fbpx
আন্তর্জাতিকগুরুত্বপূর্ণদেশহেডলাইন

দক্ষিণ চিন সাগরে ড্রাগণের রক্তচক্ষু! পরিস্থিতি পর্যালোচনায় ‘বন্ধু’ ভারতের দ্বারস্থ ভিয়েতনাম

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: ক্রমেই বাড়ছে ড্রাগণের খিদে! তাই ক্ষুদার জ্বালায় এবার দক্ষিণ চিন সাগরেও চোখ রাঙাচ্ছে চিন। সমুদ্র সংলগ্ন দ্বীপে ফাইটার জেট মোতায়েন করেছে বেজিং।যদিও ইতিমধ্যেই পরিস্থিতি বিচার করে ভারতকে এব্যাপারে সতর্ক করে দিয়েছে বন্ধু ভিয়েতনাম। সম্প্রতি ভারতে নিযুক্ত ভিয়েতনামের রাষ্ট্রদূত দেখা করেন ভারতের বিদেশ সচিব হর্ষবর্ধন শ্রিংলার সঙ্গে। সেই বৈঠকেই দক্ষিণ চিন সাগরে বেজিংয়ের তত্‍পরতা নিয়ে দিল্লিকে সতর্ক করে দিয়েছেন তিনি।

চিনা চোখ রাঙানিতে বিরক্ত ভিয়েতনামও। বিদেশ সচিব শ্রীংলার সঙ্গে একান্ত বৈঠকে সেকথা স্পষ্ট করে দিয়েছেন ভিয়েতনামের রাষ্ট্রদূত। দক্ষিণ চিন সাগরের পার্সেল দ্বীপপুঞ্জ এলাকায়  চিনা আগ্রাসনে রবিরুদ্ধে বিরক্ত ভিয়েতনাম। শুক্রবারের বৈঠকে  এমনটাই জানিয়েছে ভিয়েতনাম।

ভিয়েতনামের দাবি, দক্ষিণ চিন সাগরের ওই দ্বীপাঞ্চল তাঁদের। আদৌ ওই এলাকা চিনের আওতায় পড়ে কিনা তা নিয়ে একাধিক প্রশ্নচিহ্ন রয়েছে। কিন্তু সেসবের তোয়াক্কা না করে দিনের পর দিন জলভাগের ওই এলাকায় আধিপত্য বাড়িয়ে চলেছে জিনপিং প্রশাসন। শুধু ভিয়েতনামই নয়, দীর্ঘদিন থেকে ওই সমুদ্র জলপথনিয়ে ফিলিপিন্সের সঙ্গে বিবাদে লিপ্ত বেজিং। ২০১৬ সালে বিষয়টিকে নিয়ে  নেদারল্যান্ডের আন্তর্জাতিক আদালতেরও দ্বারস্থা  হয়েছিল তদকালীন ফিলিপিনো সরকার।

জানা গিয়েছে, দক্ষিণ চিন সাগরে আনাগোনা বেড়েছে আমেরিকার যুদ্ধ বিমানের। সক্রিয় করা হয়েছে ইউএসএস নিমিৎজকেও। সেই তত্‍পরতা চোখে পড়তেই নড়েচড়ে বসে চিন।তড়িঘড়ি মার্কিন বাহিনীকে পালটা জবাব দিতে ওই এলাকায় ফাইটার জেট মোতায়েন করেছে জিনপিং প্রশাসন। দক্ষিণ চিন সাগর এলাকায় কারও একার আধিপত্য নেই বলে মনে করে ভারত। ইতিমধ্যেই ওই এলাকাটি নিয়ে বিবৃতি দিয়ে অবস্থান স্পষ্ট করেছে দিল্লি।

এদিকে, দক্ষিণ চিন সাগরের দ্বীপে চিনের বোমারু বিমান ও ফাইটার জেট মোতায়েন করার ব্যাপারে নির্দিষ্ট তথ্য পেয়ে নড়েচড়ে বসেছে ভারতও।

চিনা চোখ রাঙানির মোক্ষম জবাব দিতে ভারতের তত্‍পরতা তুঙ্গে। যে কোনওরকম পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে সক্ষম ভারতের তিন বাহিনী। ইতিমধ্যেই নৌবাহিনীকে চূড়ান্ত সতর্ক থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ভারতীয় নৌ-সেনার পক্ষ থেকে। এশিয়ার ভারত-চিনের মধ্যে সংঘাত দক্ষিণ এশিয়ায় সীমাবদ্ধ না থেকে এশিয়া-প্যাসিফিক এলাকায় সক্রিয় ভাবে ছড়িয়ে পড়বে কিনা সেটাই দেখার।

উল্লেখ্য, ৭০ এর মার্কিন আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ভিয়েতনামকে সমর্থন করেছিল ভারত। পরবর্তীতে চিনের বিরুদ্ধে যুদ্ধেও ভিয়েতনামের পাশে দাঁড়িয়েছিল নয়াদিল্লি। অতীত থেকে বর্তমান আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ভারত-ভিয়েতনাম এক বন্ধুত্বের নাম।

Related Articles

Back to top button
Close