fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

আমফানে ঘর ছাড়া পাখিদের ঘরে ফেরানোর উদ্যোগ, সুন্দরবনের জঙ্গলে লাগানো হচ্ছে মাটির ভাঁড়

বাবলু প্রামানিক, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: শহরের থেকে গ্রামের পরিবেশ বিশেষ করে সুন্দরবনের পরিবেশ দূষণমুক্ত। সেই দূষণমুক্ত পরিবেশে নানান রং বেরংয়ের পাখিদের আনাগোনা ছিল আর সুন্দরবনের পাখিদের বাঁচাতে ম্যানগ্রোভ গাছে কৃত্রিম বাসা নির্মাণ করার কাজ শুরু করল স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী থেকে গ্রামবাসীরা, সহযোগিতায় এলাকার প্রধান। সুন্দরবনের ম্যানগ্রোভ জঙ্গলে পাখির বাসা তৈরি করে দেওয়ার কর্মসূচি নিয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা প্রশাসন। জেলার ‘এমজিএনআরইজিএ’ দপ্তরের মধ্যমে সুন্দরবনের নদী সংলগ্ন এলাকার ম্যানগ্রোভ গাছে গাছে পাখির কৃত্রিম বাসা বানিয়ে দেওয়ার কাজ চলছে।

[আরও পড়ুন- বীজপুর থানার আইসি বদল, নিখোঁজ ব্যক্তিদের সন্ধানে উত্তরবঙ্গে বদলি]

শুক্রবার ক্যানিং-১ ব্লকের নিকারীঘাটা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় সাড়ে ৫০০ বাসা বানানো হয়েছে। ‘আমফান’ ঝড়ে প্রচুর মানুষের বাড়িঘর ভেঙে পড়েছে। বড়বড় গাছের ডালপালা ভেঙে পাখির বাসা নষ্ট হয়ে গিয়েছে। নষ্ট হয়ে গিয়েছে অসংখ্য ডিম এবং মারা গিয়েছে সদ্যজাত ছানারা।  এই ঘটনায় ব্যথিত হয়েছিলেন নিকারীঘাটা গ্রাম পঞ্চায়েতের মহিলা প্রধান তাপসী সাঁফুই সহ এলাকায় স্কুলের বেশকিছু ছাত্র-ছাত্রীরা। তিনি বলেছেন ‘আমফান ঝড়ে মানুষের প্রচুর বাড়িঘর ভেঙে গিয়েছে। তারা সরকারিভাবে ঘরের ক্ষতিপূরণ পেয়েছে। সাথে সাথে পশু পাখিদের অবস্থান নষ্ট হয়ে গিয়েছে। তাই আমরা পাখিদের কৃত্রিম বাসা বানিয়ে দেওয়ার কর্মসূচি নিয়েছি।

আপাতত আমাদের এক হাজার বাসা তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে।’ এই বাসা তৈরির কাজটা করছেন মূলত একশো দিনের কাজের সঙ্গে যুক্ত ম্যানগ্রোভ শ্রমিকরা। তাঁদের পরিবারের স্কুল পড়ুয়া ছেলেমেয়েদের নিয়ে গাছে গাছে মাটির ভাঁড়ের বাসা বাঁধা হয়েছে।

 

Related Articles

Back to top button
Close