fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

স্ক্রাব টাইফাসের সংক্রমণ বৃদ্ধি পাচ্ছে রাজ্যে, সঠিক সময়ে চিকিৎসার পরামর্শ দিলেন বিশেষজ্ঞ প্রবীর ভৌমিক

বাবলু ব্যানার্জি, কোলাঘাট: করোনার আতঙ্ক রাজ্যজুড়ে, সেইসঙ্গে ডেঙ্গির প্রাদুর্ভাব তার সঙ্গে নতুন সংযোজন স্ক্রাব টাইফাসের আতঙ্ক। ডেঙ্গি স্ক্রাপের জোড়া আক্রমণ চিকিৎসকদের যেমন চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে সেই সঙ্গে স্বাস্থ্য দফতরের কর্তাদের বেশ চিন্তায় ফেলেছে। ইতিমধ্যে চারপাঁচটি জেলার সঙ্গে পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় হানা দিয়েছে এই স্ক্রাব টাইফাস। চিকিৎসক থেকে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের কর্তারা এ বিষয়ে সচেতন বাড়ানোর জন্য জেলা গুলিকে পরামর্শ দিয়েছে।

শুশ্রূষা শিশু সেবা নিকেতন এর বৈশিষ্ট শিশু চিকিৎসক প্রবীর ভৌমিক এর সঙ্গে কথা বলা হলে তিনি  বলেন পূর্ব মেদিনীপুর জেলার বুরারী গ্রামে পাঁচ বছরের শাহবাজ খান এর খুব জ্বর হয়। করোনার ভয়ে প্রথমটা চেপে গেলেও অবস্থার অবনতি দেখে ভর্তি করান বাবা-মা। পরীক্ষার পর ধরা পরে স্ক্রাব টাইফাস আর ডেঙ্গির জোড়া সংক্রমণ শিশুটির শরীরে রয়েছে। শিশুটি পেডিয়াট্রিক ইনসেনটিভ কেয়ার ইউনিটে চিকিৎসাধীন।গত একমাসে স্ক্রাব টাইফাসে দশটির মত কেস ধরা পড়েছে। তারমধ্যে ডেঙ্গি স্ক্রাব টাইফাস একসঙ্গে হওয়ায় নতুন করে ভাবনার মধ্যে ফেলেছে।

বেশ কয়েক বছর ধরে সারা রাজ্যজুড়ে এক ধরনের মাকড়সার কামড় থেকে ছড়ানো ব্যাকটেরিয়া ঘটিত রোগ স্ক্রাব টাইফাস। জেলা কেন্দ্রিক এই রোগের দাপট বেশি থাকলেও এখন শহরকেন্দ্রিক এলাকাতেও ছড়িয়ে পড়ছে স্ক্রাব টাইফাস। তথ্য বলছে জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় এক হাজারের মতো শিশুও প্রাপ্ত বয়স্কদের মধ্যে এই রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটেছে। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রের খবর এই রোগে এখনো পর্যন্ত কোনো রোগীর মৃত্যু  হয়নি।

আরও পড়ুন: মেয়ের মোবাইল কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ, প্রতিবাদ করায় বাবাকে পিটিয়ে খুন

শ্রী ভৌমিক বলেন ঠিক সময় ধরা পড়লে সাধারণ চিকিৎসায়  সুস্থ হয়ে যাওয়া সম্ভব। রোগ বেশ কিছুদিন অধরা হয়ে থাকলে সমস্যা বাড়তে পারে, সংক্রমণ দেহের মধ্যে বৃদ্ধি ঘটলে  মৃত্যু পর্যন্ত ও হতে পারে। বর্তমান সময়ে করোনাভাইরাস এর আতঙ্কের পাশাপাশি এই রোগ নিয়েও আমাদেরকে সর্বদা সচেতন থাকতে হবে। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার স্বাস্থ্য আধিকারিক নিতাই চরণ মণ্ডল বলেন  সমস্ত স্বাস্থ্যকেন্দ্র সহ চিকিৎসার সঙ্গে যুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলিতে সচেতনতা বাড়াতে বলা হয়েছে।  এই রোগ নিয়ে স্বাস্থ্য দপ্তর সর্বদা সতর্ক দৃষ্টি রেখছে।

Related Articles

Back to top button
Close