx
কলকাতাহেডলাইন

অতিমারিকে স্মরণীয় করে রাখতে স্বাধীনতা দিবসে বিশেষ স্ট্যাম্প প্রকাশ করবে ডাকবিভাগ

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: অতিমারিকে স্মরণীয় করে রাখতে ডাকটিকিট, স্পেশ্যাল কভার, ক্যানসেলেশন স্ট্যাম্প প্রকাশ করছে ভারতীয় ডাকবিভাগ। বাংলার কোভিড যোদ্ধাদের সম্মানে স্বাধীনতা দিবসের দিন বিশেষ স্ট্যাম্প প্রকাশ করবে ডাকঘর। স্বাধীনতা দিবসের দিন ঐতিহাসিক জিপিও’র রোটান্ডায় একটি বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। সেই অনুষ্ঠান থেকেই বাংলার কোভিড যোদ্ধাদের প্রতি সম্মান জানিয়ে এই স্ট্যাম্প প্রকাশ করা হবে। এর আগে স্প্যানিশ ফ্লু নিয়ে স্ট্যাম্প প্রকাশ করেছিল ডাকবিভাগ। এবার এই কোভিড ১৯ বা করোনা অতিমারীর সময়ে তাকে মনে রেখে স্ট্যাম্প, স্পেশাল কভার এবং ক্যানসেলেশন স্ট্যাম্প প্রকাশ করা হচ্ছে। এমনটাই জানালেন পশ্চিমবঙ্গ সার্কেলের চিফ পোস্টমাস্টার জেনারেল মারভিন আলেকজান্ডার।

ওয়েস্ট বেঙ্গল সার্কেলের চিফ পোস্টমাস্টার জেনারেল মারভিন আলেকজান্ডার জানিয়েছেন, “বাংলার চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী, পুলিশ, পুরকর্মী, ডাককর্মী-সহ কোভিডের বিরুদ্ধে লড়াই করা সমস্ত ফ্রন্টলাইন ওয়ারিয়রদের সম্মানে এই স্মারক উদ্বোধন করা হচ্ছে। “১৯২০ সালে স্প্যানিশ ফ্লু নিয়ে ব্রিটিশ ভারতে স্পেশ্যাল কভার প্রকাশিত হয়েছিল। তারপর কোনও মহামারী বা রোগ নিয়ে কোনও ডাক স্মারক প্রকাশিত হয়নি। সেই হিসাবে এটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ। যার শরিক হলেন বাংলার কোভিডযোদ্ধারা।” প্রথম পর্বে এক হাজার কপি স্পেশ্যাল কভার ছাপানো হচ্ছে। জিপিও থেকে ২০ টাকার বিনিময়ে যে কেউ এই কভার সংগ্রহ করতে পারবেন। অনলাইনে যাতে পাওয়া যায় তারও ব্যবস্থা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: হলিউড ছবির অনুকরণে বিরসার ওয়েব সিরিজ, পরম, স্বস্তিকা ও রাইমা!

আলেকজান্ডার জানালেন, ১৫ আগস্ট স্পেশ্যাল কভার প্রকাশ করার রেওয়াজ নতুন কিছু নয়। কিন্তু এবারের ৭৪তম স্বাধীনতা দিবস একেবারেই অন্যরকম। গোটা দেশের সঙ্গে বাংলাও প্রাণপন লড়ছে কোভিডের বিরুদ্ধে। ডাক্তার, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী, পুরকর্মী, সরকারি অফিসার এমনকী ডাকবিভাগের কর্মীরাও নিজেদের জীবন বাজি রেখে অতিমারির মোকাবিলায় নেমেছেন। এই লড়াইকে স্মরণীয় করে রাখার জন্যই এবার অন্যপথে হাঁটা। কভারে পিপিই পরা ডাক্তারের ছবি, মাইকিং করা পুলিশের ছবি, পার্সেল পৌঁছে দেওয়া ডাককর্মীর ছবি থাকছে বলে সূত্রের খবর। তবে এবার স্পেশ্যাল কভার, ডাকটিকিটের সঙ্গে ক্যানসেলেশন স্ট্যাম্পও তৈরি করা হচ্ছে। এই খবরে উৎসাহিত ডাক টিকিট সংগ্রাহকরা। তাঁদের মত, এটা ঐতিহাসিক পদক্ষেপ। একশো বছরে এমন অতিমারি একবার আসে। এই ডাকটিকিট সংগ্রহ করার মতো। খুশি চিকিৎসকরা।

 

 

 

 

Related Articles

Back to top button
Close