fbpx
আন্তর্জাতিকগুরুত্বপূর্ণবাংলাদেশহেডলাইন

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় শান্তি ও স্থিতিশীলতা বিনষ্টের নেপথ্যে চিন: ক্ষুব্ধ বাংলাদেশের নাগরিক মহল

নিজস্ব সংবাদদাতা, ঢাকা : দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় সম্প্রসারণবাদের মাধ্যমে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বিনষ্ট করার অপচেষ্টা চালানোর জন্য চিনকে অভিযুক্ত করেছে বাংলাদেশের সচেতন নাগরিক কমিটির নেতৃবৃন্দ। পাশাপাশি ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী সম্পর্ক আরও জোরদার ও ক্রান্তিকালে যোগাযোগ আরও বাড়ানোর আহবান জানিয়েছে।

শুক্রবার ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সচেতন নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. নিমচন্দ্র ভৌমিক। বক্তব্য রাখেন মুক্তিযোদ্ধা নেতা মোহাম্মদ সালাউদ্দিন, অধ্যাপক কাজল আলী, সাংবাদিক বাসুদেব ধর, জনপ্রতিনিধি চিত্তরঞ্জন দাশ, গণসংগঠনের নেতা মতিলাল রায় প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশ অভিন্ন ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির বন্ধনে আবদ্ধ। মুক্তিযুদ্ধে একসাথে রক্তদানের মাধ্যমে এই সম্পর্ক আরও শক্ত ভিত্তি পেয়েছে। আমরা সকলের সঙ্গে, বন্ধুত্ব চাই, যারা আমাদের অভিন্ন আদর্শ ও নীতিমালার সঙ্গে ঐকমত্য পোষন করে। পাকিস্থান আমলে এবং মুক্তিযুদ্ধে চিন পাকিস্তানকে সরাসরি সমর্থন করেছে, চিনা অস্ত্রে লক্ষ লক্ষ বাঙালী প্রান হারিয়েছে। এই অঞ্চলে পাক জঙ্গি তৎপরতাকে চীন সক্রিয় সহায়তা করে। মিয়ানমারকে প্রত্যক্ষ মদদ দিয়ে ১১ লাখ রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দিতে বাধ্য করেছে। অন্যদিকে চিন আভ্যন্তরীণভাবে উইঘর মুসলমানদের ওপর অত্যাচার চালাচ্ছে, তাদের নাগরিক অধিকার হরণ করেছে।

বর্তমানে করোনা পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, চিন থেকে উৎপত্তি করোনা ভাইরাসে বিপর্যয় নেমে আসায় সারা বিশ্ব কোণঠাসা হয়ে পড়ে। চিন এখন আগ্রাসী মনোভাব নিয়ে সংঘাতের দিকে এগতে চাইছে, শান্তি বিঘ্নিত করতে চাইছে।
বক্তারা বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ বিভিন্ন ক্ষেত্রে উন্নয়নের পাশাপাশি ¯া^ স্থ্য ক্ষেত্রেও উল্লেখযোগ্য উন্নতি করেছে। প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনায় করোনা যুদ্ধেও বাংলাদেশ ইতিবাচক ভূমিকা পালন করছে।
অন্যদিকে উল্লেখ করতেই হয়, আমাদের দেশের যারা চিকিৎসার জন্য বিদেশে যান তাদের বেশির ভাগ যান ভারতে, সামর্থবান যারা তারা যান থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর কিংবা যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশের মানুষের চিনে যাওয়ার কোন প্রবণতা নেই।
তাই স্বাভভাবিকভাবে করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে চিনা মেডিক্যাল দলের কোন প্রয়োজন আছে বলে মানুষ মনে করে না।
বক্তারা আরো বলেন, চিন নিজ দেশে মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার পদদলিত করে অন্য অঞ্চল দখলের চেষ্টায় মরিয়া হয়ে উঠেছে।

স্বাধীনতাকামী মানুষের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছে। বাংলাদেশের সকল গণতান্ত্রিক শক্তি এবং শান্তি ও স্থিতিশীলতায় বিশ্বাসী সকল মানুষকে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহবান জানান বক্তারা।

Related Articles

Back to top button
Close