fbpx
দেশহেডলাইন

ভারতের সীমান্ত পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে : সেনাপ্রধান

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: কয়েক সপ্তাহ ধরেই দফায় দফায় চীনের সঙ্গে বৈঠক চলছে ভারতীয় সেনার। কিন্তু এই আলোচনা নিয়ে ভারতের তরফ থেকে এখনও কোনও বিবৃতি দেয়নি সেনারা। যে কারণে ইতিমধ্যেই দেশের অভ্যন্তরে শুরু হয়ছে রাজনৈতিক তরজা। যার ফলে অবশেষে শনিবার ভারতীয় সেনার পক্ষ থেকে ইন্দো-চিন বৈঠক নিয়ে মুখ খোলেন সেনা প্রধান এমএম নারভানা।চিন বরাবর ভারতের সীমান্ত পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আলোচনার মাধ্যমে স্থিতাবস্থা আসবেই। জানিয়ে দিলেন সেনাপ্রধান এমএম নারভানা।

শনিবার সকালে দেহরাদূনের ইন্ডিয়ান মিলিটারি একাডেমিতে ভারতীয় সেনায় যোগ দেন ৩৩৩ জন অফিসার। তার আগে প্যারেডে অংশ নেন ৪২৩ জন অফিসার। পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সেনাপ্রধান জানান, ‘আমি প্রত্যেককে আশ্বস্ত করতে চাই, চিন বরাবর আমাদের সীমান্ত পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। কর্পস কমান্ডার স্তরে আমরা লাগাতার আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি এবং স্থানীয় স্তরে কমান্ডার ও সম পদমর্যাদায় বৈঠক চলছে।’ সেনাপ্রধান আরও জানান, অনভিপ্রেত ঘটনা ঘটেছে ঠিকই, তবে আমরা আশাবাদী আলোচনার মাধ্যমে স্থিতাবস্থা আসবে। সমস্ত কিছুই নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আমার ওদের সঙ্গে কথা চালিয়ে যাচ্ছি। কর্পস কমান্ডার স্তরের পর মেজর জেনারেল পর্যায়েও আলোচনা হয়েছে। ফলস্বরূপ, উত্তেজনা কমেছে। এবং আমরা আশাবাদী যে চলমান আলোচনার মধ্য দিয়ে আমরা (ভারত এবং চিন) সব কিছু মিটে যাবে। সব কিছুই নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।”

সেনা প্রধান আরও বলেন যে উভয় পক্ষ পর্যায়ক্রমে সেনা পিছিয়েছে। আমরা উত্তর থেকে শুরু করেছি, গালওয়ান নদী অঞ্চল থেকে সেনা পিছিয়ে এসেছে। দুই দেশের ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। এবং এটি অব্যাহত থাকবে এবং আলোচনা এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতির উন্নতি হবে।”

আরও পড়ুন: ‘মোদিজীর উচিত ভার্চুয়াল জগত মাটিতে নেমে আসা’: অধীর

ভারত-নেপাল সম্পর্কের বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে সেনা প্রধান বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার দুই দেশের সম্পর্ক মজবুত রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও তাই থাকবে। নেপালের সাথে আমাদের খুব মজবুত সম্পর্ক রয়েছে। আমাদের ভৌগলিক, সাংস্কৃতিক, ঐতিহাসিক, ধর্মীয় যোগসূত্র রয়েছে। মানুষে মানুষে যোগ রয়েছে। নেপালের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক বরাবরই মজবুত। ভবিষ্যতেও তাই থাকবে।” জম্মু ও কাশ্মীর নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, “গত ১০ দিন ধরে আমরা সাফল্য অর্জন করছি। গত ১০-১৫ দিনের মধ্যে ১৫ জন জঙ্গিকে খতম করা সম্ভব হয়েছে। জম্মু ও কাশ্মীরের নিরাপত্তা রক্ষীদের সঙ্গে সবরকম সহযোগিতার ফলে এটি সম্ভব হয়েছে। এই অভিযানগুলির মধ্যে বেশিরভাগের তথ্যই স্থানীয়রা দিয়েছিলেন । যা থেকে বোঝা যায়, সন্ত্রাসবাদ নিয়ে তাঁরাও বিরক্ত।”

Related Articles

Back to top button
Close