fbpx
কলকাতাহেডলাইন

মমতার অনুপ্রেরণাতেই মহুয়ার ভাষা এতো অমার্জিত: অগ্নিমিত্রা

শরণানন্দ দাস, কলকাতা: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও রাজ্যপালের পত্রযুদ্ধের মাঝে জড়িয়ে পড়ে বিতর্ক বাড়ালেন তৃণমূল কংগ্রেসের কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্র। বস্তুত রাজ্যপালকে নজির বিহীনভাবে আক্রমণ করায় গেরুয়া শিবিরের তোপের মুখে পড়েছেন তিনি। বিজেপি নেত্রী অগ্নিমিত্রা পালের কটাক্ষ ‘মুখ্যমন্ত্রীর অনুপ্রেরণাতেই কৃষ্ণনগরের সাংসদদের ভাষা এতো অমার্জিত।’

রাজ্যপালের উদ্দেশ্যে ঠিক কি বলেছেন মহুয়া? রাজ্যপালকে আক্রমণ করে মহুয়া টুইট করেছিলেন, ‘ আমরা এখন একটা মহামারীর বিরুদ্ধে লড়াই করছি। কলকাতার রাজভবনে রাজ্যপালের দায়িত্ব সামলাতে আসা কাজের বাইরে থাকা একজন আইনজীবির সঙ্গে কথার লড়াইয়ে জড়িয়ে পড়ার সময় বা ইচ্ছা নেই।’ একইসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহকে অনুরোধ করেছেন রাজ্যপালকে দিল্লিতে লকডাউন করার জন্য। তিনি লিখেছেন, ‘মোদি-শাহ একটা উপকার করুন , এই ভদ্রলোককে দিল্লি নিয়ে যান ও লকডাউন করে রাখুন।

এপ্রসঙ্গে অগ্নিমিত্রা পর বলেন, ‘ পদে, বয়সে, মর্যাদায় একজন প্রবীণের সঙ্গে কীভাবে কথা বলতে হয় জানেন না মহুয়া? উনিতো বিলেত ফেরত, চমৎকার ইংরেজি বলেন। এতো উচ্চশিক্ষিত হয়ে এতো নিম্নরুচির পরিচয় দিলেন কি করে? আসলে ওঁর নেত্রী যেমন সেই ধারাটাইতো বহন করবেন। একটা আদর্শ হীন, নীতিহীন দল। ওঁদের কাছে এই ব্যবহারটাই প্রত্যাশিত। সেই কারণে আমি একটুও অবাক হইনি।’  মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করে তিনি বলেন, ‘ কালীঘাট থেকে রাজভবনের দূরত্ব কতটা। লকডাউনের মধ্যে বিমানে প্রশান্তকিশোরকে উড়িয়ে আনতে পারেন আর রাজভবনে যাওয়ার সময় পান না? রাজ্যপাল তো বলেছিলেন রাজভবনে আপনার একজন বন্ধু আছেন যিনি আপনাকে সহায়তা করতে চান। আমিওতো মহুয়াকে বলছি এই সঙ্কটের সময়ে আসুন একসাথে লড়ি।’

আরও পড়ুন: রাজ্যে ২১মে পর্যন্ত লকডাউন, মানতে হবে নিয়ম: মুখ্যমন্ত্রী

অনাবাসী ১৪ জন বাঙালি চিকিৎসককেও মহুয়া মৈত্র টুইটারে আক্রমণ করেছেন। এঁরা মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি লিখে রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে সমালোচনা করেছিলেন। তাঁদের অভিযোগ করোনা নিয়ে তথ্য গোপন করা হয়েছে, করোনা মৃতের তথ্য লুকোনো হয়েছে। কৃষ্ণনগরের সাংসদ তাঁদের সমালোচনা করে লিখেছেন, বিদেশে গুজরাতি, মধ্যপ্রদেশীয় কিছু কম নেই, কিন্তু তাঁরা নিজের রাজ্যের এভাবে নিন্দা করেন না। একইসঙ্গে তাঁদের নিজের চরকায় তেল দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। এই বিষয়ে প্রতিক্রিয়ায় অগ্নিমিত্রা মানবতার স্বার্থে চিকিৎসকদের ভূমিকাকে সম্মান করার কথা বলেছেন। একইসঙ্গে তাঁর প্রশ্ন ‘ কেউ বিদেশে রয়েছেন বলে সঙ্কটের সময়ে নিজের দেশের বা রাজ্যের বিষয়ে কোন মতামত দিতে পারবেন না?’ একইসঙ্গে তাঁর সংযোজন’, ভারতবর্ষের এটাই সংস্কৃতি। বিপদে দেশের পাশে দাঁড়ানো। ওঁরা তো অন্যায় কিছু বলেননি। দেশের মানুষের ভালোর জন্যই সমস্যার দিকগুলো তুলে ধরেছেন। অ্যান্টিবায়োটিক একটু কড়া হয়, কিন্তু কাজে দেয়।’

Related Articles

Back to top button
Close