fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

মহারাষ্ট্রের হিন্দু সন্ন্যাসী হত্যা, গণপিটুনি রোধ আইন চাইছেন ইসলামিক পন্ডিত

মোকতার হোসেন মন্ডল, কলকাতা: মহারাষ্ট্রের হিন্দু সন্ন্যাসী হত্যার পর গণপিটুনি রোধ আইন চাইছেন ইসলামিক পন্ডিতরা। দিল্লি ও কলকাতার একাধিক ইসলামী বিশেষজ্ঞ বলছেন, দেশে আজ গণপিটুনি রোধ আইন খুব জরুরি। ইসলামী গবেষক বহু গ্রন্থের প্রণেতা মুহাম্মদ নুরুদ্দিন জানান, দেশে গণপিটুনির একাধিক ঘটনা ঘটেছে। মানুষ নিজের হাতে আইন তুলে নিচ্ছে। আখলাক, গৌরী লংকেশ, আফরাজুল, তাবরেজ, পেহলুখান হয়ে মহারাষ্ট্রের পালঘরে সাধু সন্ন্যাসী হত্যা। দেশে গণপিটুনি আইন যে কত জরুরি তা একাধিক ঘটনা বিশ্লেষণ করলেই বোঝা যাবে। আধুনিক ভারতের স্বার্থে আইন প্রয়োজন ও তার সঠিক প্রয়োগ জরুরি।’

আরও পড়ুন: করোনার মাঝে ইজরাইলের কারাগারে বন্দি ফিলিস্তিনিদের অবস্থা সংকটজনক !

মুহাম্মদ নুরুদ্দিন সন্ন্যাসী হত্যার নিন্দা জানিয়ে এক বিবৃতিতে বলেন,”মহারাষ্ট্রের পালঘরে দুইজন ধর্ম গুরু ও তাঁদের গাড়ীর চালককে যেভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে তা কল্পনার অতীত হলেও এটাই এখন ভারতীয় সমাজের বাস্তবতা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। দিনের পর দিন ভারতীয় সমাজে যে ভাবে হিংসা ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে এবং পরিকল্পিত ভাবে বিদ্বেষ ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে তাতে উদ্বেগের যথেষ্ট কারণ আছে। দিনের পর দিন মানুষের পরিচিতির থেকে জাত পাত, ধর্ম ইত্যাদিকে বড় করে দেখানো হচ্ছে। যেভাবে বিদ্বেষ ছড়ানো হচ্ছে তা সমাজ কে বর্বরতার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। কোন কোন রাজনৈতিক দল একে সরাসরি মদত দিচ্ছে। দেশ কে এই বিপদ থেকে বাঁচাতে হলে সম্মিলিত ভাবে এই হিংসার বিরুদ্ধে লড়তে হবে।”

তাঁর আরও মন্তব্য, ‘কোভিড ১৯ এর থেকেও জাতিগত বিদ্বেষের ভাইরাস অনেক বেশি ভয়ঙ্কর। যারা পালঘরে হত্যা কান্ডের সঙ্গে যুক্ত তদেরতো শাস্তি দিতেই হবে সেই সঙ্গে সঙ্গে যারা মিডিয়ার মাধ্যমে লাগাতার বিদ্বেষ ছড়িয়ে যাচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। এমনিতেই অনেক দেরি হয়ে গেছে আর দেরি করলে এই বিদ্বেষের ভাইরাস নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে। আমি মহারাষ্ট্র সরকারকে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়ার জন্য ধন্যবাদ জানাই। সমস্ত শান্তিপ্রিয় মানুষকে ঐক্যবদ্ধ ভাবে হিংসার বিরুদ্ধে লড়াই করার আহবান জানাচ্ছি। দেশকে কুসংস্কার ও অন্ধ গোঁড়ামি থেকে রক্ষা করতে সকল রাজনৈতিক দল ও শুভ বুদ্ধিসম্পন্ন মানুষকে গণপিটুনি রোধ আইনের জোরালো দাবি জানাতে হবে।’

Related Articles

Back to top button
Close