fbpx
গুরুত্বপূর্ণপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

করোনার জের, জমাষ্টমীর আগেই বন্ধ হয়ে গেল মায়াপুরের ইসকন মন্দির

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: গোটা বিশ্বে মারণ থাবা বসিয়েছে করোনা ভাইরাস। বেড়েই চলেছে সংক্রমণের সংখ্যা। এবারত এই করোনার কোপে পড়ল মায়াপুর ইসকন মন্দির৷ লকডাউনের জেরে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর গত ৫ জুলাই মন্দির খোলা হয়েছিল৷ এর পর আশেপাশে এলাকায় করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় আগামী দু সপ্তাহ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয় মন্দির কর্তৃপক্ষ। জন্মাষ্টমীর আগেই মন্দির বন্ধের এই সিদ্ধান্তে মনখারাপ ভক্তদের।

মন্দির কর্তৃপক্ষে জানিয়েছে, সুরক্ষার স্বার্থে আগামী দু সপ্তাহ মায়াপুরের ইসকন মন্দির বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। লকডাউনের জেরে ১০৩ দিন বন্ধ থাকার পরে গুরুপূর্ণিমার দিনে খুলেছিল নদিয়া মায়াপুরের ইসকনের মন্দির৷ তারপর স্বাস্থ্যবিধি মেনে মন্দিরে ঢোকা ও পুজো দেওয়া শুরু হয়েছিল৷ মন্দিরের ভিতরে ৬ ফুট দূরত্ব বজায় রেখে ভক্তদের ঢুকতে দেওয়া হচ্ছিল। প্রধান গেটে দর্শনার্থীদের থার্মাল স্ক্রিনিং করিয়ে ভিতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়। মন্দিরের ভিতরে থাকা প্রত্যেককে মাস্ক বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: ভারতীয় অর্থনীতির উন্নয়ন ঘটাতে তিনটি ‘ওষুধ’-এর কথা বললেন মনমোহন সিং

এদিকে দিল্লির ইসকন মন্দিরে জন্মাষ্টমীর প্রস্তুতি চললেও প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না ভক্তদের। কেবলমাত্র নিমন্ত্রিতরাই প্রবেশ করতে পারবেন। দর্শন হবে অনলাইনেই। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে প্রথম থেকে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছিল ইসকন কর্তৃপক্ষ। তাদের নতুন নিয়মে বলা হয়েছিল, সকাল ৯ টা থেকে ১২টা পর্যন্ত, বিকেল ৪টে থেকে ৬টা পর্যন্ত মূল মন্দিরে যাওয়া যাবে। মন্দির চত্বরে বেশিক্ষণ বসে থাকা, ধ্যান করা কিংবা শুয়ে প্রণাম করাও যাবে না বলেই জানিয়েছিল ইসকন কর্তৃপক্ষ।

গত ৮ জুনের পর মায়াপুর ইসকনে ভক্তদের জন্য মন্দিরের দরজা খুলে দেওয়া হয়েছিল৷ কিন্তু তখন শুধু পুজো দেখতে যাওয়ার অনুমতি ছিল৷ তাও শুধু মায়াপুরে থাকা দেশ-বিদেশের ভক্তদের এই সুযোগ ছিল। ক্যাম্পাসে ঘোরাঘুরির উপরও নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছিল৷ তবে এবার আর কোনও ঝুঁকি না নিয়ে, মন্দির বন্ধের রাস্তাতেই হাঁটল কর্তৃপক্ষ। উল্লেখ্য, সংক্রমণের জেরে বন্ধ রয়েছে তারকেশ্বর, তারাপীঠ-সহ একাধিক মন্দির। অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখা হয়েছে বেলুর মঠও।

 

 

Related Articles

Back to top button
Close