fbpx
আন্তর্জাতিকহেডলাইন

মার্কিন ভোটারদের তথ্য হাতিয়ে নিয়েছে ইরান: এফবিআই

ওয়াশিংটন, (সংবাদ সংস্থা): মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি রাজ্যের ভোটারদের তথ্য হ্যাক করেছে বলে ইরানি হ্যাকারা। মার্কিন মুলুকে চুড়ান্ত ভোটের দিনক্ষণ (৩ নভেম্বর) আসার আগেই এমনই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ সামনে এনেছে ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (এফবিআই) অফিসারেরা। তাঁরা দাবি করেছেন, কট্টর ডানপন্থি এবং নব্য ফ্যাসিবাদী ‘প্রাউড বয়েজ’ নামের একটি গ্রুপের নামে ভোটারদের হুমকি দিয়ে বেশ কিছু ইমেইল পাঠানো হয়েছে। এই গ্রুপটি আমেরিকা এবং কানাডায় রাজনৈতিক হিংসা এবং বিভিন্ন বিভ্রান্তিমূলক তথ্য প্রচার করে থাকে। আর ওই গ্রুপটির নামে মার্কিন ভোটারদের হুমকি দিয়ে মেইল পাঠিয়েছে ইরানি হ্যাকাররা। আর এই ইরানি হ্যাকারদের হাতে রয়েছে আমেরিকার একটি রাজ্যের ভোটার রেজিস্ট্রেশনের তথ্য।

উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে হ্যাকাররা অনলাইনে একটি ভিডিও পোস্ট করেছে। ওই ভিডিওতে দেখানো যে, তাদের হাতে মার্কিন ভোটারদের তথ্য আছে। এরপরেই নড়েচড়ে বসে এফবিআই, সাইবার সিকিউরিটি এজেন্সি, সাইবার নিরাপত্তা এবং অবকাঠামো সুরক্ষা সংস্থা।

শুক্রবার সন্ধ্যায় এক যৌথ বিবৃতিতে এই সংস্থাগুলি জনায়, যেসব ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে তা পর্যালোচনা করে দেখা গেছে যে, এগুলো প্রপাগান্ডামূলক ভিডিও। গত সপ্তাহে ফ্লোরিডা, আলাস্কাসহ বেশ কয়েকটি রাজ্যের ভোটারদের হুমকি দিয়ে ইমেইল পাঠানো হয়েছে। সেখানে বলা হয়, নির্বাচনের দিন ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ভোট দেবেন নইলে আমরা আপনাদের দেখে নেব। মেইলগুলি এমনভাবে পাঠানো হয়েছে- যেন এগুলি দেখে মনে হয় যে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রতি সমর্থন জানানো ‘প্রাউড বয়েজ গ্রুপ’ এগুলি পাঠিয়েছে। কিন্তু এগুলি আসলে ইরানি হ্যাকারদের কাজ।

আরও পড়ুন:রাজ্যের অনেক আধিকারিক সংবিধানের বিরুদ্ধে কাজ করছেন… দেশ, গণতন্ত্র সুরক্ষিত থাকছে না: ধনকর

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা আধিকারিকরা জানিয়েছেন, কিছু মেইলে ভোটারদের বাড়ির ঠিকানাও অন্তর্ভূক্ত রয়েছে। আর ডেমোক্র্যাটিক ভোটারদের হুমকি দিয়ে যে মেইল পাঠানো হয়েছে, এর পিছনে ইরানের হাত রয়েছে। এপ্রসঙ্গে জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার পরিচালক জন র‌্যাটক্লিফ জানান, ওই ইমেইলগুলো কট্টর ডানপন্থী গ্রুপের আদলে এসেছে। তবে শুধু ইরান নয়, রাশিয়ার কাছেও আমেরিকান ভোটারদের তথ্য রয়েছে। তবে, এদিকে ইরান বলছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো অন্য কোনো দেশের নির্বাচনে তেহরান হস্তক্ষেপ করে না।

 

 

Related Articles

Back to top button
Close